ঢাকা ০২:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির ভেতরে কী হচ্ছে 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৯:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২০ ৩২৪ বার পড়া হয়েছে

কমিটি ও সাংগঠনিক শক্তি-পুনর্গঠন এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সফল হতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রাজপথে শীর্ষ নেতাদের এককাতারে অবস্থান। এমনটা মনে করেন দলটির তৃণমূল নেতারা। যদিও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা দলে সংকটের কথা স্বীকার করলেও তৃণমূলের এই বক্তব্যর সঙ্গে একমত নন।

হঠাৎ করেই হেফাজত ইসলামের মহাসচিব আল্লামা নুর হোসেন কাসেমীর জানাজার দিনে, ১৪ ডিসেম্বর সকাল ১০ টার দিকে সরকার পতনের রাজপথে অবস্থানের ডাক দেন বিএনপির একজন ভাইস চেয়ারম্যান।

ওই দিনের আগে ও পরে ৩ দিনে প্রেসক্লাব এবং ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে সরকার পতনের বেশ কড়া কড়া বক্তব্য দেন বিএনপি এবং দলটির শুভাকাঙ্খি এমন নেতারা।

১৪ই ডিসেম্বর বিকেলে সরকার পতনের ডাক দেওয়া দলের ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ এবং আরেক ভাইস চেয়ারম্যান মেজর হাফিজকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গে অভিযোগ শো কজ করে বিএনপি। সরকার পতনের আন্দোলনের ডাক আর সরকার বিরোধী বক্তব্য দেয়া- বিএনপি নেতাদের জন্য দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণ হয় কি ?

এ নিয়ে বেশ বিভ্রান্তিতে পড়েন তৃণমূলের নেতারা। যদিও শওকত মাহমুদের ওই আন্দোলন নিয়ে কোনো মন্তব্যও করতে চান না তারা। তবে তৃণমূলের নেতারা মনে করেন, শীর্ষ নেতাদের ভেদাভেদ ভুলে রাজপথে নামা উচিত।

আর শীর্ষ নেতারা বলছেন, পথে নামার তাড়াহুড়া নেই। সঠিক সময় ও কৌশলের জন্যই অপেক্ষা করছে বিএনপির হাইকমান্ড।

কমিটি পুনর্গঠন করে সাংগঠনিক শক্তি জোরালোর মাধ্যমে আগামীর আন্দোলনে সাফল্য দেখছেন বিএনপির অন্যতম শীর্ষ নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

বিএনপির ভেতরে কী হচ্ছে 

আপডেট সময় : ০৯:৫৯:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২০

কমিটি ও সাংগঠনিক শক্তি-পুনর্গঠন এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সফল হতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রাজপথে শীর্ষ নেতাদের এককাতারে অবস্থান। এমনটা মনে করেন দলটির তৃণমূল নেতারা। যদিও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা দলে সংকটের কথা স্বীকার করলেও তৃণমূলের এই বক্তব্যর সঙ্গে একমত নন।

হঠাৎ করেই হেফাজত ইসলামের মহাসচিব আল্লামা নুর হোসেন কাসেমীর জানাজার দিনে, ১৪ ডিসেম্বর সকাল ১০ টার দিকে সরকার পতনের রাজপথে অবস্থানের ডাক দেন বিএনপির একজন ভাইস চেয়ারম্যান।

ওই দিনের আগে ও পরে ৩ দিনে প্রেসক্লাব এবং ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে সরকার পতনের বেশ কড়া কড়া বক্তব্য দেন বিএনপি এবং দলটির শুভাকাঙ্খি এমন নেতারা।

১৪ই ডিসেম্বর বিকেলে সরকার পতনের ডাক দেওয়া দলের ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ এবং আরেক ভাইস চেয়ারম্যান মেজর হাফিজকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গে অভিযোগ শো কজ করে বিএনপি। সরকার পতনের আন্দোলনের ডাক আর সরকার বিরোধী বক্তব্য দেয়া- বিএনপি নেতাদের জন্য দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণ হয় কি ?

এ নিয়ে বেশ বিভ্রান্তিতে পড়েন তৃণমূলের নেতারা। যদিও শওকত মাহমুদের ওই আন্দোলন নিয়ে কোনো মন্তব্যও করতে চান না তারা। তবে তৃণমূলের নেতারা মনে করেন, শীর্ষ নেতাদের ভেদাভেদ ভুলে রাজপথে নামা উচিত।

আর শীর্ষ নেতারা বলছেন, পথে নামার তাড়াহুড়া নেই। সঠিক সময় ও কৌশলের জন্যই অপেক্ষা করছে বিএনপির হাইকমান্ড।

কমিটি পুনর্গঠন করে সাংগঠনিক শক্তি জোরালোর মাধ্যমে আগামীর আন্দোলনে সাফল্য দেখছেন বিএনপির অন্যতম শীর্ষ নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।