ঢাকা ০১:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo প্রকল্প বণ্টনে অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগে গণপূর্ত সচিব নজরুলকে নিয়ে বিতর্কের ঝড়! Logo শিক্ষা প্রকৌশলে দুর্নীতির অভিযোগ: কোটি টাকার চুক্তিতে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহজাহান আলী Logo কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগে সীমাহীন ঘুষ–দুর্নীতির অভিযোগ Logo বটিয়াঘাটায় বিএনপি প্রার্থীর উঠান বৈঠক: সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরবিচ্ছিন্ন নিরাপত্তার আশ্বাস Logo গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার কবির ও ক্যাশিয়ার এনামুল হকের বিরুদ্ধে কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগ|| পর্ব – Logo বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের অর্থ অপব্যবহার: এশিয়াটিক থ্রি সিক্সটি ইস্যুতে হাইকোর্টে যাচ্ছে আইনজীদের সংগঠন  Logo বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের জ্যেষ্ঠ নেতার পদোন্নতি সহ পিআরএল: রয়েছে শত কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগ! Logo দৈনিক সবুজ বাংলাদেশের সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদ এর জন্মদিন আজ Logo উন্নয়নের নামে লুটপাট: ডিএসসিসি এডিবি প্রকল্পে ‘১২ টেবিল’ ভাগাভাগি হয় ঘুষের টাকা  Logo বাংলাদেশ ভারত কোস্টগার্ডের তত্ত্বাবধানে ১৫১ জেলের মুক্তিতে বন্দি বিনিময়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস

চালকের আসনে আফগানরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২১২ বার পড়া হয়েছে

ক্রিকেট |

আসগর আফগানের পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাচ্ছে আফগানিস্তান। তবুও স্বস্তি নেই বাংলাদেশ শিবিরে। রান বাড়ছেই স্কোর বোর্ডে। যিনি আসছেন, তিনিই তোপ দাগাচ্ছেন। স্বাভাবিকভাবেই খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছেন টাইগার বোলাররা।

শেষ পর্যন্ত আলোক স্বল্পতার কারণে দুই বল আগে শেষ হয়েছে তৃতীয় দিনের খেলা। দিন শেষে ৮ উইকেটে ২৩৭ রান সংগ্রহ করেছে আফগানিস্তান। ইতিমধ্যে ৩৭৪ রানের লিড পেয়েছে তারা। নিঃসন্দেহে চালকের আসনে সফরকারীরা। লিড বাড়িয়ে নেয়ার সুযোগও থাকছে তাদের। আফসার জাজাই ৩৪ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্রিজে রয়েছেন ইয়ামিন আহমেদজাই। তারা শুরু করবেন চতুর্থ দিনের খেলা। নতুন দিনে যে রান তুলতে পারবেন, সেটাই হবে টাইগারদের জন্য অতিরিক্ত বোঝা।

চট্টগ্রাম টেস্টে নিজেদের প্রথম ইনিংসে স্বপ্নের মতো ব্যাটিং করে আফগানিস্তান। তোলে দলীয় সর্বোচ্চ ৩৪২ রান। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা শুভ হয়নি সফরকারীদের। সূচনালগ্নেই ২ উইকেট খোয়ায় তারা। ইনিংসের প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে ফেরেন ইহসানউল্লাহ জানাত। এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে তাকে ফেরান সাকিব আল হাসান। এতেই থেমে থাকেননি তিনি। পরের বলেই তুলে নেন প্রথম ইনিংসে ইতিহাস গড়া সেঞ্চুরিয়ান রহমত শাহকে। তবে সম্ভাবনা জাগিয়েও হ্যাটট্রিক করতে পারেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক।

ওয়ানডাউনে নামা হাশমতউল্লাহ শাহীদিকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন ইব্রাহিম জাদরান। ভালোই খেলছিলেন তারা। তবে তাতে বাদ সাধেন নাঈম হাসান। দলীয় ২৮ রানে হাশমতউল্লাহকে বিদায় করেন তিনি। তবে তাতে দমে যাননি আফগানরা। এরপর আসগর আফগানকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন ইব্রাহিম। ৩ উইকেটে ৫৬ রান নিয়ে লাঞ্চে যান তারা।

মধ্যাহ্নভোজ থেকে ফিরে রীতিমতো রূদ্রমূর্তি ধারণ করেন ইব্রাহিম-আসগর। ধীরে ধীরে জমাট বেঁধে যায় তাদের জুটি। ফলে স্বাগতিক শিবিরে চোখ রাঙাতে থাকেন তারা। এক পর্যায়ে শাসাতে থাকেন বাংলাদেশ বোলারদের। ছোটান স্ট্রোকের ফুলঝুরি। ব্যাটকে তলোয়ার বানিয়ে একের পর এক বাউন্ডারি-ওভার বাউন্ডারিতে তাদের কচুকাটা করেন দুজনে। পথিমধ্যে অভিষেক টেস্টে ফিফটি তুলে নেন ইব্রাহিম। ফলে দ্রুত ঘোরে আফগানদের রানের চাকা, বাড়তে থাকে লিড, চাপে পড়েন স্বাগতিকরা।

কোনো কিছুতেই বিচ্ছিন্ন করা যাচ্ছিল ইব্রাহিম-আসগরকে। অবশেষে ভয়ংকর এ জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। সাকিব আল হাসানের তালুবন্দি করে আসগরকে ফেরান তিনি। তাতে ভাঙে চতুর্থ উইকেটে তীব্র প্রতিরোধ গড়া ১০৮ রানের জুটি। ফেরার আগে ৪ চার ও ২ ছক্কায় কাঁটায় ৫০ রান করেন অভিজ্ঞ ব্যাটার। এটি তার ক্যারিয়ারের তৃতীয় ফিফটি।

আসগর ফিরলেও স্বস্তি ফেরেনি বাংলাদেশ শিবিরে। পরে আফসার জাজাইকে নিয়ে শক্ত জুটি গড়ে তোলেন ইব্রাহিম। তাতে খেলা থেকে আরো ব্যাকফুটে চলে যান টাইগাররা। ধীরে ধীরে সেঞ্চুরির পথে এগোতে থাকেন ইব্রাহিম। তার তিন অংকের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করা মনে হচ্ছিল সময়ের ব্যাপার। তবে হঠাৎই বিপথগামী হন তিনি। নাঈম হাসানের বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে মুমিনুল হককে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন অভিষিক্ত ওপেনার। ফেরার আগে খেলেন ৬ চার ও ৪ ছক্কায় ৮৭ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস। এতে দ্বিতীয় আফগান হিসেবে ক্রিকেটের দীর্ঘতম ফরম্যাটে সেঞ্চুরি করার স্বপ্নভঙ্গ হয়। পরক্ষণেই সাজঘরে ফেরেন মোহাম্মদ নবী।

সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে নেমেই ঝড় তোলেন রশিদ খান। নাঈমের এক ওভারে ৫ চার মেরে অভিনব কিছুর আভাস দেন তিনি। তবে তার টর্নেডো বেশিক্ষণ চলেনি। মুহূর্তেই তাকে সোজা বোল্ড করে দেন তাইজুল। ফেরার আগে ২২ বলে ৬ চারে ২৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন আফগান অধিনায়ক।

রশিদের পর ক্রিজে আসেন কায়েস আহমেদ। অবশ্য বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি। সাকিবের এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন এ লোয়ারঅর্ডার। তবে এর আগে গুরুত্বপূর্ণ ১৪ রান যোগ করেন তিনি।

শনিবার বন্দরনগরীর জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ৮ উইকেটে ১৯৪ রান নিয়ে তৃতীয় দিন খেলতে নামে বাংলাদেশ। মোসাদ্দেক হোসেন ৪৪ এবং তাইজুল ইসলাম ১৪ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করেন। তবে শুরুতেই ধাক্কা খান স্বাগতিকরা। ব্যক্তিগত স্কোরে কোনো রান যোগ করার আগেই ফেরেন তাইজুল। তাকে পরিষ্কার বোল্ড করেন মোহাম্মদ নবী।

সেই জের না কাটতেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন নাঈম হাসান। তাকে তুলে নেন রশিদ খান। এ নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো ৫ উইকেট শিকার করেন আফগান অধিনায়ক। শেষ পর্যন্ত ২০৫ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ৪৭ রানে অপরাজিত থাকেন মোসাদ্দেক। আফগানদের হয়ে ৫ উইকেট নেন রশিদ। ৩ উইকেট দখলে নেন নবী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

চালকের আসনে আফগানরা

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ক্রিকেট |

আসগর আফগানের পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাচ্ছে আফগানিস্তান। তবুও স্বস্তি নেই বাংলাদেশ শিবিরে। রান বাড়ছেই স্কোর বোর্ডে। যিনি আসছেন, তিনিই তোপ দাগাচ্ছেন। স্বাভাবিকভাবেই খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছেন টাইগার বোলাররা।

শেষ পর্যন্ত আলোক স্বল্পতার কারণে দুই বল আগে শেষ হয়েছে তৃতীয় দিনের খেলা। দিন শেষে ৮ উইকেটে ২৩৭ রান সংগ্রহ করেছে আফগানিস্তান। ইতিমধ্যে ৩৭৪ রানের লিড পেয়েছে তারা। নিঃসন্দেহে চালকের আসনে সফরকারীরা। লিড বাড়িয়ে নেয়ার সুযোগও থাকছে তাদের। আফসার জাজাই ৩৪ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্রিজে রয়েছেন ইয়ামিন আহমেদজাই। তারা শুরু করবেন চতুর্থ দিনের খেলা। নতুন দিনে যে রান তুলতে পারবেন, সেটাই হবে টাইগারদের জন্য অতিরিক্ত বোঝা।

চট্টগ্রাম টেস্টে নিজেদের প্রথম ইনিংসে স্বপ্নের মতো ব্যাটিং করে আফগানিস্তান। তোলে দলীয় সর্বোচ্চ ৩৪২ রান। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা শুভ হয়নি সফরকারীদের। সূচনালগ্নেই ২ উইকেট খোয়ায় তারা। ইনিংসের প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে ফেরেন ইহসানউল্লাহ জানাত। এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে তাকে ফেরান সাকিব আল হাসান। এতেই থেমে থাকেননি তিনি। পরের বলেই তুলে নেন প্রথম ইনিংসে ইতিহাস গড়া সেঞ্চুরিয়ান রহমত শাহকে। তবে সম্ভাবনা জাগিয়েও হ্যাটট্রিক করতে পারেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক।

ওয়ানডাউনে নামা হাশমতউল্লাহ শাহীদিকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন ইব্রাহিম জাদরান। ভালোই খেলছিলেন তারা। তবে তাতে বাদ সাধেন নাঈম হাসান। দলীয় ২৮ রানে হাশমতউল্লাহকে বিদায় করেন তিনি। তবে তাতে দমে যাননি আফগানরা। এরপর আসগর আফগানকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন ইব্রাহিম। ৩ উইকেটে ৫৬ রান নিয়ে লাঞ্চে যান তারা।

মধ্যাহ্নভোজ থেকে ফিরে রীতিমতো রূদ্রমূর্তি ধারণ করেন ইব্রাহিম-আসগর। ধীরে ধীরে জমাট বেঁধে যায় তাদের জুটি। ফলে স্বাগতিক শিবিরে চোখ রাঙাতে থাকেন তারা। এক পর্যায়ে শাসাতে থাকেন বাংলাদেশ বোলারদের। ছোটান স্ট্রোকের ফুলঝুরি। ব্যাটকে তলোয়ার বানিয়ে একের পর এক বাউন্ডারি-ওভার বাউন্ডারিতে তাদের কচুকাটা করেন দুজনে। পথিমধ্যে অভিষেক টেস্টে ফিফটি তুলে নেন ইব্রাহিম। ফলে দ্রুত ঘোরে আফগানদের রানের চাকা, বাড়তে থাকে লিড, চাপে পড়েন স্বাগতিকরা।

কোনো কিছুতেই বিচ্ছিন্ন করা যাচ্ছিল ইব্রাহিম-আসগরকে। অবশেষে ভয়ংকর এ জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। সাকিব আল হাসানের তালুবন্দি করে আসগরকে ফেরান তিনি। তাতে ভাঙে চতুর্থ উইকেটে তীব্র প্রতিরোধ গড়া ১০৮ রানের জুটি। ফেরার আগে ৪ চার ও ২ ছক্কায় কাঁটায় ৫০ রান করেন অভিজ্ঞ ব্যাটার। এটি তার ক্যারিয়ারের তৃতীয় ফিফটি।

আসগর ফিরলেও স্বস্তি ফেরেনি বাংলাদেশ শিবিরে। পরে আফসার জাজাইকে নিয়ে শক্ত জুটি গড়ে তোলেন ইব্রাহিম। তাতে খেলা থেকে আরো ব্যাকফুটে চলে যান টাইগাররা। ধীরে ধীরে সেঞ্চুরির পথে এগোতে থাকেন ইব্রাহিম। তার তিন অংকের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করা মনে হচ্ছিল সময়ের ব্যাপার। তবে হঠাৎই বিপথগামী হন তিনি। নাঈম হাসানের বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে মুমিনুল হককে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন অভিষিক্ত ওপেনার। ফেরার আগে খেলেন ৬ চার ও ৪ ছক্কায় ৮৭ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস। এতে দ্বিতীয় আফগান হিসেবে ক্রিকেটের দীর্ঘতম ফরম্যাটে সেঞ্চুরি করার স্বপ্নভঙ্গ হয়। পরক্ষণেই সাজঘরে ফেরেন মোহাম্মদ নবী।

সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে নেমেই ঝড় তোলেন রশিদ খান। নাঈমের এক ওভারে ৫ চার মেরে অভিনব কিছুর আভাস দেন তিনি। তবে তার টর্নেডো বেশিক্ষণ চলেনি। মুহূর্তেই তাকে সোজা বোল্ড করে দেন তাইজুল। ফেরার আগে ২২ বলে ৬ চারে ২৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন আফগান অধিনায়ক।

রশিদের পর ক্রিজে আসেন কায়েস আহমেদ। অবশ্য বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি। সাকিবের এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন এ লোয়ারঅর্ডার। তবে এর আগে গুরুত্বপূর্ণ ১৪ রান যোগ করেন তিনি।

শনিবার বন্দরনগরীর জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ৮ উইকেটে ১৯৪ রান নিয়ে তৃতীয় দিন খেলতে নামে বাংলাদেশ। মোসাদ্দেক হোসেন ৪৪ এবং তাইজুল ইসলাম ১৪ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করেন। তবে শুরুতেই ধাক্কা খান স্বাগতিকরা। ব্যক্তিগত স্কোরে কোনো রান যোগ করার আগেই ফেরেন তাইজুল। তাকে পরিষ্কার বোল্ড করেন মোহাম্মদ নবী।

সেই জের না কাটতেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন নাঈম হাসান। তাকে তুলে নেন রশিদ খান। এ নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো ৫ উইকেট শিকার করেন আফগান অধিনায়ক। শেষ পর্যন্ত ২০৫ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ৪৭ রানে অপরাজিত থাকেন মোসাদ্দেক। আফগানদের হয়ে ৫ উইকেট নেন রশিদ। ৩ উইকেট দখলে নেন নবী।