ঢাকা ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মূল্যবোধভিত্তিক পেশাদারিত্বই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের স্তম্ভ: আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

মোবাইল ফোনের চার্জার বিস্ফোরণ, একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৯৮ বার পড়া হয়েছে

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম নগরীতে এক সপ্তাহ আগে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) স্বামী-স্ত্রী ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে মোবাইল চার্জার বিষ্ফোরণে দগ্ধ হয়ে ওই সময় মারা যায় তাদের ছেলে। এদের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে পরিবারটির আর কেউ বেঁচে থাকল না। গত ১৮ অক্টোবর চট্টগ্রাম নগরীর ডবলুমুরিং থানার মোল্লাপাড়ায় নিরিবিলি আবাসিক এলাকার আলী ভূঁইয়া বাড়ি নামে একটি দোতলা ভবনের নিচ তলায় মাছ ব্যবসায়ী আমির হোসেনের বাসায় এ ঘটনা ঘটেছিল।

দগ্ধ হয়ে মৃত্যুর শিকার চারজন হলেন- আমির হোসেন (৩২), তার স্ত্রী খালেদা আক্তার (২৫) ও আনিকা (৮) এবং আশরাফুল (৫)। এদের মধ্যে আশরাফুল ঘটনার দিনই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

মৃত আমির হোসেনের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার জালশুকা গ্রামে। গত ১৫ অক্টোবর আমির ভাড়া বাসাটিতে পরিবার নিয়ে উঠেছিলেন।

ডবলমুরিং থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জহির হোসেন জানান, আশরাফুলের মৃত্যুর পর দগ্ধ তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দুপুরে আমির ও সন্ধ্যায় আনিকা মারা যায়। বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) ভোরে মারা যান আমিরের স্ত্রী খালেদা।

পুলিশ পরিদর্শক জহির বলেন, ‘গত ১৮ অক্টোবর রাতে খালেদা মোবাইলের চার্জার লাগানোর সময় শর্টসার্কিট হয়ে চার্জারটি বিষ্ফোরিত হলে তার চুলে আগুন লাগে।এ সময় ছেলে আশরাফুল মাকে বাঁচাতে গেলে সেও দগ্ধ হয়। একইভাবে আমির ও তার মেয়েও বাঁচাতে গিয়ে অগ্নি দগ্ধ হয়। পরে প্রতিবেশীরা তাদের হাসপাতালে নিয়ে যান।’

তিনজনের মরদেহ স্বজনেরা গ্রামের বাড়িতে দাফনের জন্য নিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

মোবাইল ফোনের চার্জার বিস্ফোরণ, একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:০১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম নগরীতে এক সপ্তাহ আগে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) স্বামী-স্ত্রী ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে মোবাইল চার্জার বিষ্ফোরণে দগ্ধ হয়ে ওই সময় মারা যায় তাদের ছেলে। এদের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে পরিবারটির আর কেউ বেঁচে থাকল না। গত ১৮ অক্টোবর চট্টগ্রাম নগরীর ডবলুমুরিং থানার মোল্লাপাড়ায় নিরিবিলি আবাসিক এলাকার আলী ভূঁইয়া বাড়ি নামে একটি দোতলা ভবনের নিচ তলায় মাছ ব্যবসায়ী আমির হোসেনের বাসায় এ ঘটনা ঘটেছিল।

দগ্ধ হয়ে মৃত্যুর শিকার চারজন হলেন- আমির হোসেন (৩২), তার স্ত্রী খালেদা আক্তার (২৫) ও আনিকা (৮) এবং আশরাফুল (৫)। এদের মধ্যে আশরাফুল ঘটনার দিনই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

মৃত আমির হোসেনের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার জালশুকা গ্রামে। গত ১৫ অক্টোবর আমির ভাড়া বাসাটিতে পরিবার নিয়ে উঠেছিলেন।

ডবলমুরিং থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জহির হোসেন জানান, আশরাফুলের মৃত্যুর পর দগ্ধ তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দুপুরে আমির ও সন্ধ্যায় আনিকা মারা যায়। বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) ভোরে মারা যান আমিরের স্ত্রী খালেদা।

পুলিশ পরিদর্শক জহির বলেন, ‘গত ১৮ অক্টোবর রাতে খালেদা মোবাইলের চার্জার লাগানোর সময় শর্টসার্কিট হয়ে চার্জারটি বিষ্ফোরিত হলে তার চুলে আগুন লাগে।এ সময় ছেলে আশরাফুল মাকে বাঁচাতে গেলে সেও দগ্ধ হয়। একইভাবে আমির ও তার মেয়েও বাঁচাতে গিয়ে অগ্নি দগ্ধ হয়। পরে প্রতিবেশীরা তাদের হাসপাতালে নিয়ে যান।’

তিনজনের মরদেহ স্বজনেরা গ্রামের বাড়িতে দাফনের জন্য নিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।