ঢাকা ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মূল্যবোধভিত্তিক পেশাদারিত্বই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের স্তম্ভ: আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

২০ দিন ধরে অবরুদ্ধ নওগাঁর একটি পরিবার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৫:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৯ ২০০ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর মান্দা উপজেলার গণেশপুর ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে জমি কেনাকে কেন্দ্র করে একটি পরিবারকে ২০ দিন ধরে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। এতে ওই পরিবারের সাতজন সদস্য বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না। বাড়ির মালিক রিয়াজ উদ্দিন (৫৫) এলাকার মাতব্বরদের কাছে ধরনা দিয়েও কোনো সমাধান পাননি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রিয়াজ উদ্দিনের পরিবারের সদস্যরা চলাচলের জন্য সাইফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে গত ৬ অক্টোবর ২২ শতক কেনেন। জমি কেনাকে কেন্দ্র করে পরদিন তার বাড়ির পূর্ব-দক্ষিণ ও উত্তর-পূর্বসহ বাড়ির সামনে বাঁশের বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ করেন প্রতিপক্ষ আশরাফ আলী, বিরাজ হোসেন, আব্দুল খালেক ও বেলাল।

এ অবস্থায় গত ২০ দিন থেকে রিয়াজ উদ্দিনের পরিবারের সাত সদস্য বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না। প্রতিপক্ষরা বিভিন্নভাবে তাদের হুমকি দিয়ে আসছেন। প্রতিপক্ষরা বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখায় পাশের আরও তিনটি বাড়ির লোকজন চলাচলে সমস্যায় পড়েছেন।

ভুক্তভোগী রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে আজিজুর রহমান বলেন, চলাচলের জন্য ফুফাতো ভাই সাইফুল ইসলামের কাছ থেকে ২২ শতক জমি কিনি আমরা। বেশি দাম দিয়ে জমি কেনায় আমাদেরকে বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে রেখে অবরুদ্ধ করেছে প্রতিপক্ষরা। বাড়ির বাইরে যেতে চাইলে প্রতিপক্ষরা নানা হুমকি দিচ্ছে। আমরা স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছি না। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি আমরা। গ্রামের মাতব্বরদের বলেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছি না। আমরা এর থেকে মুক্তি চাই।

স্থানীয় গণেশপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হানিফ উদ্দিন মন্ডল বলেন, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করেছি। সমাধান না হওয়ায় থানা পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি।

মান্দা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

২০ দিন ধরে অবরুদ্ধ নওগাঁর একটি পরিবার

আপডেট সময় : ০৭:২৫:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৯

জেলা প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর মান্দা উপজেলার গণেশপুর ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে জমি কেনাকে কেন্দ্র করে একটি পরিবারকে ২০ দিন ধরে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। এতে ওই পরিবারের সাতজন সদস্য বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না। বাড়ির মালিক রিয়াজ উদ্দিন (৫৫) এলাকার মাতব্বরদের কাছে ধরনা দিয়েও কোনো সমাধান পাননি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রিয়াজ উদ্দিনের পরিবারের সদস্যরা চলাচলের জন্য সাইফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে গত ৬ অক্টোবর ২২ শতক কেনেন। জমি কেনাকে কেন্দ্র করে পরদিন তার বাড়ির পূর্ব-দক্ষিণ ও উত্তর-পূর্বসহ বাড়ির সামনে বাঁশের বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ করেন প্রতিপক্ষ আশরাফ আলী, বিরাজ হোসেন, আব্দুল খালেক ও বেলাল।

এ অবস্থায় গত ২০ দিন থেকে রিয়াজ উদ্দিনের পরিবারের সাত সদস্য বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না। প্রতিপক্ষরা বিভিন্নভাবে তাদের হুমকি দিয়ে আসছেন। প্রতিপক্ষরা বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখায় পাশের আরও তিনটি বাড়ির লোকজন চলাচলে সমস্যায় পড়েছেন।

ভুক্তভোগী রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে আজিজুর রহমান বলেন, চলাচলের জন্য ফুফাতো ভাই সাইফুল ইসলামের কাছ থেকে ২২ শতক জমি কিনি আমরা। বেশি দাম দিয়ে জমি কেনায় আমাদেরকে বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে রেখে অবরুদ্ধ করেছে প্রতিপক্ষরা। বাড়ির বাইরে যেতে চাইলে প্রতিপক্ষরা নানা হুমকি দিচ্ছে। আমরা স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছি না। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি আমরা। গ্রামের মাতব্বরদের বলেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছি না। আমরা এর থেকে মুক্তি চাই।

স্থানীয় গণেশপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হানিফ উদ্দিন মন্ডল বলেন, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করেছি। সমাধান না হওয়ায় থানা পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি।

মান্দা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।