ঢাকা ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

র‌্যাবের হাতে ভুয়া র‌্যাব

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪২:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০১৯ ২৮৭ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি |

পটুয়াখালীতে দুই ভুয়া র‌্যাবকে আটক করেছে পটুয়াখালী র‌্যাব-৮ এর সদস্যরা। এসময় তাদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি টাকা মোবাইল সেট এবং একাধিক সংগঠনের পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়। আটকরা হলেন- জিললুর রহমান জুয়েল ও জাকির হোসেন।

বুধবার সন্ধ্যায় গলাচিপা উপজেলা শহরের একটি মাছের আড়ৎ থেকে তাদের আটক করা হয়। তাদের বাড়ি গলাচিপা উপজেলা চিকনিকান্দি ইউনিয়নে।

পটুয়াখালী র‌্যাব-৮ এর কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র এএসপি সোয়েব আহমেদ খান রাত সাড়ে ১০টায় সংবাদ সম্মেলনে জানান, আটক জিললুর রহমান ও জাকির হোসেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ অফিসার র‌্যাব পরিচয়ে পটুয়াখালীর প্রত্যন্ত অঞ্চলে চাঁদাবাজি করে আসছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার জিললুর রহমান ও জাকির র‌্যাব পরিচয়ে গলাচিপা উপজেলার মৎস্য ব্যবসায়ী চান মিয়া, হেলাল ও মজিবুল গাজীর কাছে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করে।

ওই দিন তাদের ১০ হাজার টাকা দিয়ে বিদায় করলে পুনরায় বুধবার তাদের কাছে টাকা আনতে যায় জিললুর ও জাকির।

এসময় ভুক্তভোগীরা পটুয়াখালী র‌্যাব-৮কে অবহিত করে তাদের টাকা দেয়ার আশায় বসিয়ে রাখেন। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পটুয়াখালী র‌্যাবের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করেন।

এ সময় তারা পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের আটক করা হয়।

পটুয়াখালী র‌্যাব-৮ এর কোম্পানি কমান্ডার সোয়েব আহমেদ খান আরও জানান, আটকদের সঙ্গে বিশাল একটি প্রতারক চক্র জড়িত রয়েছে।

এই চক্রটি দীর্ঘদিন থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে কখনো র‌্যাব, কখনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কখনো পুলিশের বড় অফিসার পরিচয়ে প্রতারণার মাধ্যমে চাঁদাবাজি করে আসছে।

এছাড়া তারা স্বনামধন্য পত্রিকা অথবা মিডিয়ার পরিচয় দিত। এ সময় জিললুর রহমানের কাছ থেকে একাধিক মিডিয়ার পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হলেও তার কোনো সত্যতা তারা নিশ্চিত করতে পারেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

র‌্যাবের হাতে ভুয়া র‌্যাব

আপডেট সময় : ১২:৪২:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০১৯

পটুয়াখালী প্রতিনিধি |

পটুয়াখালীতে দুই ভুয়া র‌্যাবকে আটক করেছে পটুয়াখালী র‌্যাব-৮ এর সদস্যরা। এসময় তাদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি টাকা মোবাইল সেট এবং একাধিক সংগঠনের পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়। আটকরা হলেন- জিললুর রহমান জুয়েল ও জাকির হোসেন।

বুধবার সন্ধ্যায় গলাচিপা উপজেলা শহরের একটি মাছের আড়ৎ থেকে তাদের আটক করা হয়। তাদের বাড়ি গলাচিপা উপজেলা চিকনিকান্দি ইউনিয়নে।

পটুয়াখালী র‌্যাব-৮ এর কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র এএসপি সোয়েব আহমেদ খান রাত সাড়ে ১০টায় সংবাদ সম্মেলনে জানান, আটক জিললুর রহমান ও জাকির হোসেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ অফিসার র‌্যাব পরিচয়ে পটুয়াখালীর প্রত্যন্ত অঞ্চলে চাঁদাবাজি করে আসছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার জিললুর রহমান ও জাকির র‌্যাব পরিচয়ে গলাচিপা উপজেলার মৎস্য ব্যবসায়ী চান মিয়া, হেলাল ও মজিবুল গাজীর কাছে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করে।

ওই দিন তাদের ১০ হাজার টাকা দিয়ে বিদায় করলে পুনরায় বুধবার তাদের কাছে টাকা আনতে যায় জিললুর ও জাকির।

এসময় ভুক্তভোগীরা পটুয়াখালী র‌্যাব-৮কে অবহিত করে তাদের টাকা দেয়ার আশায় বসিয়ে রাখেন। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পটুয়াখালী র‌্যাবের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করেন।

এ সময় তারা পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের আটক করা হয়।

পটুয়াখালী র‌্যাব-৮ এর কোম্পানি কমান্ডার সোয়েব আহমেদ খান আরও জানান, আটকদের সঙ্গে বিশাল একটি প্রতারক চক্র জড়িত রয়েছে।

এই চক্রটি দীর্ঘদিন থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে কখনো র‌্যাব, কখনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কখনো পুলিশের বড় অফিসার পরিচয়ে প্রতারণার মাধ্যমে চাঁদাবাজি করে আসছে।

এছাড়া তারা স্বনামধন্য পত্রিকা অথবা মিডিয়ার পরিচয় দিত। এ সময় জিললুর রহমানের কাছ থেকে একাধিক মিডিয়ার পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হলেও তার কোনো সত্যতা তারা নিশ্চিত করতে পারেনি।