ঢাকা ০৮:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা: সেই ৫ পুলিশ সাসপেন্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ এপ্রিল ২০১৯ ২৩৫ বার পড়া হয়েছে

ঈশ্বরগঞ্জ প্রতিনিধি;
ময়মনসিংহের গৌরীপুরের রামগোপালপুর বাজারে এক মোবাইল ফোন রিচার্জ ও যন্ত্রাংশ ব্যবসায়ীকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বহিষ্কার (সাসপেন্ড) করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অভিযুক্ত পাঁচ পুলিশ সদস্য হলেন- সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল আউয়াল, রুহুল আমিন, আনোয়ার হোসেন, কামরুল ইসলাম ও কনস্টেবল আল আমিন। তারা গৌরীপুর থানায় কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন জানান, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এর আগে সোমবার তাদের জেলা পুলিশ লাইন্সে প্রত্যাহার করা হয়েছিল। অভিযোগের বিষয়ে তাদের কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে। জবাব সন্তোষজনক না হলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্তরা পুলিশ বিভাগের সুনাম ক্ষুণ্ণ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গত রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে গৌরীপুরের রামগোপালপুর বাজারে মোবাইল রিচার্জ ব্যবসায়ী খোকন মিয়ার দোকানে মোবাইল রিচার্জ করতে যান সাদা পোশাকে পাঁচ পুলিশ সদস্য। এ সময় কৌশলে দোকানে ইয়াবা রেখে ব্যবসায়ী খোকন মিয়াকে আটকের চেষ্টা করেন তারা। পরে স্থানীয়রা বাধা দিলে পুলিশ খোকনকে মারধর করে। বাজারের ব্যবসায়ীরা বিষয়টি চ্যালঞ্জ করে দোকানের সিসি ক্যামেরা দেখতে বলেন। সিসি ক্যামেরায় বিষয়টি ধরা পড়ার ভয়ে পুলিশ সদস্যরা ক্যামেরার তার ছিঁড়ে ফেলে এবং মেমোরি কার্ড নিয়ে একজন পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের স্থানীয় শ্রমিক লীগ অফিসে আটকে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিচারের আশ্বাস দিলে তাদের ছেড়ে দেয় এলাকাবাসী।

ঘটনাটি তদন্ত করে একদিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেন অতিরিক্তি পুলিশ সুপার (গৌরীপুর সার্কেল) সাখের হোসেন সিদ্দিকী। তদন্তে পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় মঙ্গলবারই তাদের সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। এ বিষয়ে সাখের হোসেন সিদ্দিকী বলেন, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা: সেই ৫ পুলিশ সাসপেন্ড

আপডেট সময় : ১১:৪০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ এপ্রিল ২০১৯

ঈশ্বরগঞ্জ প্রতিনিধি;
ময়মনসিংহের গৌরীপুরের রামগোপালপুর বাজারে এক মোবাইল ফোন রিচার্জ ও যন্ত্রাংশ ব্যবসায়ীকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বহিষ্কার (সাসপেন্ড) করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অভিযুক্ত পাঁচ পুলিশ সদস্য হলেন- সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল আউয়াল, রুহুল আমিন, আনোয়ার হোসেন, কামরুল ইসলাম ও কনস্টেবল আল আমিন। তারা গৌরীপুর থানায় কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন জানান, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এর আগে সোমবার তাদের জেলা পুলিশ লাইন্সে প্রত্যাহার করা হয়েছিল। অভিযোগের বিষয়ে তাদের কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে। জবাব সন্তোষজনক না হলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্তরা পুলিশ বিভাগের সুনাম ক্ষুণ্ণ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গত রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে গৌরীপুরের রামগোপালপুর বাজারে মোবাইল রিচার্জ ব্যবসায়ী খোকন মিয়ার দোকানে মোবাইল রিচার্জ করতে যান সাদা পোশাকে পাঁচ পুলিশ সদস্য। এ সময় কৌশলে দোকানে ইয়াবা রেখে ব্যবসায়ী খোকন মিয়াকে আটকের চেষ্টা করেন তারা। পরে স্থানীয়রা বাধা দিলে পুলিশ খোকনকে মারধর করে। বাজারের ব্যবসায়ীরা বিষয়টি চ্যালঞ্জ করে দোকানের সিসি ক্যামেরা দেখতে বলেন। সিসি ক্যামেরায় বিষয়টি ধরা পড়ার ভয়ে পুলিশ সদস্যরা ক্যামেরার তার ছিঁড়ে ফেলে এবং মেমোরি কার্ড নিয়ে একজন পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের স্থানীয় শ্রমিক লীগ অফিসে আটকে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিচারের আশ্বাস দিলে তাদের ছেড়ে দেয় এলাকাবাসী।

ঘটনাটি তদন্ত করে একদিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেন অতিরিক্তি পুলিশ সুপার (গৌরীপুর সার্কেল) সাখের হোসেন সিদ্দিকী। তদন্তে পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় মঙ্গলবারই তাদের সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। এ বিষয়ে সাখের হোসেন সিদ্দিকী বলেন, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হচ্ছে।