ঢাকা ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

নিউ ইয়র্কে সাদেক হোসেন খোকার জানাজায় মানুষের ঢল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫০:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর ২০১৯ ৩৪১ বার পড়া হয়েছে

নিউ ইয়র্ক  প্রতিনিধি|
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেসনের সাবেক মেয়র এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার নামাজে জানাজা নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় সোমবার বাদ এশা জামাইকা মুসলিম সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের ইমাম আবু জাফর বেগ জানাজায় ইমামতি করেন।
জানাজার পর মুক্তিযোদ্ধা কামাল সাইদ মোহন ও আবদুল মুকিত চৌধুরীর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকা মুড়িয়ে সাদেক হোসেন খোকাকে গার্ড অব অনার দেন। এর আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন সাদেক হোসেন খোকার দুই ছেলে এবং বিএনপি নেতা আবদুস সালাম।
বক্তব্যে খোকার ছেলে প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন সবার কাছে তার বাবার জন্য দোয়া চান এবং তার বাবা-মায়ের ট্রাভেল ডকুমেন্ট ইস্যু করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানান। এছাড়া নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশ কনসুলেটের পক্ষ থেকে ফার্স্ট সেক্রেটারি শামীম হোসেন বক্তব্য রাখেন। তিনি সাদেক হোসেন খোকাকে মুক্তিযোদ্ধা এবং কোনও রাজনৈতিক পরিচয় না দেয়ায় হট্টগোল শুরু হয়। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে বিএনপি নেতাকর্মী ও প্রবাসীরা এর প্রতিবাদ জানাতে থাকে।
পরিস্থিতি শান্ত করতে মসজিদের ইমাম ও বিএনপি নেতাদের বেগ পেতে হয়। এক পর্যায়ে সাদেক হোসেন খোকার ছেলে প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন সবাইকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানালে পরিস্থিতি শান্ত হয়। জানাজায় নিউ ইয়র্কের সর্বস্তরের রাজনীতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা রাজনৈতিক দলের নেতা, সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা এবং ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের প্রবাসীরা অংশ নেন।

নিউ ইয়র্কে সাদেক হোসেন খোকার জানাজায় মানুষের ঢল

জানাজা শেষে আবারও সাদেক হোসেন খোকার মরদেহ মর্গে রাগা হয়। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ১১ টায় এমিরেটস এয়ালাইন্সের ফ্লাইট ২০২-তে করে সাদেক হোসেন খোকার মরদেহ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হবে। খোকার মরদেহের সঙ্গে যাবে তার স্ত্রী ও তাদের দুই ছেলে।
জানাজায় বিএনপি নেতাদের মধ্যে আব্দুল লতিফ সম্রাট, মিজানুর রহমান ভূইয়া মিল্টন, জিল্লুর রহমান জিল্লু, গিয়াস আহমেদ এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান ও দলের অনেক নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
স্থানীয় সময় রোববার দিনগত রাত ২টা ৫০ মিনিটে ম্যানহাটানের মেমোরিয়াল স্লোয়েন ক্যাটারিং ক্যানসার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা। নিউ ইয়র্কে চিকিৎসাধীন খোকার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ১৮ অক্টোবর তাকে এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সাদেক হোসেন খোকার জন্ম ১৯৫২ সালের ১২ মে। ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। গেরিলা যোদ্ধা হিসেবে তার খ্যাতি রয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর করেন তিনি। আশির দশকে বামপন্থী রাজনীতি ছেড়ে আসেন বিএনপিতে। ওই সময় নয়াবাজার নবাব ইউসুফ মার্কেটে বিএনপির কার্যালয় থেকে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সূচনা করে সাতদলীয় জোটের নেতৃত্ব দেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ওই অন্দোলনে ঢাকা মহানগর সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পেয়েছিলেন খোকা।
১৯৯০ সালে বাবরি মসজিদ ভাঙাকে কেন্দ্র করে পুরান ঢাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে পুরান ঢাকার মানুষের মনে আস্থার জায়গা করে নেন। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসনে (সূত্রাপুর-কোতোয়ালি) শেখ হাসিনাকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়ে আলোচনায় আসেন খোকা।
এসময় তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ঢাকার আটটি আসনের মধ্যে সাতটিতে বিএনপি প্রার্থী পরাজিত হলেও একমাত্র খোকা নির্বাচিত হন। দিনে দিনে তার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। ঢাকার রাজনীতিতে খোকা ফ্যাক্টর হয়ে ওঠেন।

পরে আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী আন্দোলনে প্রায় পাঁচ বছর একক নেতৃত্ব দিয়ে তিনি বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতায় পরিণত হন। ২০০১ সালের নির্বাচনেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে মৎস্য ও পশুসম্পদমন্ত্রী হন। ওই সময় পুরান ঢাকায় বিএনপির রাজনীতিতে নিজস্ব বলয় তৈরির পাশাপাশি প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ডে দলকে শক্তিশালী করার পেছনে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
এর আগে ১৯৯৪ সালে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ হানিফের কাছে পরাজিত হন মির্জা আব্বাস। বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য বিরোধীদল কঠোর আন্দোলন শুরু করলে ঢাকায় বিএনপি কোণঠাসা হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় খোকাকে ১৯৯৬ সালে মহানগর বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব দেয়া হয়। ২০০২ সালের ২৫ এপ্রিল অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি মেয়র নির্বাচিত হন। ২০১১ সালের ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি ঢাকার মেয়র ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

নিউ ইয়র্কে সাদেক হোসেন খোকার জানাজায় মানুষের ঢল

আপডেট সময় : ০৯:৫০:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর ২০১৯

নিউ ইয়র্ক  প্রতিনিধি|
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেসনের সাবেক মেয়র এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার নামাজে জানাজা নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় সোমবার বাদ এশা জামাইকা মুসলিম সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের ইমাম আবু জাফর বেগ জানাজায় ইমামতি করেন।
জানাজার পর মুক্তিযোদ্ধা কামাল সাইদ মোহন ও আবদুল মুকিত চৌধুরীর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকা মুড়িয়ে সাদেক হোসেন খোকাকে গার্ড অব অনার দেন। এর আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন সাদেক হোসেন খোকার দুই ছেলে এবং বিএনপি নেতা আবদুস সালাম।
বক্তব্যে খোকার ছেলে প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন সবার কাছে তার বাবার জন্য দোয়া চান এবং তার বাবা-মায়ের ট্রাভেল ডকুমেন্ট ইস্যু করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানান। এছাড়া নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশ কনসুলেটের পক্ষ থেকে ফার্স্ট সেক্রেটারি শামীম হোসেন বক্তব্য রাখেন। তিনি সাদেক হোসেন খোকাকে মুক্তিযোদ্ধা এবং কোনও রাজনৈতিক পরিচয় না দেয়ায় হট্টগোল শুরু হয়। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে বিএনপি নেতাকর্মী ও প্রবাসীরা এর প্রতিবাদ জানাতে থাকে।
পরিস্থিতি শান্ত করতে মসজিদের ইমাম ও বিএনপি নেতাদের বেগ পেতে হয়। এক পর্যায়ে সাদেক হোসেন খোকার ছেলে প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন সবাইকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানালে পরিস্থিতি শান্ত হয়। জানাজায় নিউ ইয়র্কের সর্বস্তরের রাজনীতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা রাজনৈতিক দলের নেতা, সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা এবং ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের প্রবাসীরা অংশ নেন।

নিউ ইয়র্কে সাদেক হোসেন খোকার জানাজায় মানুষের ঢল

জানাজা শেষে আবারও সাদেক হোসেন খোকার মরদেহ মর্গে রাগা হয়। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ১১ টায় এমিরেটস এয়ালাইন্সের ফ্লাইট ২০২-তে করে সাদেক হোসেন খোকার মরদেহ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হবে। খোকার মরদেহের সঙ্গে যাবে তার স্ত্রী ও তাদের দুই ছেলে।
জানাজায় বিএনপি নেতাদের মধ্যে আব্দুল লতিফ সম্রাট, মিজানুর রহমান ভূইয়া মিল্টন, জিল্লুর রহমান জিল্লু, গিয়াস আহমেদ এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান ও দলের অনেক নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
স্থানীয় সময় রোববার দিনগত রাত ২টা ৫০ মিনিটে ম্যানহাটানের মেমোরিয়াল স্লোয়েন ক্যাটারিং ক্যানসার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা। নিউ ইয়র্কে চিকিৎসাধীন খোকার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ১৮ অক্টোবর তাকে এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সাদেক হোসেন খোকার জন্ম ১৯৫২ সালের ১২ মে। ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। গেরিলা যোদ্ধা হিসেবে তার খ্যাতি রয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর করেন তিনি। আশির দশকে বামপন্থী রাজনীতি ছেড়ে আসেন বিএনপিতে। ওই সময় নয়াবাজার নবাব ইউসুফ মার্কেটে বিএনপির কার্যালয় থেকে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সূচনা করে সাতদলীয় জোটের নেতৃত্ব দেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ওই অন্দোলনে ঢাকা মহানগর সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পেয়েছিলেন খোকা।
১৯৯০ সালে বাবরি মসজিদ ভাঙাকে কেন্দ্র করে পুরান ঢাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে পুরান ঢাকার মানুষের মনে আস্থার জায়গা করে নেন। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসনে (সূত্রাপুর-কোতোয়ালি) শেখ হাসিনাকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়ে আলোচনায় আসেন খোকা।
এসময় তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ঢাকার আটটি আসনের মধ্যে সাতটিতে বিএনপি প্রার্থী পরাজিত হলেও একমাত্র খোকা নির্বাচিত হন। দিনে দিনে তার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। ঢাকার রাজনীতিতে খোকা ফ্যাক্টর হয়ে ওঠেন।

পরে আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী আন্দোলনে প্রায় পাঁচ বছর একক নেতৃত্ব দিয়ে তিনি বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতায় পরিণত হন। ২০০১ সালের নির্বাচনেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে মৎস্য ও পশুসম্পদমন্ত্রী হন। ওই সময় পুরান ঢাকায় বিএনপির রাজনীতিতে নিজস্ব বলয় তৈরির পাশাপাশি প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ডে দলকে শক্তিশালী করার পেছনে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
এর আগে ১৯৯৪ সালে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ হানিফের কাছে পরাজিত হন মির্জা আব্বাস। বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য বিরোধীদল কঠোর আন্দোলন শুরু করলে ঢাকায় বিএনপি কোণঠাসা হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় খোকাকে ১৯৯৬ সালে মহানগর বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব দেয়া হয়। ২০০২ সালের ২৫ এপ্রিল অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি মেয়র নির্বাচিত হন। ২০১১ সালের ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি ঢাকার মেয়র ছিলেন।