ঢাকা ০২:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’ Logo রিকশাচালক থেকে মুচি, ১ নভেম্বর থেকে সবাই বাংলা কিউআর ব্যবহার করতে পারবেন Logo প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত ও গ্রেপ্তার করতে হবে: আখতার হোসেন Logo ৩৪৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ Logo ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০ Logo মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: তারেক রহমান Logo মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo যাত্রাবাড়ীতে বাসে তল্লাশি, ৯ হাজার ই’য়া’বা’স’হ গ্রে’প্তা’র ২ Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল 

আগুনের ঝুঁকিতে নিউমার্কেট এলাকার বেশির ভাগ শপিং কমপ্লেক্স

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২২:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ এপ্রিল ২০১৯ ৩০৫ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর কয়েক দশকের পুরোনো গাউছিয়া, নূর ম্যানসন, চাঁদনীচকের মতো পুরনো জনপ্রিয় মার্কেটগুলো আগুনের ভয়াবহ ঝুঁকিতে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর বলছে, আগুন নেভানোর পর্যাপ্ত সরঞ্জাম এবং নিরাপদে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা নেই নিউমার্কেট এলাকার এসব শপিং সেন্টারে। ফলে আগুনে সম্পদহানির পাশাপাশি রয়েছে জীবনের ঝুঁকি। -ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন।

মার্কেট নূর ম্যানশন শপিং কমপ্লেক্সর প্রতিটি দোকান ও হাঁটার সরু গলি কাপড়ে ঠাসা। মাথার ঠিক তিন ফুট উপরেই ঝুলছে বৈদ্যুতিক তার। এসির তারগুলোও সুরক্ষিত নয়। এছাড়া মার্কেটের পঞ্চম ও ষষ্ঠ তলায় অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে মিনি গার্মেন্টস। শুক্রবার মার্কেটটিকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর।

একই অবস্থা চাঁদনি চক, গাউছিয়া, ধানমন্ডি হকার্সসহ এই এলাকার অন্যান্য মার্কেটগুলোর। আগুন লাগলে পথ খুঁজে বের হওয়া কঠিন, তার ওপর বেশিরভাগই জানেন না দুর্ঘটনা ঘটলে কি করতে হবে।
ঝুঁকির কথা স্বীকার করে নূর ম্যানসন শপিং কমপ্লেক্সের উপদেষ্টা শাহাদাত হোসেন খান বলেন, সম্পদ আমাদের তাই এটি রক্ষা করার দায়িত্বও আমাদেরওই। এখানে কোটি কোটি টাকার সম্পদ আছে তাই ফায়ার সার্ভিসের দেয়া সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

তবে গাউছিয়া সুপার মার্কেটের বিদ্যুৎ সম্পাদক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, মার্কেটে আগুন নেভানোর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা আছে। সম্পূর্ণ নিরাপদ, এখানো ঝুঁকির কোনো আশঙ্কা নেই।

আগুনের ঝুঁকি এড়াতে মার্কেটে ছাদে ওঠার সিঁড়ি ও দরজা খোলা রাখা, বের হওয়ার একাধিক দরজা, আন্ডারগ্রাউন্ডে ৫০ হাজার গ্যালন পানি মজুদ এবং মার্কেটে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আগুন নেভানোর কর্মী থাকার কথা। কিন্তু এই আইন মানেনি এসব শপিং সেন্টার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

আগুনের ঝুঁকিতে নিউমার্কেট এলাকার বেশির ভাগ শপিং কমপ্লেক্স

আপডেট সময় : ০৪:২২:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ এপ্রিল ২০১৯

রাজধানীর কয়েক দশকের পুরোনো গাউছিয়া, নূর ম্যানসন, চাঁদনীচকের মতো পুরনো জনপ্রিয় মার্কেটগুলো আগুনের ভয়াবহ ঝুঁকিতে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর বলছে, আগুন নেভানোর পর্যাপ্ত সরঞ্জাম এবং নিরাপদে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা নেই নিউমার্কেট এলাকার এসব শপিং সেন্টারে। ফলে আগুনে সম্পদহানির পাশাপাশি রয়েছে জীবনের ঝুঁকি। -ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন।

মার্কেট নূর ম্যানশন শপিং কমপ্লেক্সর প্রতিটি দোকান ও হাঁটার সরু গলি কাপড়ে ঠাসা। মাথার ঠিক তিন ফুট উপরেই ঝুলছে বৈদ্যুতিক তার। এসির তারগুলোও সুরক্ষিত নয়। এছাড়া মার্কেটের পঞ্চম ও ষষ্ঠ তলায় অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে মিনি গার্মেন্টস। শুক্রবার মার্কেটটিকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর।

একই অবস্থা চাঁদনি চক, গাউছিয়া, ধানমন্ডি হকার্সসহ এই এলাকার অন্যান্য মার্কেটগুলোর। আগুন লাগলে পথ খুঁজে বের হওয়া কঠিন, তার ওপর বেশিরভাগই জানেন না দুর্ঘটনা ঘটলে কি করতে হবে।
ঝুঁকির কথা স্বীকার করে নূর ম্যানসন শপিং কমপ্লেক্সের উপদেষ্টা শাহাদাত হোসেন খান বলেন, সম্পদ আমাদের তাই এটি রক্ষা করার দায়িত্বও আমাদেরওই। এখানে কোটি কোটি টাকার সম্পদ আছে তাই ফায়ার সার্ভিসের দেয়া সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

তবে গাউছিয়া সুপার মার্কেটের বিদ্যুৎ সম্পাদক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, মার্কেটে আগুন নেভানোর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা আছে। সম্পূর্ণ নিরাপদ, এখানো ঝুঁকির কোনো আশঙ্কা নেই।

আগুনের ঝুঁকি এড়াতে মার্কেটে ছাদে ওঠার সিঁড়ি ও দরজা খোলা রাখা, বের হওয়ার একাধিক দরজা, আন্ডারগ্রাউন্ডে ৫০ হাজার গ্যালন পানি মজুদ এবং মার্কেটে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আগুন নেভানোর কর্মী থাকার কথা। কিন্তু এই আইন মানেনি এসব শপিং সেন্টার।