ঢাকা ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

মানবতার পথে প্রতিদিন ১৮ কিলোমিটার বৈঠা বেয়ে ছোটেন এক নারী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০ ২৮১ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

চলমান করোনাভাইরাস মহামারিতে প্রতিদিন ১৮ কিলোমিটার নৌকা চালিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলের আদিবাসী শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের সেবা দিতে তাদের দ্বারপ্রান্তে ছুটে যান রেলু ভাসাভি। তিনি একজন সরকারি স্বাস্থ্যকর্মী। ভারতের মহারাষ্ট্রের নানদুরবার এলাকার এই নারী স্বাস্থ্যকর্মীর কর্তব্যপরায়ণতার গল্প অবাক করার মতো।

রেলু ভাসাভি মূলত মহারাষ্ট্রের নাসিক এলাকার বাসিন্দা। বেড়ে উঠেছেন নারমাদা নদীর তীরে। সেখানেই সাঁতার শেখা। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে স্থানীয় দুটি ছোট গ্রামের গর্ভবতী মা ও ছয় বছরের কম বয়সী শিশুদের সেবা দিতে শুরু করেন তিনি। উদ্দেশ্য প্রত্যন্ত অঞ্চলের এসব মা ও শিশু যাতে কিছুতেই যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা কিংবা পুষ্টিবঞ্চিত না হয়।

কাজের অংশ হিসেবে তিনি নিয়মিত ওই এলাকার মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য, ওজন, বেড়ে ওঠা পর্যবেক্ষণ করে সে অনুযায়ী পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন নৌকা বেয়ে এত পথ পাড়ি দেয়া সহজ বিষয় নয়। প্রতিদিন সন্ধ্যায় ঘরে ফেরার পর আমার হাতে ব্যথা হয়। কিন্তু সেজন্য আমার চিন্তা নেই। তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নবজাতক ও তাদের মায়েদের পুষ্টিকর খাবার ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা। কোভিড-১৯ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত আমি ওই ছোট ছোট গ্রামে সেবা দিয়ে যাব।’

চলমান এই মহামারিতে এমন মহৎ উদ্যোগ নিয়ে আদিবাসী সম্প্রদায়ের কাছ থেকে ভালোবাসা ও সুনাম অর্জন করেছেন তিনি।

ইতোমধ্যে রেলুর এই মহতী উদ্যোগের কথা পৌঁছে গেছে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর কানে। মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে জেলা পরিষদ তার ভূয়সী প্রশংসা করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

মানবতার পথে প্রতিদিন ১৮ কিলোমিটার বৈঠা বেয়ে ছোটেন এক নারী

আপডেট সময় : ০৫:৪১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

চলমান করোনাভাইরাস মহামারিতে প্রতিদিন ১৮ কিলোমিটার নৌকা চালিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলের আদিবাসী শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের সেবা দিতে তাদের দ্বারপ্রান্তে ছুটে যান রেলু ভাসাভি। তিনি একজন সরকারি স্বাস্থ্যকর্মী। ভারতের মহারাষ্ট্রের নানদুরবার এলাকার এই নারী স্বাস্থ্যকর্মীর কর্তব্যপরায়ণতার গল্প অবাক করার মতো।

রেলু ভাসাভি মূলত মহারাষ্ট্রের নাসিক এলাকার বাসিন্দা। বেড়ে উঠেছেন নারমাদা নদীর তীরে। সেখানেই সাঁতার শেখা। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে স্থানীয় দুটি ছোট গ্রামের গর্ভবতী মা ও ছয় বছরের কম বয়সী শিশুদের সেবা দিতে শুরু করেন তিনি। উদ্দেশ্য প্রত্যন্ত অঞ্চলের এসব মা ও শিশু যাতে কিছুতেই যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা কিংবা পুষ্টিবঞ্চিত না হয়।

কাজের অংশ হিসেবে তিনি নিয়মিত ওই এলাকার মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য, ওজন, বেড়ে ওঠা পর্যবেক্ষণ করে সে অনুযায়ী পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন নৌকা বেয়ে এত পথ পাড়ি দেয়া সহজ বিষয় নয়। প্রতিদিন সন্ধ্যায় ঘরে ফেরার পর আমার হাতে ব্যথা হয়। কিন্তু সেজন্য আমার চিন্তা নেই। তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নবজাতক ও তাদের মায়েদের পুষ্টিকর খাবার ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা। কোভিড-১৯ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত আমি ওই ছোট ছোট গ্রামে সেবা দিয়ে যাব।’

চলমান এই মহামারিতে এমন মহৎ উদ্যোগ নিয়ে আদিবাসী সম্প্রদায়ের কাছ থেকে ভালোবাসা ও সুনাম অর্জন করেছেন তিনি।

ইতোমধ্যে রেলুর এই মহতী উদ্যোগের কথা পৌঁছে গেছে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর কানে। মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে জেলা পরিষদ তার ভূয়সী প্রশংসা করেছে।