ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের জোরালো আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান মিয়ানমারেই নিহিত: প্রধানমন্ত্রী Logo জ্বালানি ও বিনিয়োগ সহযোগিতায় গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের Logo মাথাপিছু জিডিপিতে এ বছর ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ: আইএমএফ Logo মোটরসাইকেলের চেইন পরিষ্কার ও লুব করার সঠিক নিয়ম Logo নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের প্রথম পর্বের ৪০ খেলোয়াড় বিকেএসপিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণে ভর্তির সুযোগ Logo তেহরানে বৈঠকে বসছে মক্কা প্যাক্ট ও ইরান Logo নিত্যপণ্যের আমদানি বেড়েছে, রমজানে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার আশা Logo লগি-বৈঠার আঘাতে নিহতদের স্মরণ করলেন বিরোধীদলীয় নেতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে করোনার উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫১:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২০ ২৯০ বার পড়া হয়েছে

সরাইল সংবাদাতা: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে।তার নাম মো. শরিফ উদ্দিন (৩৫) সে স্বাস্থ্য পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বুধবার বেলা ১১টার দিকে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অভিজিৎ রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
নিহত শরিফ উদ্দিন ফান্দাউক ইউনিয়নের আতুকুড়া গ্রামের কান্দিাপাড়ার মৃত ইসহাক মিয়ার ছেলে বলে জানা যায়। তিনি নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য পরিদর্শক হিসেবে ২০০৮ সাল থেকে কর্মরত ছিলেন।২০০৮ সালের নভেম্বর মাসের ২৬ তারিখ নাসিরনগর পরবিার পরিকল্পনা কার্জালয়ে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তিনি ফান্দাউক ইউনিয়নে স্বাস্থ্য পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পানা কর্মকর্তা ডা. অভিজিৎ রায় বলেন, শরিফ বেশকিছুদিন যাবৎ কাশি ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। ঘটনার দিন সকালে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। তখন কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কয়েকদিন আগে তিনি শ্বাসকষ্ট ও কাশি নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি নিজ বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। বুৃধবার সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
ডা. অভিজিৎ জানান, শরিফের করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।পরে তা রোগতত্ত্ব ও রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ (আইইডিসিআর) এ পাঠানো হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমা আশরাফী জানান, স্বাস্থ্য বিধি মেনে তার লাশ দাফন করা হবে। পাশাপাশি তার বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। যারা তার সাথে হাসপাতালে এসেছিলেন সে সকল স্বজনদের হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে করোনার উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৪:৫১:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২০

সরাইল সংবাদাতা: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে।তার নাম মো. শরিফ উদ্দিন (৩৫) সে স্বাস্থ্য পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বুধবার বেলা ১১টার দিকে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অভিজিৎ রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
নিহত শরিফ উদ্দিন ফান্দাউক ইউনিয়নের আতুকুড়া গ্রামের কান্দিাপাড়ার মৃত ইসহাক মিয়ার ছেলে বলে জানা যায়। তিনি নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য পরিদর্শক হিসেবে ২০০৮ সাল থেকে কর্মরত ছিলেন।২০০৮ সালের নভেম্বর মাসের ২৬ তারিখ নাসিরনগর পরবিার পরিকল্পনা কার্জালয়ে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তিনি ফান্দাউক ইউনিয়নে স্বাস্থ্য পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পানা কর্মকর্তা ডা. অভিজিৎ রায় বলেন, শরিফ বেশকিছুদিন যাবৎ কাশি ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। ঘটনার দিন সকালে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। তখন কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কয়েকদিন আগে তিনি শ্বাসকষ্ট ও কাশি নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি নিজ বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। বুৃধবার সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
ডা. অভিজিৎ জানান, শরিফের করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।পরে তা রোগতত্ত্ব ও রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ (আইইডিসিআর) এ পাঠানো হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমা আশরাফী জানান, স্বাস্থ্য বিধি মেনে তার লাশ দাফন করা হবে। পাশাপাশি তার বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। যারা তার সাথে হাসপাতালে এসেছিলেন সে সকল স্বজনদের হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হবে।