উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে কর্মক্ষম ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির
- আপডেট সময় : ০৩:৫৯:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত দেশের কর্মসংস্থান উপযোগী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা।
তিনি বলেন, এ জন্য উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে সমন্বিত ও সামগ্রিক (Holistic Approach) পদ্ধতিতে সাজাতে হবে, যাতে তা দেশের ও বিদেশের শ্রমবাজারের উপযোগী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে পারে এবং কেউ বেকার না থাকে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান রেজাউল করিমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। এসময় সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত দেশের কর্মসংস্থান উপযোগী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা। তিনি বলেন, সেজন্য উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমন্বিত ও সামগ্রিক পদ্ধতিতে সাজাতে হবে, যাতে তা দেশের ও বিদেশের শ্রমবাজারকে উপযোগী দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে পারে। কেউ যাতে বেকার না থাকে।
গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা খরচ মওকুফ করার জন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন শিল্প, কলকারখানা, করপোরেট সংস্থা ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান এমনকি বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা পরিচালনার জন্য বিদেশ থেকে কর্মী আনতে হচ্ছে। অথচ দেশে অসংখ্য উচ্চশিক্ষিত বেকার রয়েছে। এজন্য তিনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কারিগরি, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিষয়ে আধুনিক ও উচ্চ মানসম্পন্ন শিক্ষা দেওয়ার ওপর জোর দিতে বলেন। এছাড়া, তিনি শিল্প ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানকে যথাযথ প্রশিক্ষণ দিয়ে উপযুক্ত ও কর্মক্ষম কর্মী তৈরি করার পরামর্শ দেন।
সাক্ষাৎকালে বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।
তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়টিকে অনেকটা দাতব্য ও অলাভজনক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালনা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিবছর গড়ে প্রায় ৩২ কোটি টাকা মেধাবী, অসচ্ছল ও বিশেষ কোটার শিক্ষার্থীদের জন্য টিউশন ফিতে বিভিন্ন হারে ওয়েভার বা বৃত্তি দেয়।
ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎকালে অন্যান্যের মধ্যে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, প্রেস সচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য সচিব, সদস্য, উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার ও উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন।






















