ঢাকা ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মূল্যবোধভিত্তিক পেশাদারিত্বই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের স্তম্ভ: আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

দুপুরে আত্মসমর্পণ রাতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২১০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
নিজেই থানায় গিয়ে গতকাল দুপুরে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন ১৩ মামলার আসামি মোহাম্মদ বেলাল (৪৩)। রাতে অস্ত্র উদ্ধারে গিয়ে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন তিনি।

পুলিশের দাবি, অস্ত্র উদ্ধারে নিয়ে যাওয়া বেলালকে ছিনিয়ে নিতে চেষ্টা করেছিল তার সহযোগীরা। বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে নগরের খুলশী থানার জালালাবাদ পাহাড়ে এই ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে।

নিহত মোহাম্মদ বেলাল (৪৩) নগরীর আমবাগানে রেলওয়ে লোকোশেড কলোনির আব্দুল কাদেরের ছেলে। তাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার মোহনপুর গ্রামে।

বেলালের বিরুদ্ধে জমি দখল, চাঁদাবাজি, খুনসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোট ১৩টি মামলা রয়েছে। স্থানীয়ভাবে তিনি আওয়ামী লীগ সমর্থিত পাহাড়তলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন হিরণের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রনব চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান জানিয়ে বুধবার দুপুর ১টার দিকে বেলাল নিজেই থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত ১টার দিকে পুলিশ বেলালকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে নিয়ে যায় জালালাবাদ পাহাড়ে। এ সময় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা বেলালের সহযোগীরা তাকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশের ওপর হামলা করে। তখন উভয়পক্ষে গোলাগুলি হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ বেলালকে উদ্ধার করা হয়। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরও বলেন, বেলাল পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে জমি দখল, চাঁদাবাজি, খুনসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোট ১৩টি মামলা রয়েছে। ১১টি মামলায় জামিনে ছিলেন তিনি, দুটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি ও তিন রাউন্ড কার্তুজ এবং চারটি রামদা উদ্ধার করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

দুপুরে আত্মসমর্পণ রাতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

আপডেট সময় : ০৯:৩৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক:
নিজেই থানায় গিয়ে গতকাল দুপুরে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন ১৩ মামলার আসামি মোহাম্মদ বেলাল (৪৩)। রাতে অস্ত্র উদ্ধারে গিয়ে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন তিনি।

পুলিশের দাবি, অস্ত্র উদ্ধারে নিয়ে যাওয়া বেলালকে ছিনিয়ে নিতে চেষ্টা করেছিল তার সহযোগীরা। বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে নগরের খুলশী থানার জালালাবাদ পাহাড়ে এই ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে।

নিহত মোহাম্মদ বেলাল (৪৩) নগরীর আমবাগানে রেলওয়ে লোকোশেড কলোনির আব্দুল কাদেরের ছেলে। তাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার মোহনপুর গ্রামে।

বেলালের বিরুদ্ধে জমি দখল, চাঁদাবাজি, খুনসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোট ১৩টি মামলা রয়েছে। স্থানীয়ভাবে তিনি আওয়ামী লীগ সমর্থিত পাহাড়তলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন হিরণের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রনব চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান জানিয়ে বুধবার দুপুর ১টার দিকে বেলাল নিজেই থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত ১টার দিকে পুলিশ বেলালকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে নিয়ে যায় জালালাবাদ পাহাড়ে। এ সময় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা বেলালের সহযোগীরা তাকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশের ওপর হামলা করে। তখন উভয়পক্ষে গোলাগুলি হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ বেলালকে উদ্ধার করা হয়। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরও বলেন, বেলাল পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে জমি দখল, চাঁদাবাজি, খুনসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোট ১৩টি মামলা রয়েছে। ১১টি মামলায় জামিনে ছিলেন তিনি, দুটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি ও তিন রাউন্ড কার্তুজ এবং চারটি রামদা উদ্ধার করা হয়েছে।