ঢাকা ১২:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




খাবারের জন্য হাহাকার বৃদ্ধ বদিউর রহমানের পরিবার!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২০ ৬২ বার পড়া হয়েছে

লোহাগাড়া প্রতিনিধি : সাতাশি বছরের বৃদ্ধ বদিউর রহমান। সে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি কুলাল পাড়া ৭ নং ওয়ার্ড এলাকান মৃত গুরা মিয়ার ছেলে। খাবারের জন্য হাহাকার করছে তার পরিবার। দীর্ঘ অপেক্ষার পরও পাচ্ছে না ত্রাণ। সোমবার সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, বৃদ্ধের পাঁচ মেয়ে, ছেলে সন্তান বলতে কেউ নেই। এক মেয়েকে বাড়িতে ঘর জামাই এনে বিয়ে দেয় লোকমান হাকিমের সাথে। রিক্সা চালিয়ে সংসার খরচ বহন করে সে। বাকিদের অন্য জায়গায় বিয়ে হয়।

দেশে করোনা ভাইরাস প্রাদূর্ভাবে গৃহবন্দী লোকজন। অভাবের সংসারে এই করোনা দূর্যোগে বদিউর রহমানের আরো দুই মেয়ে নাতি-নাতনিসহ বাড়িতে চলে আসে। অভাব অনটনে সংসারে খাদ্য সংকট নিয়মিত। নাতি-নাতনি ৭জন। সংসারে সদস্য মোট ১২ জন। দেশের দূর্যোগময় মূহুর্তে কেউ কোন প্রকার খবর রাখেন তাদের। সরকারি ত্রাণ সহায়তাও পাননি বলেও জানান বদিউল আলম। তিনি বলেন, হাঁড়ি, পাতিল বানিয়ে সংসার চালাতাম। ছেলে সন্তান না থাকায় মেয়েকে ঘর জমাই এনে বিয়ে দিই। বৃদ্ধ বয়সে মেয়ে জামাই একমাত্র সংসারের উপার্জন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সেও বাড়িতে। সংসারে যক্ত হলে আরো দুই মেয়ে নাতি-নাতনিসহ। দূর্যোগময় মুহুর্তে জনপ্রতিরাও উধাও। তারাও খবর নিচ্ছে না তার পরিবারের। স্থানীয়রা বলছেন, বৃদ্ধ বদিউর রহমান খুবই অসহায়। সংসারে অভাব অনটনের শেষ নেই তার। কেউ কোন প্রকার ত্রাণ নিয়ে যায়নি।

সরকারি বেসরকারি ভাবে ত্রাণ না পেলে অনহারে দিন কাটাবে তার পরিবার। স্থানীয় ইউপি সদস্য ছৈয়দ মোক্তার আহমদ প্রকাশ লেদু মেম্বার বলেন, আইডি কার্ড দিলেই ত্রাণ দেওয়া হবে। আমি পরিষদে আছি। পরিষদে আসতে বলেন তাকে। লিস্টে নাম আসলে ত্রাণ দেওয়া হবে বলে জানান তিনি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




খাবারের জন্য হাহাকার বৃদ্ধ বদিউর রহমানের পরিবার!

আপডেট সময় : ১১:৫৮:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২০

লোহাগাড়া প্রতিনিধি : সাতাশি বছরের বৃদ্ধ বদিউর রহমান। সে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি কুলাল পাড়া ৭ নং ওয়ার্ড এলাকান মৃত গুরা মিয়ার ছেলে। খাবারের জন্য হাহাকার করছে তার পরিবার। দীর্ঘ অপেক্ষার পরও পাচ্ছে না ত্রাণ। সোমবার সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, বৃদ্ধের পাঁচ মেয়ে, ছেলে সন্তান বলতে কেউ নেই। এক মেয়েকে বাড়িতে ঘর জামাই এনে বিয়ে দেয় লোকমান হাকিমের সাথে। রিক্সা চালিয়ে সংসার খরচ বহন করে সে। বাকিদের অন্য জায়গায় বিয়ে হয়।

দেশে করোনা ভাইরাস প্রাদূর্ভাবে গৃহবন্দী লোকজন। অভাবের সংসারে এই করোনা দূর্যোগে বদিউর রহমানের আরো দুই মেয়ে নাতি-নাতনিসহ বাড়িতে চলে আসে। অভাব অনটনে সংসারে খাদ্য সংকট নিয়মিত। নাতি-নাতনি ৭জন। সংসারে সদস্য মোট ১২ জন। দেশের দূর্যোগময় মূহুর্তে কেউ কোন প্রকার খবর রাখেন তাদের। সরকারি ত্রাণ সহায়তাও পাননি বলেও জানান বদিউল আলম। তিনি বলেন, হাঁড়ি, পাতিল বানিয়ে সংসার চালাতাম। ছেলে সন্তান না থাকায় মেয়েকে ঘর জমাই এনে বিয়ে দিই। বৃদ্ধ বয়সে মেয়ে জামাই একমাত্র সংসারের উপার্জন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সেও বাড়িতে। সংসারে যক্ত হলে আরো দুই মেয়ে নাতি-নাতনিসহ। দূর্যোগময় মুহুর্তে জনপ্রতিরাও উধাও। তারাও খবর নিচ্ছে না তার পরিবারের। স্থানীয়রা বলছেন, বৃদ্ধ বদিউর রহমান খুবই অসহায়। সংসারে অভাব অনটনের শেষ নেই তার। কেউ কোন প্রকার ত্রাণ নিয়ে যায়নি।

সরকারি বেসরকারি ভাবে ত্রাণ না পেলে অনহারে দিন কাটাবে তার পরিবার। স্থানীয় ইউপি সদস্য ছৈয়দ মোক্তার আহমদ প্রকাশ লেদু মেম্বার বলেন, আইডি কার্ড দিলেই ত্রাণ দেওয়া হবে। আমি পরিষদে আছি। পরিষদে আসতে বলেন তাকে। লিস্টে নাম আসলে ত্রাণ দেওয়া হবে বলে জানান তিনি