ঢাকা ০২:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’ Logo রিকশাচালক থেকে মুচি, ১ নভেম্বর থেকে সবাই বাংলা কিউআর ব্যবহার করতে পারবেন Logo প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত ও গ্রেপ্তার করতে হবে: আখতার হোসেন Logo ৩৪৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ Logo ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০ Logo মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: তারেক রহমান Logo মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo যাত্রাবাড়ীতে বাসে তল্লাশি, ৯ হাজার ই’য়া’বা’স’হ গ্রে’প্তা’র ২ Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল 

লাইসেন্স ছাড়া ইটভাটা দিলে জেল-জরিমানা, আইন পাস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩০:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ ২৯১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ লাইসেন্স এবং অনুমোদিত ইটভাটা ছাড়া ইট প্রস্তুত করলে জেল-জরিমানা, কৃষির সমৃদ্ধি ও উচ্চ ফলনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ‘টপ সয়েল’ রক্ষাসহ ইটভাটাজনিত পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় বিধান রেখে সংসদে একটি আইন পাস হয়েছে। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ)(সংশোধন) বিল-২০১৯টি মঙ্গলবার সংসদে পাস হয়।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তবিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে জাতীয় পার্টির এমপিরা কয়েকটি সংশোধনী দেন। কিন্তু তা গৃহীত না হয়েই কণ্ঠভোটে বিলটি সংসদে পাস হয়। জাতীয় পার্টির রুস্তম আলী ফরাজী, মো. মুজিবুল হক ও বেগম রওশন আরা বিলের ওপর জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানো ও সংশোধনী প্রস্তাব আনলে তা কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

বিলে বিদ্যমান আইনের কয়েকটি ধারায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী এবং কয়েকটি বিধান বিলুপ্তি করা হয়েছে। বিলে লাইসেন্স ও অনুমোদিত ইটভাটা ছাড়া ইট প্রস্তুত নিষিদ্ধের বিধান করা হয়েছে। তবে ব্লক প্রস্তুতের ক্ষেত্রে লাইসেন্স প্রয়োজন হবে না।

বিলে ইটভাটার ক্ষেত্রে সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে যে কোনো ইটভাটায় ছিদ্রযুক্ত ইট প্রস্তুতের নির্দেশনা জারির বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ইটভাটা স্থাপনে বিধি-নিষেধ জারির বিধান করা হয়েছে।

বিলে পরিবেশ অধিদফতরের অনুমোদন-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে বিদ্যমান আইনের কয়েকটি ধারা বিলুপ্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি সময় সময় জারি করা রফতানি নীতি অনুসরণ ছাড়া ইট রফতানি করা যাবে না বলে বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়া বিলে লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিতের বিধান রাখা হয়েছে।

বিলে উল্লিখিত বিধান লঙ্ঘনজনিত অপরাধের জন্য কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এ বিধান লঙ্ঘনজনিত অপরাধে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

লাইসেন্স ছাড়া ইটভাটা দিলে জেল-জরিমানা, আইন পাস

আপডেট সময় : ০৭:৩০:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ লাইসেন্স এবং অনুমোদিত ইটভাটা ছাড়া ইট প্রস্তুত করলে জেল-জরিমানা, কৃষির সমৃদ্ধি ও উচ্চ ফলনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ‘টপ সয়েল’ রক্ষাসহ ইটভাটাজনিত পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় বিধান রেখে সংসদে একটি আইন পাস হয়েছে। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ)(সংশোধন) বিল-২০১৯টি মঙ্গলবার সংসদে পাস হয়।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তবিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে জাতীয় পার্টির এমপিরা কয়েকটি সংশোধনী দেন। কিন্তু তা গৃহীত না হয়েই কণ্ঠভোটে বিলটি সংসদে পাস হয়। জাতীয় পার্টির রুস্তম আলী ফরাজী, মো. মুজিবুল হক ও বেগম রওশন আরা বিলের ওপর জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানো ও সংশোধনী প্রস্তাব আনলে তা কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

বিলে বিদ্যমান আইনের কয়েকটি ধারায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী এবং কয়েকটি বিধান বিলুপ্তি করা হয়েছে। বিলে লাইসেন্স ও অনুমোদিত ইটভাটা ছাড়া ইট প্রস্তুত নিষিদ্ধের বিধান করা হয়েছে। তবে ব্লক প্রস্তুতের ক্ষেত্রে লাইসেন্স প্রয়োজন হবে না।

বিলে ইটভাটার ক্ষেত্রে সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে যে কোনো ইটভাটায় ছিদ্রযুক্ত ইট প্রস্তুতের নির্দেশনা জারির বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ইটভাটা স্থাপনে বিধি-নিষেধ জারির বিধান করা হয়েছে।

বিলে পরিবেশ অধিদফতরের অনুমোদন-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে বিদ্যমান আইনের কয়েকটি ধারা বিলুপ্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি সময় সময় জারি করা রফতানি নীতি অনুসরণ ছাড়া ইট রফতানি করা যাবে না বলে বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়া বিলে লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিতের বিধান রাখা হয়েছে।

বিলে উল্লিখিত বিধান লঙ্ঘনজনিত অপরাধের জন্য কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এ বিধান লঙ্ঘনজনিত অপরাধে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে।