ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গণপূর্ত প্রধান প্রকৌশলীর গাড়ি চাপায় পিষ্ট সহকারী প্রকৌশলী -উত্তাল গণপূর্ত Logo শাবিপ্রবির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ Logo সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাহিনুরের সীমাহীন সম্পদ ও অনিয়ম -পর্ব-০১ Logo তামাক সেবনের আলাদা কক্ষ বানালেন গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী: রয়েছে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ! Logo দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: কালবে সর্বোচ্চ পদ দখলে রেখেছে আগস্টিন! Logo আইআইএফসি ও মার্কটেল বাংলাদেশ’র মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তর পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী Logo সর্বজনীন পেনশন প্রত্যাহারে শাবি শিক্ষক সমিতি মৌন মিছিল ও কালোব্যাজ ধারণ Logo শাবিপ্রবিতে কুমিল্লা স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo শাবিপ্রবি কেন্দ্রে সুষ্ঠভাবে গুচ্ছভর্তির তিন ইউনিটের পরীক্ষা সম্পন্ন




প্রেমিকাকে পেতে স্ত্রীর গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা! 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০১৯ ৭০ বার পড়া হয়েছে

রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি;

নরসিংদীর রায়পুরায় গতকাল বুধবার মরিয়ম আক্তার (১৯) নামে এক গৃহবধূকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাস রোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। নিহত মরিয়ম আক্তার উপজেলার চরআড়ালিয়া গ্রামের মো. শাহ আলমের মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামীর নাম মো. রাসেল মিয়া। সে একই গ্রামের নয়ন মিয়ার ছেলে।

হত্যার পর অভিযুক্ত রাসেল তার স্ত্রীর লাশ হাত-পা বাঁধা অবস্থায় গ্রামের পাশে মেঘনা নদীতে ফেলে দেয়।তার গতিবিধি প্রতিবেশীদের সন্দেহ হলে তারা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘাতক স্বামীকে আটক করে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নদী থেকে লাশ উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতার মর্গে প্রেরণ করে।

বুধবার বিকালে (৩ জুলাই) রায়পুরা উপজেলার চরআড়ালিয়া ইউনিয়নের চরআড়ালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আটক অভিযুক্ত রাসেল পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার স্ত্রীকে শ্বাস রোধ করে হত্যার কথা স্বীকার করে। এ ঘটনায় নিহত মরিয়মের বাবা মো. শাহ আলম বাদী হয়ে বুধবার রাতেই রায়পুরা থানায় অভিযুক্ত রাসেলকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য, গত তিন মাস আগে পারিবারিকভাবে চরআড়ালিয়া গ্রামের নয়ন মিয়ার ছেলে রাসেলের সাথে একই গ্রামের শাহ আলমের মেয়ে মরিয়মের বিয়ে হয়। বিয়ের আগে থেকেই একই গ্রামের অন্য একটি মেয়ের সাথে রাসেলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল আরো জানায় সে তার প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে তার প্রেমিকা তাকে সাফ জানিয়ে দেয়- বিয়ে করতে হলে স্ত্রীকে হয় ডিভোর্স না হয় হত্যা করতে হবে। এরই জের ধরে স্ত্রীকে গলায় গামছা দিয়ে পেঁচিয়ে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেয়।

পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ উপজেলার চরআড়ালিয়ার মেঘনা নদী থেকে মরিয়মের লাশ উদ্ধার করে।

রায়পুরা থানার পুলিশ পরির্দশক মো. মোজাফ্ফর হোসেন জানায়, এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে থানা মামলা দায়ের করেছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাবাদে সে হত্যার কথা স্বীকার করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




প্রেমিকাকে পেতে স্ত্রীর গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা! 

আপডেট সময় : ০৪:০২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০১৯

রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি;

নরসিংদীর রায়পুরায় গতকাল বুধবার মরিয়ম আক্তার (১৯) নামে এক গৃহবধূকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাস রোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। নিহত মরিয়ম আক্তার উপজেলার চরআড়ালিয়া গ্রামের মো. শাহ আলমের মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামীর নাম মো. রাসেল মিয়া। সে একই গ্রামের নয়ন মিয়ার ছেলে।

হত্যার পর অভিযুক্ত রাসেল তার স্ত্রীর লাশ হাত-পা বাঁধা অবস্থায় গ্রামের পাশে মেঘনা নদীতে ফেলে দেয়।তার গতিবিধি প্রতিবেশীদের সন্দেহ হলে তারা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘাতক স্বামীকে আটক করে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নদী থেকে লাশ উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতার মর্গে প্রেরণ করে।

বুধবার বিকালে (৩ জুলাই) রায়পুরা উপজেলার চরআড়ালিয়া ইউনিয়নের চরআড়ালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আটক অভিযুক্ত রাসেল পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার স্ত্রীকে শ্বাস রোধ করে হত্যার কথা স্বীকার করে। এ ঘটনায় নিহত মরিয়মের বাবা মো. শাহ আলম বাদী হয়ে বুধবার রাতেই রায়পুরা থানায় অভিযুক্ত রাসেলকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য, গত তিন মাস আগে পারিবারিকভাবে চরআড়ালিয়া গ্রামের নয়ন মিয়ার ছেলে রাসেলের সাথে একই গ্রামের শাহ আলমের মেয়ে মরিয়মের বিয়ে হয়। বিয়ের আগে থেকেই একই গ্রামের অন্য একটি মেয়ের সাথে রাসেলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল আরো জানায় সে তার প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে তার প্রেমিকা তাকে সাফ জানিয়ে দেয়- বিয়ে করতে হলে স্ত্রীকে হয় ডিভোর্স না হয় হত্যা করতে হবে। এরই জের ধরে স্ত্রীকে গলায় গামছা দিয়ে পেঁচিয়ে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেয়।

পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ উপজেলার চরআড়ালিয়ার মেঘনা নদী থেকে মরিয়মের লাশ উদ্ধার করে।

রায়পুরা থানার পুলিশ পরির্দশক মো. মোজাফ্ফর হোসেন জানায়, এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে থানা মামলা দায়ের করেছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাবাদে সে হত্যার কথা স্বীকার করেছে।