ঢাকা ০৭:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ৩০ লক্ষ টাকায় বনানী ক্লাবের সদস্য হওয়া দুর্নীতিবাজ কাস্টমস কমিশনার জাকিরের পুনর্বাসন Logo চমেকে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ খাবার পানির প্ল্যান্ট স্থাপন করল দূর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশন Logo তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পাদক-সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo শেখ হাসিনার স্নেহধন্য দোলনের দাপট: হত্যা মামলার আসামি হয়েও সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীতা বহাল Logo বাংলা সাহিত্যের মননশীল কবি মঈন মুরসালিন’র জন্মদিন আজ Logo আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে সাধারণ সাংবাদিক সমাজের শ্রদ্ধা Logo বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন আমিরুল ইসলাম কাগজি Logo নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টি Logo পৃথিবীর ইতিহাসে সর্ববৃহৎ জানাজা Logo নির্বাসন থেকে প্রত্যাবর্তনের নায়ক

বড়াইগ্রামে ২০ শয্যাবিশিষ্ট কবিরাজি হাসপাতাল সিলগালা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৭:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০১৯ ২৩৫ বার পড়া হয়েছে

নাটোর প্রতিনিধি :

নাটোর বড়াইগ্রামের আহমেদপুর এলাকায় টিনের ছাপড়ার তৈরি ২০ শয্যাবিশিষ্ট একটি কবিরাজি হাসপাতাল সিলগালা করে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। একই সাথে অবৈধভাবে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার অপরাধে কথিক চিকিৎসক কবিরাজ আব্দুস সাত্তারকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে আদালত।

এসময় তার কাছ থেকে ভবিষ্যতে এমন অনৈতিক ও অবৈধ কাজ থেকে বিরত থাকার প্রতিশ্রুতি সমেত মুচলেকা নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার আহমেদপুর এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউর রহমান। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বুধবার অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ওই কবিরাজি হাসপাতালটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অভিযানে নামেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। কিন্তু তার আগেই রোগীদের সরিয়ে স্বপরিবারে গা ঢাকা দেন কথিত ডাক্তার আব্দুস সাত্তার। পরে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সকল চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ রাখাসহ বৃহস্পতিবারের মধ্যে সাত্তারকে জেলা প্রশাসকের কাছে হাজির করতে তার স্বজনদের নির্দেশ দেন।
পরে স্বজনরা সাত্তারকে জেলা প্রশাসকের কাছে হাজির করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে হাসপাতাল সিলগালা ও অর্থদণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউর রহমান জানান, নামের আগে ডাক্তার যুক্ত করে দীর্ঘদিন ধরে কবিরাজি চিকিৎসা দিচ্ছিলেন আব্দুস সাত্তার । কিন্তু সে বিষয়েও তার নেই কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা। তিনি নিজ বাড়িতে টিনের তৈরি ঘরে খুলেছিলেন ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল। সেটারও অনুমোদনও নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি তিনি।

এছাড়া বিভিন্ন স্থানে টাঙানো সাইনবোর্ডে অনেক স্বনামধন্য ডাক্তারের নাম পদবী ব্যবহার করে হাড়ভাঙ্গা ও প্যারালাইসিস সহ বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা দিচ্ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

বড়াইগ্রামে ২০ শয্যাবিশিষ্ট কবিরাজি হাসপাতাল সিলগালা

আপডেট সময় : ০৯:৪৭:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০১৯

নাটোর প্রতিনিধি :

নাটোর বড়াইগ্রামের আহমেদপুর এলাকায় টিনের ছাপড়ার তৈরি ২০ শয্যাবিশিষ্ট একটি কবিরাজি হাসপাতাল সিলগালা করে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। একই সাথে অবৈধভাবে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার অপরাধে কথিক চিকিৎসক কবিরাজ আব্দুস সাত্তারকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে আদালত।

এসময় তার কাছ থেকে ভবিষ্যতে এমন অনৈতিক ও অবৈধ কাজ থেকে বিরত থাকার প্রতিশ্রুতি সমেত মুচলেকা নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার আহমেদপুর এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউর রহমান। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বুধবার অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ওই কবিরাজি হাসপাতালটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অভিযানে নামেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। কিন্তু তার আগেই রোগীদের সরিয়ে স্বপরিবারে গা ঢাকা দেন কথিত ডাক্তার আব্দুস সাত্তার। পরে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সকল চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ রাখাসহ বৃহস্পতিবারের মধ্যে সাত্তারকে জেলা প্রশাসকের কাছে হাজির করতে তার স্বজনদের নির্দেশ দেন।
পরে স্বজনরা সাত্তারকে জেলা প্রশাসকের কাছে হাজির করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে হাসপাতাল সিলগালা ও অর্থদণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউর রহমান জানান, নামের আগে ডাক্তার যুক্ত করে দীর্ঘদিন ধরে কবিরাজি চিকিৎসা দিচ্ছিলেন আব্দুস সাত্তার । কিন্তু সে বিষয়েও তার নেই কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা। তিনি নিজ বাড়িতে টিনের তৈরি ঘরে খুলেছিলেন ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল। সেটারও অনুমোদনও নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি তিনি।

এছাড়া বিভিন্ন স্থানে টাঙানো সাইনবোর্ডে অনেক স্বনামধন্য ডাক্তারের নাম পদবী ব্যবহার করে হাড়ভাঙ্গা ও প্যারালাইসিস সহ বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা দিচ্ছিলেন।