ঢাকা ০৩:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জিয়া শিশু কিশোর মেলা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা Logo জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নথি জালিয়াতি: ৫ জনকে শোকজ ও মামলা Logo সওজে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদের ‘অদৃশ্য সাম্রাজ্য’ ও অবৈধ সম্পদ: পূর্বাচলে কয়েক কোটি টাকার প্লট Logo শহীদ জিয়ার মাজারে জিয়া শিশু কিশোর মেলার নতুন কমিটির শ্রদ্ধা Logo এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পাশে জিয়া শিশু কিশোর মেলা: বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন বিতরণ Logo কবি আকাশমণির রোমান্টিক লেখা “ক্লান্তরা সুখ হয়ে ওঠে” Logo লালপুরে দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার Logo মোহনা টিভি দখলের অপচেষ্টা: মিরপুরে উত্তেজনা, থানায় জিডি Logo বন বিভাগে পদোন্নতি জট ও কর্তাদের দুর্নীতির অভিযোগ: আদালতের হস্তক্ষেপে নতুন করে উত্তেজনা Logo জেল থেকে ফিরেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রকৌশলী জুয়েল রানা

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের আর কত গাছ উপড়ে ফেলা হবে?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ জানুয়ারী ২০২১ ২৪২ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ সংবাদদাতা;

রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার (কেপিআই) অন্তর্ভুক্ত রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের চৌহদ্দিতে খাবারের রেস্টুরেন্ট স্থাপনের নামে নির্বিচারে গাছ নিধন অব্যাহত রয়েছে। প্রায় প্রতি সপ্তাহেই উদ্যানের ভেতর বিভিন্ন স্থানের বিশাল আকারের তরতাজা গাছ প্রকাশ্যে শিকড় থেকে উপড়ে ফেলা হচ্ছে। গোপনে সেগুলো বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঘুরে দেখা গেছে, নতুন নতুন গাছ উপড়ে ফেলা হচ্ছে। উদ্যানে তরতাজা সবুজ পাতাবেষ্টিত গাছগুলো মাটিতে পড়ে আছে। উদ্যানের বিভিন্ন স্থানে এমনকি খোলামাঠেও মাটি কেটে রাস্তা নির্মিত হচ্ছে। এখানে-সেখানে রড, সিমেন্ট ও বালু মজুত রেখে পিলার নির্মাণ ও ঢালাইয়ের কাজ চলছে। সেখানে একাধিক নিরাপত্তাকর্মীকে দাঁড়িয়ে পাহারা দিতে দেখা যায়।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে রক্ষণাবেক্ষণের সঙ্গে জড়িত একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে আলাপকালে জানা গেছে, উদ্যানের চৌহদ্দিতে সাতটি রেস্টুরেন্ট নির্মিত হবে। এছাড়া রেস্টুরেন্টগুলোতে আসার জন্য ওয়াকওয়ে নির্মাণের কাজ চলছে। পার্কের বিভিন্ন স্পটে ব্যায়াম করার জন্য স্থাপনা নির্মিত হবে।

উদ্যানের বিভিন্ন স্পট- টিএসসি, রমনা কালীমন্দির, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট ও শিশুপার্ক সংলগ্ন প্রবেশদ্বারের পাশে রেস্টুরেন্ট ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ কাজ বেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। তবে এসব দেখে হতাশ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নিয়মিত আসা প্রাতঃভ্রমণকারীরা।

তারা বলছেন, রেস্টুরেন্ট কিংবা ব্যায়ামাগার স্থাপনের ব্যাপারে সরকার তথা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিতেই পারে। কিন্তু এভাবে নির্বিচারে তরতাজা গাছ কেটে ফেলার কোনো মানে হয় না। পরিবেশ মন্ত্রণালয় কিংবা পরিবেশবাদী বিভিন্ন সংগঠনেরও এ বিষয়ে কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের আর কত গাছ উপড়ে ফেলা হবে?

আপডেট সময় : ১২:২০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ জানুয়ারী ২০২১

বিশেষ সংবাদদাতা;

রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার (কেপিআই) অন্তর্ভুক্ত রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের চৌহদ্দিতে খাবারের রেস্টুরেন্ট স্থাপনের নামে নির্বিচারে গাছ নিধন অব্যাহত রয়েছে। প্রায় প্রতি সপ্তাহেই উদ্যানের ভেতর বিভিন্ন স্থানের বিশাল আকারের তরতাজা গাছ প্রকাশ্যে শিকড় থেকে উপড়ে ফেলা হচ্ছে। গোপনে সেগুলো বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঘুরে দেখা গেছে, নতুন নতুন গাছ উপড়ে ফেলা হচ্ছে। উদ্যানে তরতাজা সবুজ পাতাবেষ্টিত গাছগুলো মাটিতে পড়ে আছে। উদ্যানের বিভিন্ন স্থানে এমনকি খোলামাঠেও মাটি কেটে রাস্তা নির্মিত হচ্ছে। এখানে-সেখানে রড, সিমেন্ট ও বালু মজুত রেখে পিলার নির্মাণ ও ঢালাইয়ের কাজ চলছে। সেখানে একাধিক নিরাপত্তাকর্মীকে দাঁড়িয়ে পাহারা দিতে দেখা যায়।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে রক্ষণাবেক্ষণের সঙ্গে জড়িত একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে আলাপকালে জানা গেছে, উদ্যানের চৌহদ্দিতে সাতটি রেস্টুরেন্ট নির্মিত হবে। এছাড়া রেস্টুরেন্টগুলোতে আসার জন্য ওয়াকওয়ে নির্মাণের কাজ চলছে। পার্কের বিভিন্ন স্পটে ব্যায়াম করার জন্য স্থাপনা নির্মিত হবে।

উদ্যানের বিভিন্ন স্পট- টিএসসি, রমনা কালীমন্দির, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট ও শিশুপার্ক সংলগ্ন প্রবেশদ্বারের পাশে রেস্টুরেন্ট ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ কাজ বেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। তবে এসব দেখে হতাশ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নিয়মিত আসা প্রাতঃভ্রমণকারীরা।

তারা বলছেন, রেস্টুরেন্ট কিংবা ব্যায়ামাগার স্থাপনের ব্যাপারে সরকার তথা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিতেই পারে। কিন্তু এভাবে নির্বিচারে তরতাজা গাছ কেটে ফেলার কোনো মানে হয় না। পরিবেশ মন্ত্রণালয় কিংবা পরিবেশবাদী বিভিন্ন সংগঠনেরও এ বিষয়ে কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই।