ঢাকা ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বন্ড সুবিধার আড়ালে শত কোটি টাকার কারসাজি, নাটের গুরু কমিশনার আবু ওবায়দা Logo লঞ্চ থেকে মেঘনায় লাফ দেওয়া যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার, প্রশংসায় নৌ পুলিশের তৎপরতা Logo স্থানীয় কৃষকদের থেকে ভাড়ায় জমি নিয়ে সাইন বোর্ড: প্লট বানিজ্যের নামে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী কর্তৃপক্ষ’র প্রতারণা Logo “নৌ-খাতের সিমুলেটর বাণিজ্যের লুটেরা সিন্ডিকেট সাব্বির মাদানি” Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ত্রাসের রাজত্ব! নকল নবীশ মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকি ও দূর্নীতির অভিযোগ Logo ‘শিশু হাসপাতালে উপ-পরিচালক নেছার উদ্দীন সিন্ডিকেটের দুর্নীতি ও লুটপাট’ Logo গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়ার ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও টেন্ডার কারসাজি Logo মাঠের ত্যাগী না অভিজ্ঞ নেতা: রাজধানীর বিএনপিতে কোন পথে যাচ্ছে নেতৃত্ব? Logo অন্তর্বর্তী সরকার আমাকে ডিসিদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ দেয়নি: রাষ্ট্রপতি Logo পথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি

পুলিশের সহায়তায় বাড়ি ফিরল হাওরে থাকা পরিবারগুলো

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৭:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২০ ১৮১ বার পড়া হয়েছে

নেত্রকোনা প্রতিনিধি:

খালিয়াজুরি উপজেলায় নির্জন হাওরে অবস্থান করছিল ঢাকার গাওসিয়া ফেরত ১৭ টি পরিবার। এবার তারা পুলিশের সহায়তায় বাড়ি ফেরেছেন।

নেত্রকোনা পুলিশ সুপার মো. আকবর আলী মুনসী খবর পেয়েই ওই এলাকায় পুলিশ পাঠিয়ে তাদেরকে নিজ নিজ বাড়িতে পোঁছে দেন। এসময় তিনি জানান, তাদেরকে খাদ্য সহায়তাসহ সকল নিরাপত্তা প্রদান করা হবে। এমনকি এই ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

এর আগে প্রায় ১২ দিন পূর্বে ওই ১৭টি পরিবার ঢাকা থেকে গ্রামে আসলে গ্রামের প্রভাবশালীরা বাড়িতে উঠতে না দিয়ে উপজেলার নগর ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামের কসমা হাওরে খুপরি করে থাকতে দেয়। এদের মধ্যে অনেকেই গার্মেন্টস কর্মী, ঢালাইয়ের কাজসহ অনেকেই বিভিন্ন বাসা বাড়িতে কাজ করতেন। কয়েক ধাপে তারা এলাকায় আসলে ওই হাওরে তাদেরকে থাকতে বাধ্য করা হয়। খবর পেয়ে ইউএনও সোমবার বিকালে তাদের কাছে খাদ্য সহায়তা পাঠান।
আজ মঙ্গলবার পুলিশের সহায়তায় তারা বাড়ি যেতে পেরে আনন্দিত।
এদিকে গত ১৬ এপ্রিল থেকে আসা কয়েকটা পরিবার প্রায় ১২ দিন ধরে অনেকে ঝর বৃষ্টিতে হাওরের ভেতর মানবেতর জীবনযাপন করেছেন। পর্যায়ক্রমে মোট ১৭ টি পরিবার এসেছে।

হাওরে থাকা তরুণী রিতা রানী জানান, তারা দুই বোন ঢাকায় কাজ করতো। এখন ঘরছাড়া। রাতে পালা করে ঘুমাতে হয়েছে তাদের।

হাওরে অবস্থান করা মঙ্গল সরকার জানান, তারা বাড়ি আসার পর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দীপক সরকার ও মেম্বার দেবাশীষ চাপ সৃষ্টি করলে গ্রামের মানুষ তাদেরকে এখানে খুপরি করে দেয়া হয়। অথচ তারা বাড়িতেই হোম কোয়ারেনটাইনে থাকতে প্রস্তুত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

পুলিশের সহায়তায় বাড়ি ফিরল হাওরে থাকা পরিবারগুলো

আপডেট সময় : ০৬:৩৭:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২০

নেত্রকোনা প্রতিনিধি:

খালিয়াজুরি উপজেলায় নির্জন হাওরে অবস্থান করছিল ঢাকার গাওসিয়া ফেরত ১৭ টি পরিবার। এবার তারা পুলিশের সহায়তায় বাড়ি ফেরেছেন।

নেত্রকোনা পুলিশ সুপার মো. আকবর আলী মুনসী খবর পেয়েই ওই এলাকায় পুলিশ পাঠিয়ে তাদেরকে নিজ নিজ বাড়িতে পোঁছে দেন। এসময় তিনি জানান, তাদেরকে খাদ্য সহায়তাসহ সকল নিরাপত্তা প্রদান করা হবে। এমনকি এই ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

এর আগে প্রায় ১২ দিন পূর্বে ওই ১৭টি পরিবার ঢাকা থেকে গ্রামে আসলে গ্রামের প্রভাবশালীরা বাড়িতে উঠতে না দিয়ে উপজেলার নগর ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামের কসমা হাওরে খুপরি করে থাকতে দেয়। এদের মধ্যে অনেকেই গার্মেন্টস কর্মী, ঢালাইয়ের কাজসহ অনেকেই বিভিন্ন বাসা বাড়িতে কাজ করতেন। কয়েক ধাপে তারা এলাকায় আসলে ওই হাওরে তাদেরকে থাকতে বাধ্য করা হয়। খবর পেয়ে ইউএনও সোমবার বিকালে তাদের কাছে খাদ্য সহায়তা পাঠান।
আজ মঙ্গলবার পুলিশের সহায়তায় তারা বাড়ি যেতে পেরে আনন্দিত।
এদিকে গত ১৬ এপ্রিল থেকে আসা কয়েকটা পরিবার প্রায় ১২ দিন ধরে অনেকে ঝর বৃষ্টিতে হাওরের ভেতর মানবেতর জীবনযাপন করেছেন। পর্যায়ক্রমে মোট ১৭ টি পরিবার এসেছে।

হাওরে থাকা তরুণী রিতা রানী জানান, তারা দুই বোন ঢাকায় কাজ করতো। এখন ঘরছাড়া। রাতে পালা করে ঘুমাতে হয়েছে তাদের।

হাওরে অবস্থান করা মঙ্গল সরকার জানান, তারা বাড়ি আসার পর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দীপক সরকার ও মেম্বার দেবাশীষ চাপ সৃষ্টি করলে গ্রামের মানুষ তাদেরকে এখানে খুপরি করে দেয়া হয়। অথচ তারা বাড়িতেই হোম কোয়ারেনটাইনে থাকতে প্রস্তুত ছিলেন।