ঢাকা ০৫:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গণপূর্ত প্রধান প্রকৌশলীর গাড়ি চাপায় পিষ্ট সহকারী প্রকৌশলী -উত্তাল গণপূর্ত Logo শাবিপ্রবির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ Logo সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাহিনুরের সীমাহীন সম্পদ ও অনিয়ম -পর্ব-০১ Logo তামাক সেবনের আলাদা কক্ষ বানালেন গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী: রয়েছে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ! Logo দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: কালবে সর্বোচ্চ পদ দখলে রেখেছে আগস্টিন! Logo আইআইএফসি ও মার্কটেল বাংলাদেশ’র মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তর পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী Logo সর্বজনীন পেনশন প্রত্যাহারে শাবি শিক্ষক সমিতি মৌন মিছিল ও কালোব্যাজ ধারণ Logo শাবিপ্রবিতে কুমিল্লা স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo শাবিপ্রবি কেন্দ্রে সুষ্ঠভাবে গুচ্ছভর্তির তিন ইউনিটের পরীক্ষা সম্পন্ন




শূন্য রানে জীবন পেয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তানবীর হায়দারের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯ ১১১ বার পড়া হয়েছে

স্পোর্টস ডেস্কঃ  জিতলেই শিরোপা চলে যাবে আবাহনীর ঘরে, ম্যাচের শুরুটাও চ্যাম্পিয়নের মতোই করেছিল টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ১৫.৩ ওভারে মাত্র ৮৫ রানেই সাজঘরে পাঠিয়ে দিয়েছিল শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের প্রথম ৫ ব্যাটসম্যানকে।

তবু ৫০ ওভার শেষে শেখ জামালের সংগ্রহটা গিয়ে ঠেকেছে ৯ উইকেটে ৩১৭ রানে। যার পুরো কৃতিত্বটা লেগস্পিনিং অলরাউন্ডার তানবীর হায়দারের। যিনি খেলেছেন ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ ইনিংস, অপরাজিত রয়ে গেছেন ১৩২ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে।

অথচ ১৬তম ওভারের চতুর্থ বলে ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবেই সাজঘরে ফিরে যেতে পারতেন তানবীর। মুখোমুখি প্রথম বলেই আবাহনী অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেনের হাতে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে বসেছিলেন তিনি। সেটি ডানদিকে ঝাপিয়ে আয়ত্ত্বেও নিয়েছিলেন মোসাদ্দেক। কিন্তু রাখতে পারেননি নিয়ন্ত্রণে। ফলে শূন্য রানেই জীবন পেয়ে যান তানবীর।

আর এ জীবনের পূর্ণ ফায়দা নিয়ে করেন ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি, খেলেন ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ ইনিংস। ইনিংসের ১৬তম ওভারের চতুর্থ বলে জীবন পাওয়া তানবীর ইনিংসের শেষ ওভারের শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে হাসিমুখেই ফেরেন সাজঘরে।

ততক্ষণে তার নামের পাশে লেখা হয়ে যায় ১১০ বলে ১৩২ রানের ঝকঝকে ইনিংস। দুর্দান্ত এ ইনিংসটিকে তিনি সাজান ১০টি চারের সঙ্গে ৬টি বিশাল ছয়ের মারে। তানবীরের সেঞ্চুরির সঙ্গে ইলিয়াস সানির ৪৫ এবং মেহরাব হোসেনের ৪৪ রানের ইনিংসে ভর করেই মূলত ৩১৭ রানের সংগ্রহ পায় শেখ জামাল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




শূন্য রানে জীবন পেয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তানবীর হায়দারের

আপডেট সময় : ০৩:০৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯

স্পোর্টস ডেস্কঃ  জিতলেই শিরোপা চলে যাবে আবাহনীর ঘরে, ম্যাচের শুরুটাও চ্যাম্পিয়নের মতোই করেছিল টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ১৫.৩ ওভারে মাত্র ৮৫ রানেই সাজঘরে পাঠিয়ে দিয়েছিল শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের প্রথম ৫ ব্যাটসম্যানকে।

তবু ৫০ ওভার শেষে শেখ জামালের সংগ্রহটা গিয়ে ঠেকেছে ৯ উইকেটে ৩১৭ রানে। যার পুরো কৃতিত্বটা লেগস্পিনিং অলরাউন্ডার তানবীর হায়দারের। যিনি খেলেছেন ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ ইনিংস, অপরাজিত রয়ে গেছেন ১৩২ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে।

অথচ ১৬তম ওভারের চতুর্থ বলে ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবেই সাজঘরে ফিরে যেতে পারতেন তানবীর। মুখোমুখি প্রথম বলেই আবাহনী অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেনের হাতে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে বসেছিলেন তিনি। সেটি ডানদিকে ঝাপিয়ে আয়ত্ত্বেও নিয়েছিলেন মোসাদ্দেক। কিন্তু রাখতে পারেননি নিয়ন্ত্রণে। ফলে শূন্য রানেই জীবন পেয়ে যান তানবীর।

আর এ জীবনের পূর্ণ ফায়দা নিয়ে করেন ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি, খেলেন ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ ইনিংস। ইনিংসের ১৬তম ওভারের চতুর্থ বলে জীবন পাওয়া তানবীর ইনিংসের শেষ ওভারের শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে হাসিমুখেই ফেরেন সাজঘরে।

ততক্ষণে তার নামের পাশে লেখা হয়ে যায় ১১০ বলে ১৩২ রানের ঝকঝকে ইনিংস। দুর্দান্ত এ ইনিংসটিকে তিনি সাজান ১০টি চারের সঙ্গে ৬টি বিশাল ছয়ের মারে। তানবীরের সেঞ্চুরির সঙ্গে ইলিয়াস সানির ৪৫ এবং মেহরাব হোসেনের ৪৪ রানের ইনিংসে ভর করেই মূলত ৩১৭ রানের সংগ্রহ পায় শেখ জামাল।