বিআরটিএ কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের রহস্যময় সিন্ডিকেট | দূর্নীতি ও সম্পদের বিস্ফোরক অভিযোগ!
- আপডেট সময় : ০৭:০৩:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ঢাকা মেট্রো-১ সার্কেলের পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন শাখাকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম, তদবির ও সিন্ডিকেট বাণিজ্যের অভিযোগ থাকলেও এবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে এক রহস্যজনক বদলি কাণ্ড। অভিযোগ উঠেছে, সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) জিয়াউর রহমানকে ঘিরে এমন এক প্রভাববলয় তৈরি হয়েছে, যার কারণে তার বিরুদ্ধে জারি হওয়া বদলির প্রজ্ঞাপনও টেকেনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, একাধিকবার প্রশাসনিকভাবে তার বদলির আদেশ জারি হলেও রহস্যজনকভাবে তা স্থগিত বা সংশোধন করা হয়েছে। এমনকি রাতে বদলির প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার পর পরদিন সকালেই সেটি পরিবর্তনের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিআরটিএ’র অভ্যন্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, জোরসাহারা-নিকুঞ্জ এলাকায় অবস্থিত লাইসেন্স শাখাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় একটি দালাল ও সিন্ডিকেট চক্রের অন্যতম প্রভাবশালী সদস্য হিসেবে পরিচিত জিয়াউর রহমান। লাইসেন্স ইস্যু, নবায়ন, ফাইল অগ্রাধিকার এবং বিভিন্ন জটিলতা দ্রুত সমাধানের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, এই সিন্ডিকেটে ইন্সপেক্টর শরিফ উদ্দিন, ইন্সপেক্টর রাশেদুজ্জামান, কম্পিউটার অপারেটর সাগর ও আওলাদের নামও বিভিন্নভাবে আলোচনায় রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, সাধারণ আবেদনকারীদের ভোগান্তিকে পুঁজি করে দীর্ঘদিন ধরে একটি অঘোষিত বাণিজ্য চালানো হচ্ছে।
এদিকে জিয়াউর রহমানের ব্যক্তিগত সম্পদ নিয়েও উঠেছে নানা প্রশ্ন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে, রাজধানীর অভিজাত বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় তিনি বা তার পরিবারের ব্যবহারে একাধিক মূল্যবান সম্পদের তথ্য নিয়ে আলোচনা রয়েছে। জানা গেছে, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ব্লক-এফে একটি বাড়িতে তিনি বসবাস করেন। এছাড়া তার ব্যবহৃত গাড়ি হিসেবে একটি টয়োটা প্রিয়াস (ঢাকা মেট্রো-গ ১৬-১৪১৭) থাকার তথ্যও পাওয়া গেছে।
অভিযোগকারীদের প্রশ্ন, একজন সরকারি কর্মকর্তার বৈধ আয়ের সঙ্গে এসব সম্পদের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বদলি প্রক্রিয়ায় রহস্যজনক হস্তক্ষেপ, প্রশাসনিক প্রভাব খাটানো এবং লাইসেন্স সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের অভিযোগও নিরপেক্ষভাবে অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সহকারী পরিচালক জিয়াউর রহমানের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ করেননি। পরে খুদে বার্তা পাঠালেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।
আরও বিস্তারিত থাকছে দ্বিতীয় পর্বে..
চলবে….
























