ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মূল্যবোধভিত্তিক পেশাদারিত্বই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের স্তম্ভ: আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

চট্টগ্রামে দলবদ্ধ ধর্ষণে মুমূর্ষু তরুণী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০১৯ ২০৫ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম ব্যুরো; 

কাজ শেষে অটোরিকশায় করে বাড়ি ফেরার পথে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় এক তরুণীকে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতে ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীকে (১৮) মুমূর্ষু অবস্থায় চট্টগ্রামে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রাত থেকে বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা পর্যন্ত তাকে পাঁচ ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার। “তরুণী আজকে চোখ মেলে তাকিয়েছে। অল্প অল্প কথাও বলতে পারছে।”

পুলিশের ধারণা, এ ঘটনায় অটোরিকশার চালক এবং যাত্রীবেশী দুই দুর্বৃত্ত জড়িত। নির্যাতিত তরুণী কোরিয়ান ইপিজেডের কর্ণফুলী সু ফ্যাক্টরিতে কাজ করেন। চন্দনাইশের বাড়ি থেকেই তিনি প্রতিদিন কর্মস্থলে আসা-যাওয়া করেন।

জ্ঞান ফেরার পর তরুণীর সঙ্গে কথা হয়েছে জানিয়ে আনোয়ারা থানার ওসি দুলাল মাহমুদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “অটোরিকশায় যারা ছিল তারা অপরিচিত বলে তিনি জানিয়েছেন। তবে তাদের শারীরিক গঠনসহ কিছু বর্ণনা দিয়েছেন। সেই তথ্য ধরেই আমরা কাজ করছি।”

তরুণীর কাছ থেকে তথ্যের বরাত দিয়ে ওসি দুলাল বলেন, ফ্যাক্টরি থেকে বেরিয়ে বাড়ি ফিরতে আনোয়ারা চাতরি চৌমুহনী এলাকায় এসে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠেন।

“ওই অটোরিকশায় চালক ছাড়া আরও দুইজন ছিল। তারাই ওই তরুণীকে কালার মার দিঘী সংলগ্ন চায়না রোডে নিয়ে যায়। এলাকাটি নির্জন। সেখানেই তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে ধারণা করছি।”

ধর্ষণের পর ওই তরুণীকে চাতরি চৌমুহনী ও চায়না রোডের সংযোগ অংশে সড়কের পাশে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়। খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান কর্ণফুলী থানার ওসি আলমগীর মাহমুদ।

“রাত সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির নায়েক মো. আমির আমাকে খবর দেয়।

“গিয়ে দেখি মেয়েটির মুর্মূষ অবস্থা, প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। রাতেই দুই ব্যাগ রক্ত যোগাড় করে দেওয়া হয়। সকালেও রক্ত দেওয়া হয়েছে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

চট্টগ্রামে দলবদ্ধ ধর্ষণে মুমূর্ষু তরুণী

আপডেট সময় : ০৩:৫১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০১৯

চট্টগ্রাম ব্যুরো; 

কাজ শেষে অটোরিকশায় করে বাড়ি ফেরার পথে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় এক তরুণীকে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতে ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীকে (১৮) মুমূর্ষু অবস্থায় চট্টগ্রামে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রাত থেকে বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা পর্যন্ত তাকে পাঁচ ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার। “তরুণী আজকে চোখ মেলে তাকিয়েছে। অল্প অল্প কথাও বলতে পারছে।”

পুলিশের ধারণা, এ ঘটনায় অটোরিকশার চালক এবং যাত্রীবেশী দুই দুর্বৃত্ত জড়িত। নির্যাতিত তরুণী কোরিয়ান ইপিজেডের কর্ণফুলী সু ফ্যাক্টরিতে কাজ করেন। চন্দনাইশের বাড়ি থেকেই তিনি প্রতিদিন কর্মস্থলে আসা-যাওয়া করেন।

জ্ঞান ফেরার পর তরুণীর সঙ্গে কথা হয়েছে জানিয়ে আনোয়ারা থানার ওসি দুলাল মাহমুদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “অটোরিকশায় যারা ছিল তারা অপরিচিত বলে তিনি জানিয়েছেন। তবে তাদের শারীরিক গঠনসহ কিছু বর্ণনা দিয়েছেন। সেই তথ্য ধরেই আমরা কাজ করছি।”

তরুণীর কাছ থেকে তথ্যের বরাত দিয়ে ওসি দুলাল বলেন, ফ্যাক্টরি থেকে বেরিয়ে বাড়ি ফিরতে আনোয়ারা চাতরি চৌমুহনী এলাকায় এসে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠেন।

“ওই অটোরিকশায় চালক ছাড়া আরও দুইজন ছিল। তারাই ওই তরুণীকে কালার মার দিঘী সংলগ্ন চায়না রোডে নিয়ে যায়। এলাকাটি নির্জন। সেখানেই তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে ধারণা করছি।”

ধর্ষণের পর ওই তরুণীকে চাতরি চৌমুহনী ও চায়না রোডের সংযোগ অংশে সড়কের পাশে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়। খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান কর্ণফুলী থানার ওসি আলমগীর মাহমুদ।

“রাত সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির নায়েক মো. আমির আমাকে খবর দেয়।

“গিয়ে দেখি মেয়েটির মুর্মূষ অবস্থা, প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। রাতেই দুই ব্যাগ রক্ত যোগাড় করে দেওয়া হয়। সকালেও রক্ত দেওয়া হয়েছে।”