ঢাকা ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মূল্যবোধভিত্তিক পেশাদারিত্বই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের স্তম্ভ: আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

শরীয়তপুরের ভেদেরগঞ্জে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত সিদ্দিকুর ফারুক হাওলাদার রাজাকার তালিকার বাইরে!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৫:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ১৯২ বার পড়া হয়েছে

শরিয়তপুর প্রতিনিধিঃ  

দেশে শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও রায় কার্যকর হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ রয়েছে তাদেরকেও বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এখন এগিয়ে চলছে। দেশে যুদ্ধপরাধী, রাজাকার ও জঙ্গিরা এখনো সক্রিয় রয়েছে। তারা সুযোগ পেলে আবার বিষধর সাপের ন্যায় ফনা তুলে জাতিকে দংশন করবে। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ৭৫ এর ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যার পর থেকেই এদেশে যুদ্ধাপরাধীদের পৃষ্ঠপোষকতা করা হয়েছে। এমনকি এরশাদের স্বৈরশাসনের পর বিএনপি দুইধাপে ক্ষমতায় এসে চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রিত্ব দিয়ে গাড়িতে জাতীয় পতাকা উড়ানোর ব্যবস্থাও করেছিল। শরীয়তপুরের ভেদেরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার ডিএমখালি হাওলাদার কান্দি গ্রামের মৃত ইসমাইল হাওলাদার এর ছেলে সিদ্দিকুল ফারুক হাওলাদার এর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধীর অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার আব্দুল মান্নান রাড়ির সাথে কথা বললে তিনি জানান সিদ্দিকুর ফারুক হাওলাদার ১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি এলাকায় আলবদর বাহিনীর সক্রিয় সদস্য হিসাবে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করেন। সে সময়ে তিনি ছাত্রসংঘের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন, সে প্রকিত পক্ষে একজন যুদ্ধাপরাধী এবং তার বিরুদ্ধে সঠিক তদন্ত করে বিচারের আওতায় আনার দাবী জানান। সখিপুর থানার প্লাটুন কমান্ডার মাস্টার মোসলেম উদ্দিন জানান আমাদের দেশ স্বাধীনের পর আমরা মুক্তিযুদ্ধ বিরুধীদের যেই তালিকা করি সেই তালিকায় সিদ্দিকুর ফারুক হাওলাদার ছিলো আমরা তালিকা ভুক্ত যারা ছিলো তাদের মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত প্রহন করি সে সময় আমাদের এলাকায় প্রভাবশালী ব্যক্তি আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মৃত মাস্টার হাকীম হাওলাদার এর অনুরোধে তাকে সাময়িক ক্ষমা করা হয়েছিলো। খবর নিয়ে জানা যায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার পরে ১৯৭৫ এর পরে জিয়াউর রহমানের আমলে তাকে সেনাবাহিনীর কমিশনার পদে যোগদান করান। ১৯৮৫ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমলে সেনাবাহিনীর মের্জর থাকা কালে দোষ ও দূর্নীতির অভিযোগে চাকরি হতে বরখাস্ত করা হয় এবং ১৯৯১ সাল থেকে বর্তমানেও তিনি বিএনপি ও জামায়াতের রাজনীতির সাথে সক্রিয় রয়েছেন ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

শরীয়তপুরের ভেদেরগঞ্জে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত সিদ্দিকুর ফারুক হাওলাদার রাজাকার তালিকার বাইরে!

আপডেট সময় : ০১:০৫:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০

শরিয়তপুর প্রতিনিধিঃ  

দেশে শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও রায় কার্যকর হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ রয়েছে তাদেরকেও বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এখন এগিয়ে চলছে। দেশে যুদ্ধপরাধী, রাজাকার ও জঙ্গিরা এখনো সক্রিয় রয়েছে। তারা সুযোগ পেলে আবার বিষধর সাপের ন্যায় ফনা তুলে জাতিকে দংশন করবে। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ৭৫ এর ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যার পর থেকেই এদেশে যুদ্ধাপরাধীদের পৃষ্ঠপোষকতা করা হয়েছে। এমনকি এরশাদের স্বৈরশাসনের পর বিএনপি দুইধাপে ক্ষমতায় এসে চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রিত্ব দিয়ে গাড়িতে জাতীয় পতাকা উড়ানোর ব্যবস্থাও করেছিল। শরীয়তপুরের ভেদেরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার ডিএমখালি হাওলাদার কান্দি গ্রামের মৃত ইসমাইল হাওলাদার এর ছেলে সিদ্দিকুল ফারুক হাওলাদার এর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধীর অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার আব্দুল মান্নান রাড়ির সাথে কথা বললে তিনি জানান সিদ্দিকুর ফারুক হাওলাদার ১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি এলাকায় আলবদর বাহিনীর সক্রিয় সদস্য হিসাবে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করেন। সে সময়ে তিনি ছাত্রসংঘের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন, সে প্রকিত পক্ষে একজন যুদ্ধাপরাধী এবং তার বিরুদ্ধে সঠিক তদন্ত করে বিচারের আওতায় আনার দাবী জানান। সখিপুর থানার প্লাটুন কমান্ডার মাস্টার মোসলেম উদ্দিন জানান আমাদের দেশ স্বাধীনের পর আমরা মুক্তিযুদ্ধ বিরুধীদের যেই তালিকা করি সেই তালিকায় সিদ্দিকুর ফারুক হাওলাদার ছিলো আমরা তালিকা ভুক্ত যারা ছিলো তাদের মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত প্রহন করি সে সময় আমাদের এলাকায় প্রভাবশালী ব্যক্তি আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মৃত মাস্টার হাকীম হাওলাদার এর অনুরোধে তাকে সাময়িক ক্ষমা করা হয়েছিলো। খবর নিয়ে জানা যায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার পরে ১৯৭৫ এর পরে জিয়াউর রহমানের আমলে তাকে সেনাবাহিনীর কমিশনার পদে যোগদান করান। ১৯৮৫ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমলে সেনাবাহিনীর মের্জর থাকা কালে দোষ ও দূর্নীতির অভিযোগে চাকরি হতে বরখাস্ত করা হয় এবং ১৯৯১ সাল থেকে বর্তমানেও তিনি বিএনপি ও জামায়াতের রাজনীতির সাথে সক্রিয় রয়েছেন ।