ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাজ্যে করোনায় মৃত্যু ঝুঁকিতে বাংলাদেশি, পাকিস্তানি ও ভারতীয়রা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৫:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২০ ২৩১ বার পড়া হয়েছে

সকালের সংবাদ;

যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসে শেতাঙ্গদের তুলনায় বাংলাদেশিসহ এশিয়ান ও কৃষ্ণাঙ্গদের মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক বেশি। শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ সংখ্যায় মৃত্যু হতে পারে দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভুতদের। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ পরিসংখ্যান কার্যালয় এক প্রতিবেদনে এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছে।

যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে। আক্রান্ত দুই লাখেরও বেশি। গণমাধ্যম বলছে, এ পর্যন্ত দেশটিতে ১২২ অভিবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।

যুক্তরাজ্যে পরিসংখ্যানগতভাবে শেতাঙ্গদের তুলনায় বাংলাদেশি, পাকিস্তানি, ভারতীয় ও মিশ্র জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে কোভিড-নাইন্টিন এ মৃত্যুর ঝুকি বেশি। আর্থ-সামাজিক উপাদানকে মডেল হিসেবে ব্যবহার করে এটা বের করা হয়েছে।

ব্রিটিশ পরিসখ্যান দপ্তর জানিয়েছে, করোনায় শেতাঙ্গদের চেয়ে ৪ দশমিক ২ গুণ কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ মারা যেতে পারে। নারীদের বেলায় এই সম্ভাবনা ৪ দশমিক ৩ গুণ বেশি। সমন্বিত মডেলে বলা হয়েছে, শেতাঙ্গদের তুলনায় কৃষ্ণাঙ্গ নারী ও পুরুষের মধ্যে করোনায় মৃত্যুর ঝুঁকি ১ দশমিক ৯ গুণ বেশি। মডেল অনুযায়ী বাংলাদেশি ও পাকিস্তানিদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি ১ দশমিক ৮ গুণ বেশি। ভারতীয়দের এ ঝুঁকি এক দশমিক চার এবং চীনাদের ক্ষেত্রে এ ঝুকি শূন্য দশমিক আট গুন বেশি।

এর আগেও কয়েকটি গবেষণায় যুক্তরাজ্যে শ্বেতাঙ্গদের চেয়ে কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে করোনাভাইরাসে মৃত্যুহার বেশি দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণায়ও দেখা গেছে, আফ্রিকান আমেরিকানরাই করোনা মৃত্যুর বেশি ঝুকিতে আছে।

করোনাভাইরাস নিয়ে তেমন সচেতন বা সতর্ক না থাকা এবং আর্থ-সামাজিক সুবিধা বঞ্চিত হওয়াসহ আরো নানা কারণ এর পেছনে কাজ করছে বলেই মনে করছেন গবেষকরা। পাশাপাশি কৃষ্ণাঙ্গ-শ্বেতাঙ্গর মধ্যে স্বাস্থ্যখাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে অসমতা বিরাজ করছে তাতেই পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে যাচ্ছে বলে মনে করছেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

যুক্তরাজ্যে করোনায় মৃত্যু ঝুঁকিতে বাংলাদেশি, পাকিস্তানি ও ভারতীয়রা

আপডেট সময় : ০২:৫৫:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২০

সকালের সংবাদ;

যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসে শেতাঙ্গদের তুলনায় বাংলাদেশিসহ এশিয়ান ও কৃষ্ণাঙ্গদের মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক বেশি। শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ সংখ্যায় মৃত্যু হতে পারে দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভুতদের। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ পরিসংখ্যান কার্যালয় এক প্রতিবেদনে এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছে।

যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে। আক্রান্ত দুই লাখেরও বেশি। গণমাধ্যম বলছে, এ পর্যন্ত দেশটিতে ১২২ অভিবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।

যুক্তরাজ্যে পরিসংখ্যানগতভাবে শেতাঙ্গদের তুলনায় বাংলাদেশি, পাকিস্তানি, ভারতীয় ও মিশ্র জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে কোভিড-নাইন্টিন এ মৃত্যুর ঝুকি বেশি। আর্থ-সামাজিক উপাদানকে মডেল হিসেবে ব্যবহার করে এটা বের করা হয়েছে।

ব্রিটিশ পরিসখ্যান দপ্তর জানিয়েছে, করোনায় শেতাঙ্গদের চেয়ে ৪ দশমিক ২ গুণ কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ মারা যেতে পারে। নারীদের বেলায় এই সম্ভাবনা ৪ দশমিক ৩ গুণ বেশি। সমন্বিত মডেলে বলা হয়েছে, শেতাঙ্গদের তুলনায় কৃষ্ণাঙ্গ নারী ও পুরুষের মধ্যে করোনায় মৃত্যুর ঝুঁকি ১ দশমিক ৯ গুণ বেশি। মডেল অনুযায়ী বাংলাদেশি ও পাকিস্তানিদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি ১ দশমিক ৮ গুণ বেশি। ভারতীয়দের এ ঝুঁকি এক দশমিক চার এবং চীনাদের ক্ষেত্রে এ ঝুকি শূন্য দশমিক আট গুন বেশি।

এর আগেও কয়েকটি গবেষণায় যুক্তরাজ্যে শ্বেতাঙ্গদের চেয়ে কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে করোনাভাইরাসে মৃত্যুহার বেশি দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণায়ও দেখা গেছে, আফ্রিকান আমেরিকানরাই করোনা মৃত্যুর বেশি ঝুকিতে আছে।

করোনাভাইরাস নিয়ে তেমন সচেতন বা সতর্ক না থাকা এবং আর্থ-সামাজিক সুবিধা বঞ্চিত হওয়াসহ আরো নানা কারণ এর পেছনে কাজ করছে বলেই মনে করছেন গবেষকরা। পাশাপাশি কৃষ্ণাঙ্গ-শ্বেতাঙ্গর মধ্যে স্বাস্থ্যখাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে অসমতা বিরাজ করছে তাতেই পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে যাচ্ছে বলে মনে করছেন তারা।