ঢাকা ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি, ৮ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২০ ২৮৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানার আট পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) মহানগর হাকিম শফি উদ্দিনের আদালতে মামলাটি করেন বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকার ব্যবসায়ী মো. আবদুল ওয়াহেদ। পরে আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে নগর পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

অভিযুক্ত আট পুলিশ সদস্য হলেন- বায়েজিদ বোস্তামী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সহিদুল ইসলাম, এসআই মো. নুর নবী, এএসআই অমিত ভট্টাচার্য, এএসআই মো. শরিফুল ইসলাম, এসআই গোলাম মো. নাছিম হোসেন, এএসআই মো. আশরাফুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. সোলাইমান, কনস্টেবল ফৌজুল করিম ও পুলিশ সোর্স ডোনার রুবেল।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১৩ জুলাই বায়েজিদ বোস্তামীর জামাল কলোনি এলাকা থেকে বিনা কারণে বাদীকে থানায় নিয়ে মারধর করা হয় এবং ২ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অপারগতা জানালে মাদক আইনে বাদী ও আরও কয়েকজনের নামে মামলা করা হয়। মামলা হালকা করতেও পুলিশ সদস্যরা টাকা দাবি করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করেন বাদী।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আলমগীর বলেন, বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকার ব্যবসায়ী আবদুল ওয়াহেদকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় এবং পরে মাদক মামলা দিয়ে আদালতে চালান দেয়া হয়। মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে হয়রানি করায় দণ্ডবিধির ৩৮৫, ৩৯৫, ১৬১, ২৯৮, ৪২০, ১০৯, ৫০৬ (২) ও ৩৪ ধারা অনুযায়ী বায়েজিদ বোস্তামী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ সহিদুল ইসলামসহ আট পুলিশ সদস্য ও এক সোর্সের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনারকে (উত্তর) তদন্তের নির্দেশ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি, ৮ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ১১:০১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানার আট পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) মহানগর হাকিম শফি উদ্দিনের আদালতে মামলাটি করেন বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকার ব্যবসায়ী মো. আবদুল ওয়াহেদ। পরে আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে নগর পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

অভিযুক্ত আট পুলিশ সদস্য হলেন- বায়েজিদ বোস্তামী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সহিদুল ইসলাম, এসআই মো. নুর নবী, এএসআই অমিত ভট্টাচার্য, এএসআই মো. শরিফুল ইসলাম, এসআই গোলাম মো. নাছিম হোসেন, এএসআই মো. আশরাফুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. সোলাইমান, কনস্টেবল ফৌজুল করিম ও পুলিশ সোর্স ডোনার রুবেল।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১৩ জুলাই বায়েজিদ বোস্তামীর জামাল কলোনি এলাকা থেকে বিনা কারণে বাদীকে থানায় নিয়ে মারধর করা হয় এবং ২ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অপারগতা জানালে মাদক আইনে বাদী ও আরও কয়েকজনের নামে মামলা করা হয়। মামলা হালকা করতেও পুলিশ সদস্যরা টাকা দাবি করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করেন বাদী।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আলমগীর বলেন, বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকার ব্যবসায়ী আবদুল ওয়াহেদকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় এবং পরে মাদক মামলা দিয়ে আদালতে চালান দেয়া হয়। মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে হয়রানি করায় দণ্ডবিধির ৩৮৫, ৩৯৫, ১৬১, ২৯৮, ৪২০, ১০৯, ৫০৬ (২) ও ৩৪ ধারা অনুযায়ী বায়েজিদ বোস্তামী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ সহিদুল ইসলামসহ আট পুলিশ সদস্য ও এক সোর্সের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনারকে (উত্তর) তদন্তের নির্দেশ দেন।