ঢাকা ০১:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

লকডাউনে পাওয়া গেলো না অ্যাম্বুলেন্স, পথেই শিশুর মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০০:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২০ ২২১ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক; 
করোনা ভাইরাসে বিস্তার ঠেকাতে অন্যান্য দেশের মতো ভারতও লকডাউন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতে দেশটির বিহার রাজ্যে ঘটলো এক মর্মান্তিক ঘটনা। লকডাউন থাকায় অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে পথেই মারা গেলেন তিন বছরের এক শিশু।

জানা যায়, কয়েকদিন আগে ঠান্ডা লেগে অসুস্থ হয়ে পড়ে বিহারের এই তিন বছরের শিশুটি। তাকে স্থানীয় শাহোপরের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর ক্রমেই শিশুটির শারীরিক অবনতি হতে থাকে। সেখান থেকে শিশুটিকে বিহারের জেহানাবাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। লকডাউনে কোনও অ্যাম্বুল্যান্স না পাওয়ায় টেম্পো ভাড়া করে শিশুটিকে জেহানাবাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

শিশুটির বাবা জানান, জ্বর, সর্দি, কাশির ফলে ক্রমেই অসুস্থ হয়ে পড়ছিল আমার সন্তান। বারবার চিকিৎসকদের বলা সত্ত্বেও তারা ভ্রুক্ষেপই করছিলেন না। এরপর এই হাসপাতালের চিকিৎসকরা আমাদের পাটনা হাসপাতালে যেতে বলেন। কিন্তু আমার সন্তানের শারীরিক পরিস্থিতি দেখেও তারা একটি অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করে দেননি। আমার সন্তানের মৃত্যুর জন্য আমি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেই দায়ী করবো। এরপর গত শুক্রবার রাতে বিহারের জেহানাবাদে মৃত্যুর পর শিশুটিকে কয়েকজন স্থানীয়ের সহায়তায় গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা যায়।

এদিকে এ ঘটনায় ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে বিহারের জেহানাবাদ জেলার কর্মকর্তা নাভিন কুমার বলেন, আমরা সরকারি সদর হাসপাতালের ম্যানেজারকে বরখাস্ত করেছি এবং কিছু ডাক্তারকেও কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়েছি। কেন অ্যাম্বুলেন্স দেয়া হলো না সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখছি। .

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

লকডাউনে পাওয়া গেলো না অ্যাম্বুলেন্স, পথেই শিশুর মৃত্যু

আপডেট সময় : ১১:০০:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২০

অনলাইন ডেস্ক; 
করোনা ভাইরাসে বিস্তার ঠেকাতে অন্যান্য দেশের মতো ভারতও লকডাউন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতে দেশটির বিহার রাজ্যে ঘটলো এক মর্মান্তিক ঘটনা। লকডাউন থাকায় অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে পথেই মারা গেলেন তিন বছরের এক শিশু।

জানা যায়, কয়েকদিন আগে ঠান্ডা লেগে অসুস্থ হয়ে পড়ে বিহারের এই তিন বছরের শিশুটি। তাকে স্থানীয় শাহোপরের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর ক্রমেই শিশুটির শারীরিক অবনতি হতে থাকে। সেখান থেকে শিশুটিকে বিহারের জেহানাবাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। লকডাউনে কোনও অ্যাম্বুল্যান্স না পাওয়ায় টেম্পো ভাড়া করে শিশুটিকে জেহানাবাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

শিশুটির বাবা জানান, জ্বর, সর্দি, কাশির ফলে ক্রমেই অসুস্থ হয়ে পড়ছিল আমার সন্তান। বারবার চিকিৎসকদের বলা সত্ত্বেও তারা ভ্রুক্ষেপই করছিলেন না। এরপর এই হাসপাতালের চিকিৎসকরা আমাদের পাটনা হাসপাতালে যেতে বলেন। কিন্তু আমার সন্তানের শারীরিক পরিস্থিতি দেখেও তারা একটি অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করে দেননি। আমার সন্তানের মৃত্যুর জন্য আমি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেই দায়ী করবো। এরপর গত শুক্রবার রাতে বিহারের জেহানাবাদে মৃত্যুর পর শিশুটিকে কয়েকজন স্থানীয়ের সহায়তায় গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা যায়।

এদিকে এ ঘটনায় ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে বিহারের জেহানাবাদ জেলার কর্মকর্তা নাভিন কুমার বলেন, আমরা সরকারি সদর হাসপাতালের ম্যানেজারকে বরখাস্ত করেছি এবং কিছু ডাক্তারকেও কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়েছি। কেন অ্যাম্বুলেন্স দেয়া হলো না সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখছি। .