ঢাকা ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মূল্যবোধভিত্তিক পেশাদারিত্বই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের স্তম্ভ: আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

মাইকের আওয়াজে কেউ শুনতে পায়নি ধর্ষণের শিকার যুবতীর চিৎকার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩০:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০ ২০৭ বার পড়া হয়েছে

মাইকের আওয়াজে কেউ শুনতে পায়নি ধর্ষণের শিকার যুবতীর চিৎকার

বরগুনা প্রতিনিধি;  বরগুনার বেতাগীতে যুবতীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। ওই যুবতীর মা বাদী হয়ে আজ বুধবার দুপুরে তিনজনকে আসামি করে বেতাগী থানায় মামলা করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন, বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ গ্রামের মৃত মোতালেব হাওলাদারের ছেলে সাগর (১৮), একই গ্রামের বাসিন্দা নাঈম হোসেন (১৮) ও মো. নাঈম (১৯)।
মামলার বাদী জানিয়েছেন, তাদের বাড়ি বরগুনার বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের দক্ষিণ হোসনাবাদ গ্রামে। স্বামী মারা যাওয়ার পর তার দ্বিতীয় বিয়ে হয়েছে। বিয়ের পরে তিনি মেয়েকে নিয়ে জলিশাবাজারে ভাড়া বাসায় থাকেন। সংসারের খরচ মেটাতে নিজেই দিনমজুরের কাজ করেন।
তার অভিযোগ স্থানীয় হোসনাবাদ গ্রামের বাসিন্দা সাগর তার মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করত। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার মেয়ে বাজারের পাশে উরস মাহফিলে গিয়েছিলো। সেখান থেকে রাত আটটার দিকে সাগরের সঙ্গে থাকা দুই বন্ধু নাঈম হোসেন ও মো. নাঈম তার মেয়েকে মীরাবাড়ির বাগানের মধ্যে নিয়ে যায়। সেখানে তিন বন্ধু মিলে মেয়েটিকে গণধর্ষণ করে। ঘণ্টাখানেক পরে রাত নয়টার দিকে ওই যুবতীকে স্থানীয়রা উদ্ধার করেছে।
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ওই যুবতী জানিয়েছেন, তাকে ধরে নেওয়া সময়ে চিৎকার করলেও ওরসের মাইক চলার কারণে কেউ শুনতে পায়নি। পরে লোকজন গিয়ে টর্চলাইটের আলো ছড়ালে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়।পরে ওই যুবতী এলাকাবাসীর সহায়তায় বাসায় ফিরে আসে।
বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান মিয়া জানিয়েছেন, এ ঘটনায় ওই যুবতীর মা বাদী হয়ে বেতাগী থানায় নারী নির্যাতন আইনে একটি মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

মাইকের আওয়াজে কেউ শুনতে পায়নি ধর্ষণের শিকার যুবতীর চিৎকার

আপডেট সময় : ০২:৩০:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০

বরগুনা প্রতিনিধি;  বরগুনার বেতাগীতে যুবতীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। ওই যুবতীর মা বাদী হয়ে আজ বুধবার দুপুরে তিনজনকে আসামি করে বেতাগী থানায় মামলা করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন, বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ গ্রামের মৃত মোতালেব হাওলাদারের ছেলে সাগর (১৮), একই গ্রামের বাসিন্দা নাঈম হোসেন (১৮) ও মো. নাঈম (১৯)।
মামলার বাদী জানিয়েছেন, তাদের বাড়ি বরগুনার বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের দক্ষিণ হোসনাবাদ গ্রামে। স্বামী মারা যাওয়ার পর তার দ্বিতীয় বিয়ে হয়েছে। বিয়ের পরে তিনি মেয়েকে নিয়ে জলিশাবাজারে ভাড়া বাসায় থাকেন। সংসারের খরচ মেটাতে নিজেই দিনমজুরের কাজ করেন।
তার অভিযোগ স্থানীয় হোসনাবাদ গ্রামের বাসিন্দা সাগর তার মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করত। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার মেয়ে বাজারের পাশে উরস মাহফিলে গিয়েছিলো। সেখান থেকে রাত আটটার দিকে সাগরের সঙ্গে থাকা দুই বন্ধু নাঈম হোসেন ও মো. নাঈম তার মেয়েকে মীরাবাড়ির বাগানের মধ্যে নিয়ে যায়। সেখানে তিন বন্ধু মিলে মেয়েটিকে গণধর্ষণ করে। ঘণ্টাখানেক পরে রাত নয়টার দিকে ওই যুবতীকে স্থানীয়রা উদ্ধার করেছে।
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ওই যুবতী জানিয়েছেন, তাকে ধরে নেওয়া সময়ে চিৎকার করলেও ওরসের মাইক চলার কারণে কেউ শুনতে পায়নি। পরে লোকজন গিয়ে টর্চলাইটের আলো ছড়ালে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়।পরে ওই যুবতী এলাকাবাসীর সহায়তায় বাসায় ফিরে আসে।
বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান মিয়া জানিয়েছেন, এ ঘটনায় ওই যুবতীর মা বাদী হয়ে বেতাগী থানায় নারী নির্যাতন আইনে একটি মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা।