ঢাকা ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

রপাকিস্তানকে অস্ত্র দিচ্ছে চীন, ছড়িয়ে পড়ছে কাশ্মী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৭:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২৭১ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানকে অস্ত্র দিচ্ছে চীন, ছড়িয়ে পড়ছে কাশ্মী

লাদাখে সীমান্ত সংঘাতের আবহেই জম্মু-কাশ্মীর নিয়েও ভারতকে ব্যতিব্যস্ত রাখতে চাইছে চীন। গোয়েন্দা রিপোর্ট উল্লেখ করে একটি সরকারি সূত্রে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।সূত্রের মতে, গোয়েন্দারা বলছেন, বেইজিংয়ের মদতেই ভূস্বর্গে প্রচুর পরিমাণে অস্ত্র এবং গোলাবারুদ ঢোকানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান।আরও জানা যাচ্ছে, উদ্দেশ্য সিদ্ধির জন্য ইসলামাবাদকে অস্ত্র এবং অন্যান্য সরঞ্জাম দিয়েও সাহায্য করছে চীন। কিন্তু ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারির ছাঁকনিতে বারেবারেই ধরা পড়ে গিয়েছে অনুপ্রবেশের চেষ্টা। বার বার ধাক্কা খেয়ে এবার কৌশল বদলাচ্ছে পাকিস্তান।

কাশ্মীরে অশান্তি জিইয়ে রাখতে পাকিস্তানকে সরাসরি মদদ দিচ্ছে চীন, এ সন্দেহ দানা বাঁধছিল বহুদিন ধরেই।

সম্প্রতি উপত্যকা থেকে একাধিকবার প্রচুর পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। আর সেই অস্ত্রসম্ভারের মধ্যে পাওয়া গিয়েছে চীনা আগ্নেয়াস্ত্র এবং যুদ্ধের সরঞ্জাম। আর তাতে নয়াদিল্লির সন্দেহ আরও জোরদার হয়েছে।

গোয়েন্দা দফতর সূত্রে যে খবর পাওয়া যাচ্ছে, তা-ও পাক ও চীনের যোগসাজশের ইঙ্গিতই দিচ্ছে।

সরকারি সূত্র বলছে, উপত্যকায় আক্ষরিক অর্থেই বারুদের স্তূপ গড়তে চায় পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। সূত্র মারফত এটাও জানা গেছে, এই উদ্দেশ্যপূরণে পাকিস্তানকে ক্রমাগত মদদ দিয়ে চলেছে চীন।

ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিজ্ঞতা বলছে, উপত্যকায় অনুপ্রবেশ ঘটানোর জন্য সাধারণত গরমের সময়টাই বেছে নেয়া হয়ে থাকে। কারণ শীত পড়তে শুরু করলে সীমান্তে থাকা বিস্তৃত ঝোপঝাড় শিশির বা বরফে চাপা পড়ে যেতে থাকবে। ফলে ওই রাস্তা ব্যবহার করে লুকিয়ে সীমান্ত পেরনো সম্ভব হবে না।

কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ এবং অস্ত্র পাচার বন্ধ করতে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর কড়া নজরদারি চালাচ্ছে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী। তার জেরে ‘কার্যসিদ্ধি’তে বারেবারেই ধাক্কা খাচ্ছে পাকিস্তান। প্লানে ধাক্কা খাওয়ায়, এবার দ্বিতীয় পরিকল্পনা নিয়ে আসরে নেমেছে পাকিস্তান।

ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে জানা যাচ্ছে, সম্প্রতি নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ‘নিরস্ত্র’ জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ ঘটাচ্ছে পাকিস্তান। আর তাদের অস্ত্র পাঠানো হচ্ছে ড্রোন মারফত বা অন্য কোনো ভাবে। অনুপ্রবেশ ঘটানোর জন্য নজর রাখা হচ্ছে ভারতীয় বাহিনীর ওপর।

বাহিনীর কর্তারাই বলছেন, গত কয়েক মাসে ফিরোজপুর থেকে আখনূর এবং রাজৌরি থেকে টাংধরের মধ্যে প্রতিটি জায়গায় নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর অস্ত্রবোঝাই ড্রোন উদ্ধারের ঘটনা বহুলাংশে বেড়ে গিয়েছে।

একই সঙ্গে কাশ্মীরি যুবকদের জঙ্গি-দলে টেনে আনার চেষ্টাও গত দুই মাসে বেশ কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে বলে ওই সরকারি সূত্রে খবর। সেই সঙ্গে কোনো রকম ‘ঝুঁকি’ ছাড়াই অস্ত্র পাঠানো হচ্ছে ড্রোন বা কোয়াড কপ্টারের মাধ্যমে।

সূত্রের ইঙ্গিত, ‘নিরাপদ’ পথে কাশ্মীরে অস্ত্র পাঠাতে চীনা ড্রোন এবং কোয়াড কপ্টার ব্যবহার করছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। সেই সঙ্গে রয়েছে চীনা অস্ত্রশস্ত্রও।

সরকারি তথ্য জানাচ্ছে, কাশ্মীর থেকে একাধিকবার ইএমইআই টাইপ ৯৭ এনএসআর রাইফেল উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী।

ওই রাইফেল তৈরি করে চীনা সংস্থা নরিনকো এবং তা চীনের সেনা ব্যবহারও করে। গোয়েন্দাদের ধারণা, ওই রাইফেলই ‘উপহার’ হিসেবে ইসলামাবাদের হাতে তুলে দিচ্ছে বেইজিং। এ ছাড়াও চীনা ছাপ থাকা বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র কাশ্মীর থেকে উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী।

ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্রে বলা হচ্ছে, ১৪ সেপ্টেম্বর গুরেজ সেক্টর দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালায় কয়েকজন জঙ্গি। তাদের পাল্টা চ্যালেঞ্জ জানায়, ভারতীয় বাহিনী। প্রবল বাধার মুখে পড়ে কিষাণগঙ্গা নদীতে ঝাঁপ দেয় জঙ্গিদের ওই দলটি। কিন্তু তারা অস্ত্রবোঝাই একটি রুকস্যাক ফেলে যায়

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

রপাকিস্তানকে অস্ত্র দিচ্ছে চীন, ছড়িয়ে পড়ছে কাশ্মী

আপডেট সময় : ০১:৩৭:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

পাকিস্তানকে অস্ত্র দিচ্ছে চীন, ছড়িয়ে পড়ছে কাশ্মী

লাদাখে সীমান্ত সংঘাতের আবহেই জম্মু-কাশ্মীর নিয়েও ভারতকে ব্যতিব্যস্ত রাখতে চাইছে চীন। গোয়েন্দা রিপোর্ট উল্লেখ করে একটি সরকারি সূত্রে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।সূত্রের মতে, গোয়েন্দারা বলছেন, বেইজিংয়ের মদতেই ভূস্বর্গে প্রচুর পরিমাণে অস্ত্র এবং গোলাবারুদ ঢোকানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান।আরও জানা যাচ্ছে, উদ্দেশ্য সিদ্ধির জন্য ইসলামাবাদকে অস্ত্র এবং অন্যান্য সরঞ্জাম দিয়েও সাহায্য করছে চীন। কিন্তু ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারির ছাঁকনিতে বারেবারেই ধরা পড়ে গিয়েছে অনুপ্রবেশের চেষ্টা। বার বার ধাক্কা খেয়ে এবার কৌশল বদলাচ্ছে পাকিস্তান।

কাশ্মীরে অশান্তি জিইয়ে রাখতে পাকিস্তানকে সরাসরি মদদ দিচ্ছে চীন, এ সন্দেহ দানা বাঁধছিল বহুদিন ধরেই।

সম্প্রতি উপত্যকা থেকে একাধিকবার প্রচুর পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। আর সেই অস্ত্রসম্ভারের মধ্যে পাওয়া গিয়েছে চীনা আগ্নেয়াস্ত্র এবং যুদ্ধের সরঞ্জাম। আর তাতে নয়াদিল্লির সন্দেহ আরও জোরদার হয়েছে।

গোয়েন্দা দফতর সূত্রে যে খবর পাওয়া যাচ্ছে, তা-ও পাক ও চীনের যোগসাজশের ইঙ্গিতই দিচ্ছে।

সরকারি সূত্র বলছে, উপত্যকায় আক্ষরিক অর্থেই বারুদের স্তূপ গড়তে চায় পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। সূত্র মারফত এটাও জানা গেছে, এই উদ্দেশ্যপূরণে পাকিস্তানকে ক্রমাগত মদদ দিয়ে চলেছে চীন।

ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিজ্ঞতা বলছে, উপত্যকায় অনুপ্রবেশ ঘটানোর জন্য সাধারণত গরমের সময়টাই বেছে নেয়া হয়ে থাকে। কারণ শীত পড়তে শুরু করলে সীমান্তে থাকা বিস্তৃত ঝোপঝাড় শিশির বা বরফে চাপা পড়ে যেতে থাকবে। ফলে ওই রাস্তা ব্যবহার করে লুকিয়ে সীমান্ত পেরনো সম্ভব হবে না।

কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ এবং অস্ত্র পাচার বন্ধ করতে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর কড়া নজরদারি চালাচ্ছে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী। তার জেরে ‘কার্যসিদ্ধি’তে বারেবারেই ধাক্কা খাচ্ছে পাকিস্তান। প্লানে ধাক্কা খাওয়ায়, এবার দ্বিতীয় পরিকল্পনা নিয়ে আসরে নেমেছে পাকিস্তান।

ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে জানা যাচ্ছে, সম্প্রতি নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ‘নিরস্ত্র’ জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ ঘটাচ্ছে পাকিস্তান। আর তাদের অস্ত্র পাঠানো হচ্ছে ড্রোন মারফত বা অন্য কোনো ভাবে। অনুপ্রবেশ ঘটানোর জন্য নজর রাখা হচ্ছে ভারতীয় বাহিনীর ওপর।

বাহিনীর কর্তারাই বলছেন, গত কয়েক মাসে ফিরোজপুর থেকে আখনূর এবং রাজৌরি থেকে টাংধরের মধ্যে প্রতিটি জায়গায় নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর অস্ত্রবোঝাই ড্রোন উদ্ধারের ঘটনা বহুলাংশে বেড়ে গিয়েছে।

একই সঙ্গে কাশ্মীরি যুবকদের জঙ্গি-দলে টেনে আনার চেষ্টাও গত দুই মাসে বেশ কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে বলে ওই সরকারি সূত্রে খবর। সেই সঙ্গে কোনো রকম ‘ঝুঁকি’ ছাড়াই অস্ত্র পাঠানো হচ্ছে ড্রোন বা কোয়াড কপ্টারের মাধ্যমে।

সূত্রের ইঙ্গিত, ‘নিরাপদ’ পথে কাশ্মীরে অস্ত্র পাঠাতে চীনা ড্রোন এবং কোয়াড কপ্টার ব্যবহার করছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। সেই সঙ্গে রয়েছে চীনা অস্ত্রশস্ত্রও।

সরকারি তথ্য জানাচ্ছে, কাশ্মীর থেকে একাধিকবার ইএমইআই টাইপ ৯৭ এনএসআর রাইফেল উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী।

ওই রাইফেল তৈরি করে চীনা সংস্থা নরিনকো এবং তা চীনের সেনা ব্যবহারও করে। গোয়েন্দাদের ধারণা, ওই রাইফেলই ‘উপহার’ হিসেবে ইসলামাবাদের হাতে তুলে দিচ্ছে বেইজিং। এ ছাড়াও চীনা ছাপ থাকা বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র কাশ্মীর থেকে উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী।

ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্রে বলা হচ্ছে, ১৪ সেপ্টেম্বর গুরেজ সেক্টর দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালায় কয়েকজন জঙ্গি। তাদের পাল্টা চ্যালেঞ্জ জানায়, ভারতীয় বাহিনী। প্রবল বাধার মুখে পড়ে কিষাণগঙ্গা নদীতে ঝাঁপ দেয় জঙ্গিদের ওই দলটি। কিন্তু তারা অস্ত্রবোঝাই একটি রুকস্যাক ফেলে যায়