ঢাকা ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

মামুনুলদের মামলা প্রত্যাহার না হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি হেফাজতের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২০ ৪০০ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক;

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকসহ দেশের আলেম-ওলামাদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার এবং দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম ও আলেম সমাজ।

তারা বলেছেন, দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি এবং অদৃশ্য শক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়নে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকসহ দেশের জননন্দিত আলেম-ওলামাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা এবং শীর্ষ মুরব্বিদের সঙ্গে বেয়াদবিমূলক বক্তব্য ও আচরণ করে হচ্ছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানাচ্ছি। অবিলম্বে এ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী এই চিহ্নিত ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় হেফাজতে ইসলাম ও আলেম সমাজ প্রতিবাদী আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।

সোমবার (২১ ডিসেম্বর) হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব মাওলানা ফজলুল করীম কাসেমী স্বাক্ষরিত দেশের শীর্ষ ওলামা-মাশায়েখ এক যৌথ বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে জনপ্রিয়, সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য ও আস্থার প্রতীক ওলীয়ে কালেম আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুর পরও তাকে পুঁজি করে একটি কুচক্রী মহল বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও আলেম সমাজকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। যারা ২০১৩ থেকে ২০২০ সালে হযরতের ইন্তেকাল পর্যন্ত কখনো ক্ষমতাসীনদের বিপক্ষে ক্ষমতা দখলের ষড়যন্ত্র আর অপরিণামদর্শী বক্তব্যের মাধ্যমে, কখনো চাটুকারিতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে কিংবা দেশবিরোধী চক্রের চর হয়ে স্বার্থ হাসিলের মতলবে আল্লামা শাহ আহমদ শফীর আকাশচুম্বি গ্রহণযোগ্যতাকে জাতির সামনে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

তারা আরও বলেন, আল্লামা শাহ আহমদ শফী স্বাভাবিকভাবে ইন্তেকাল করেছেন, যা তার বড় ছেলে পরিবারের পক্ষ থেকে দেশি-বিদেশি মিডিয়ার সামনে পরিষ্কারভাবে জাতিকে জানিয়েছেন, হাটহাজারী মাদরাসার সব শিক্ষক এ বিষয়ে সুস্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন এবং মৃত্যুর পূর্বাপর দু-দুটি দেশসেরা হাসপাতালের রিপোর্ট ও ডেথ সার্টিফিকেটের মাধ্যমে দেশবাসীর সামনে স্পষ্ট হয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, এর পরও স্বার্থান্বেষী মহলটি তা স্বাভাবিক মৃত্যুকে নিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।

শুধু তাই নয়, সারাদেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের যে জাতীয় নির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে তার ব্যাপারেও তারা অপপ্রচার চালাচ্ছে, যা সচেতন মহল ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন- আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী, আল্লামা মুফতি আব্দুস সালাম চাটগামী, আল্লামা শায়েখ আহমদ (হাটহাজারী), আল্লামা নূরুল ইসলাম, আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, আল্লামা শায়েখ জিয়া উদ্দিীন, আল্লামা আব্দুল হামিদ (পীর সাহেব মধুপুর), মাওলানা আরশাদ রাহমানী, মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, মাওলানা আবুল কালাম, মাওলানা সালাহ উদ্দিন নানুপুরী, মাওলানা নোমান ফয়জী (মেখল), মাওলানা নূরুল ইসলাম আদীব, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা আবদুল আউয়াল, মাওলানা অ্যাডভোকেট আবদুর রাকীব, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ সাদী, মাওলানা আবদুর রহমান হাফেজ্জী, মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, মাওলানা ইসমাঈল নূরপুরী, মাওলানা ফয়জুল্লাহ সন্দ্বীপী প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

মামুনুলদের মামলা প্রত্যাহার না হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি হেফাজতের

আপডেট সময় : ১১:০১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২০

নিউজ ডেস্ক;

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকসহ দেশের আলেম-ওলামাদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার এবং দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম ও আলেম সমাজ।

তারা বলেছেন, দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি এবং অদৃশ্য শক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়নে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকসহ দেশের জননন্দিত আলেম-ওলামাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা এবং শীর্ষ মুরব্বিদের সঙ্গে বেয়াদবিমূলক বক্তব্য ও আচরণ করে হচ্ছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানাচ্ছি। অবিলম্বে এ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী এই চিহ্নিত ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় হেফাজতে ইসলাম ও আলেম সমাজ প্রতিবাদী আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।

সোমবার (২১ ডিসেম্বর) হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব মাওলানা ফজলুল করীম কাসেমী স্বাক্ষরিত দেশের শীর্ষ ওলামা-মাশায়েখ এক যৌথ বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে জনপ্রিয়, সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য ও আস্থার প্রতীক ওলীয়ে কালেম আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুর পরও তাকে পুঁজি করে একটি কুচক্রী মহল বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও আলেম সমাজকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। যারা ২০১৩ থেকে ২০২০ সালে হযরতের ইন্তেকাল পর্যন্ত কখনো ক্ষমতাসীনদের বিপক্ষে ক্ষমতা দখলের ষড়যন্ত্র আর অপরিণামদর্শী বক্তব্যের মাধ্যমে, কখনো চাটুকারিতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে কিংবা দেশবিরোধী চক্রের চর হয়ে স্বার্থ হাসিলের মতলবে আল্লামা শাহ আহমদ শফীর আকাশচুম্বি গ্রহণযোগ্যতাকে জাতির সামনে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

তারা আরও বলেন, আল্লামা শাহ আহমদ শফী স্বাভাবিকভাবে ইন্তেকাল করেছেন, যা তার বড় ছেলে পরিবারের পক্ষ থেকে দেশি-বিদেশি মিডিয়ার সামনে পরিষ্কারভাবে জাতিকে জানিয়েছেন, হাটহাজারী মাদরাসার সব শিক্ষক এ বিষয়ে সুস্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন এবং মৃত্যুর পূর্বাপর দু-দুটি দেশসেরা হাসপাতালের রিপোর্ট ও ডেথ সার্টিফিকেটের মাধ্যমে দেশবাসীর সামনে স্পষ্ট হয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, এর পরও স্বার্থান্বেষী মহলটি তা স্বাভাবিক মৃত্যুকে নিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।

শুধু তাই নয়, সারাদেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের যে জাতীয় নির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে তার ব্যাপারেও তারা অপপ্রচার চালাচ্ছে, যা সচেতন মহল ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন- আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী, আল্লামা মুফতি আব্দুস সালাম চাটগামী, আল্লামা শায়েখ আহমদ (হাটহাজারী), আল্লামা নূরুল ইসলাম, আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, আল্লামা শায়েখ জিয়া উদ্দিীন, আল্লামা আব্দুল হামিদ (পীর সাহেব মধুপুর), মাওলানা আরশাদ রাহমানী, মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, মাওলানা আবুল কালাম, মাওলানা সালাহ উদ্দিন নানুপুরী, মাওলানা নোমান ফয়জী (মেখল), মাওলানা নূরুল ইসলাম আদীব, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা আবদুল আউয়াল, মাওলানা অ্যাডভোকেট আবদুর রাকীব, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ সাদী, মাওলানা আবদুর রহমান হাফেজ্জী, মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, মাওলানা ইসমাঈল নূরপুরী, মাওলানা ফয়জুল্লাহ সন্দ্বীপী প্রমুখ।