ঢাকা ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’ Logo রিকশাচালক থেকে মুচি, ১ নভেম্বর থেকে সবাই বাংলা কিউআর ব্যবহার করতে পারবেন Logo প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত ও গ্রেপ্তার করতে হবে: আখতার হোসেন Logo ৩৪৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ Logo ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০ Logo মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: তারেক রহমান Logo মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo যাত্রাবাড়ীতে বাসে তল্লাশি, ৯ হাজার ই’য়া’বা’স’হ গ্রে’প্তা’র ২ Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল 

বিএনপির ভেতরে কী হচ্ছে 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৯:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২০ ৩৩৮ বার পড়া হয়েছে

কমিটি ও সাংগঠনিক শক্তি-পুনর্গঠন এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সফল হতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রাজপথে শীর্ষ নেতাদের এককাতারে অবস্থান। এমনটা মনে করেন দলটির তৃণমূল নেতারা। যদিও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা দলে সংকটের কথা স্বীকার করলেও তৃণমূলের এই বক্তব্যর সঙ্গে একমত নন।

হঠাৎ করেই হেফাজত ইসলামের মহাসচিব আল্লামা নুর হোসেন কাসেমীর জানাজার দিনে, ১৪ ডিসেম্বর সকাল ১০ টার দিকে সরকার পতনের রাজপথে অবস্থানের ডাক দেন বিএনপির একজন ভাইস চেয়ারম্যান।

ওই দিনের আগে ও পরে ৩ দিনে প্রেসক্লাব এবং ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে সরকার পতনের বেশ কড়া কড়া বক্তব্য দেন বিএনপি এবং দলটির শুভাকাঙ্খি এমন নেতারা।

১৪ই ডিসেম্বর বিকেলে সরকার পতনের ডাক দেওয়া দলের ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ এবং আরেক ভাইস চেয়ারম্যান মেজর হাফিজকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গে অভিযোগ শো কজ করে বিএনপি। সরকার পতনের আন্দোলনের ডাক আর সরকার বিরোধী বক্তব্য দেয়া- বিএনপি নেতাদের জন্য দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণ হয় কি ?

এ নিয়ে বেশ বিভ্রান্তিতে পড়েন তৃণমূলের নেতারা। যদিও শওকত মাহমুদের ওই আন্দোলন নিয়ে কোনো মন্তব্যও করতে চান না তারা। তবে তৃণমূলের নেতারা মনে করেন, শীর্ষ নেতাদের ভেদাভেদ ভুলে রাজপথে নামা উচিত।

আর শীর্ষ নেতারা বলছেন, পথে নামার তাড়াহুড়া নেই। সঠিক সময় ও কৌশলের জন্যই অপেক্ষা করছে বিএনপির হাইকমান্ড।

কমিটি পুনর্গঠন করে সাংগঠনিক শক্তি জোরালোর মাধ্যমে আগামীর আন্দোলনে সাফল্য দেখছেন বিএনপির অন্যতম শীর্ষ নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

বিএনপির ভেতরে কী হচ্ছে 

আপডেট সময় : ০৯:৫৯:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২০

কমিটি ও সাংগঠনিক শক্তি-পুনর্গঠন এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সফল হতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রাজপথে শীর্ষ নেতাদের এককাতারে অবস্থান। এমনটা মনে করেন দলটির তৃণমূল নেতারা। যদিও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা দলে সংকটের কথা স্বীকার করলেও তৃণমূলের এই বক্তব্যর সঙ্গে একমত নন।

হঠাৎ করেই হেফাজত ইসলামের মহাসচিব আল্লামা নুর হোসেন কাসেমীর জানাজার দিনে, ১৪ ডিসেম্বর সকাল ১০ টার দিকে সরকার পতনের রাজপথে অবস্থানের ডাক দেন বিএনপির একজন ভাইস চেয়ারম্যান।

ওই দিনের আগে ও পরে ৩ দিনে প্রেসক্লাব এবং ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে সরকার পতনের বেশ কড়া কড়া বক্তব্য দেন বিএনপি এবং দলটির শুভাকাঙ্খি এমন নেতারা।

১৪ই ডিসেম্বর বিকেলে সরকার পতনের ডাক দেওয়া দলের ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ এবং আরেক ভাইস চেয়ারম্যান মেজর হাফিজকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গে অভিযোগ শো কজ করে বিএনপি। সরকার পতনের আন্দোলনের ডাক আর সরকার বিরোধী বক্তব্য দেয়া- বিএনপি নেতাদের জন্য দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণ হয় কি ?

এ নিয়ে বেশ বিভ্রান্তিতে পড়েন তৃণমূলের নেতারা। যদিও শওকত মাহমুদের ওই আন্দোলন নিয়ে কোনো মন্তব্যও করতে চান না তারা। তবে তৃণমূলের নেতারা মনে করেন, শীর্ষ নেতাদের ভেদাভেদ ভুলে রাজপথে নামা উচিত।

আর শীর্ষ নেতারা বলছেন, পথে নামার তাড়াহুড়া নেই। সঠিক সময় ও কৌশলের জন্যই অপেক্ষা করছে বিএনপির হাইকমান্ড।

কমিটি পুনর্গঠন করে সাংগঠনিক শক্তি জোরালোর মাধ্যমে আগামীর আন্দোলনে সাফল্য দেখছেন বিএনপির অন্যতম শীর্ষ নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।