ঢাকা ০৬:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মূল্যবোধভিত্তিক পেশাদারিত্বই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের স্তম্ভ: আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

ইউপি চেয়ারম্যানকে এসআইয়ের থাপ্পর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪২:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০১৯ ১৯৫ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি;

কিশোরগঞ্জের ইটনায় প্রতিবন্ধী মাছ ব্যবসায়ীর সঙ্গে অসদাচরণ করাকে কেন্দ্র করে তুলকালাম কাণ্ড ঘটেছে। এ ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে থানার এক পুলিশ কর্মকর্তার হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

মাছ ব্যবসায়ীকে বকাঝকার প্রতিবাদ করায় ইটনা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. রুকনের বিরুদ্ধে সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম সোহাগকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় উপস্থিত মাছ ব্যবসায়ীরা উত্তেজিত হয়ে ওই উপ-পরিদর্শককেও মারধর করে বলে জানা গেছে। বুধবার বিকেলে ইটনা উপজেলা সদরের মাছ বাজারে এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার জের ধরে পুলিশ সদস্যরা ইউপি চেয়ারম্যানের বাসায় গিয়ে জিনিসপত্র তছনছ ও ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান। তবে চেয়ারম্যানকে মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ।

চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম সোহাগ জানান, বিকেলে তিনি বাজারে মাছ কিনতে গিয়ে দেখেন ইটনা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. রুকন মাছ কিনতে গিয়ে স্থানীয় প্রতিবন্ধী মাছ ব্যবসায়ী তনু মিয়াকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমি পুলিশের এ কর্মকর্তার আচরণের প্রতিবাদ করি। কিন্তু তিনি উত্তেজিত হয়ে হঠাৎ সবার সামনে আমাকে থাপ্পড় মারেন। নিজেকে সামাল দিতে না পেরে আমিও তাকে থাপ্পড় মারি। পরে ব্যবসায়ীরা ওই পুলিশকে মারধর করে।’

তিনি বলেন, কিছুক্ষণ পর উপ-পরিদর্শক রুকনের নেতৃত্বে ১০-১২ জন পুলিশ আমার নয়াহাটির বাসা ভাঙচুর করাসহ ঘরের জিনিসপত্র তছনছ করে। তখন আমি উপজেলা পরিষদের দিকে ছিলাম।

এ বিষয়ে উপ-পরিদর্শক মো. রুকনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ইটনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, এ ঘটনাটি বিভিন্ন মাধ্যমে আমি শুনেছি। কিন্তু কেউ আমার কাছে এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ নিয়ে আসেনি।

ইটনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মুর্শেদ জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যানের সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তা রুকনের তর্কাতর্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় চেয়ারম্যান ও তার লোকজন রুকনকে মারধর করে। তবে চেয়ারম্যানের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ সঠিক নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ইউপি চেয়ারম্যানকে এসআইয়ের থাপ্পর

আপডেট সময় : ১১:৪২:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০১৯

জেলা প্রতিনিধি;

কিশোরগঞ্জের ইটনায় প্রতিবন্ধী মাছ ব্যবসায়ীর সঙ্গে অসদাচরণ করাকে কেন্দ্র করে তুলকালাম কাণ্ড ঘটেছে। এ ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে থানার এক পুলিশ কর্মকর্তার হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

মাছ ব্যবসায়ীকে বকাঝকার প্রতিবাদ করায় ইটনা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. রুকনের বিরুদ্ধে সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম সোহাগকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় উপস্থিত মাছ ব্যবসায়ীরা উত্তেজিত হয়ে ওই উপ-পরিদর্শককেও মারধর করে বলে জানা গেছে। বুধবার বিকেলে ইটনা উপজেলা সদরের মাছ বাজারে এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার জের ধরে পুলিশ সদস্যরা ইউপি চেয়ারম্যানের বাসায় গিয়ে জিনিসপত্র তছনছ ও ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান। তবে চেয়ারম্যানকে মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ।

চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম সোহাগ জানান, বিকেলে তিনি বাজারে মাছ কিনতে গিয়ে দেখেন ইটনা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. রুকন মাছ কিনতে গিয়ে স্থানীয় প্রতিবন্ধী মাছ ব্যবসায়ী তনু মিয়াকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমি পুলিশের এ কর্মকর্তার আচরণের প্রতিবাদ করি। কিন্তু তিনি উত্তেজিত হয়ে হঠাৎ সবার সামনে আমাকে থাপ্পড় মারেন। নিজেকে সামাল দিতে না পেরে আমিও তাকে থাপ্পড় মারি। পরে ব্যবসায়ীরা ওই পুলিশকে মারধর করে।’

তিনি বলেন, কিছুক্ষণ পর উপ-পরিদর্শক রুকনের নেতৃত্বে ১০-১২ জন পুলিশ আমার নয়াহাটির বাসা ভাঙচুর করাসহ ঘরের জিনিসপত্র তছনছ করে। তখন আমি উপজেলা পরিষদের দিকে ছিলাম।

এ বিষয়ে উপ-পরিদর্শক মো. রুকনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ইটনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, এ ঘটনাটি বিভিন্ন মাধ্যমে আমি শুনেছি। কিন্তু কেউ আমার কাছে এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ নিয়ে আসেনি।

ইটনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মুর্শেদ জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যানের সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তা রুকনের তর্কাতর্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় চেয়ারম্যান ও তার লোকজন রুকনকে মারধর করে। তবে চেয়ারম্যানের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ সঠিক নয়।