ঢাকা ০১:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সাতক্ষীরায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ৩১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন Logo মহাষষ্ঠীতে দেবীর অধিবাস, পটুয়াখালীর মণ্ডপে মণ্ডপে শুরু পূজা Logo নড়াইলে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ হারালেন নারী শ্রমিক Logo মেঘনায় ইলিশ শিকারের দায়ে ৩০ জেলের কারাদণ্ড Logo তরুণদের নেতৃত্বেই গড়ে উঠবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ: ডেপুটি স্পিকার Logo বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব চুক্তি করতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক : অর্থমন্ত্রী Logo ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে মূল্যস্ফীতির চাপ ও দারিদ্র্য: বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ Logo কর্মসংস্থান ও শিল্পের চাহিদা মেটাতে পূর্ণাঙ্গ টিভেট ইকোসিস্টেম গড়ছে বাংলাদেশ Logo আজ বিশ্ব খাদ্য দিবস Logo ড. ইউনূসকে ‘হিলারি ক্লিনটন অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান, দাঁড়িয়ে সম্মান জানালেন ৪০০ অতিথি

তরুণদের নেতৃত্বেই গড়ে উঠবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ: ডেপুটি স্পিকার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজকের তরুণদের নেতৃত্বেই আগামী দিনের সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

শুক্রবার জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ফিউচার বাংলাদেশ আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইয়ুথ মডেল ইউনাইটেড নেশনস ২০২৬’ (বিওয়াইএমইউএন) সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তরুণদের মেধা, উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তি ও নেতৃত্বের বিকাশের মধ্য দিয়েই একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও বিশ্বমানের বাংলাদেশ গড়ে উঠবে উল্লেখ করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, শুধু জিপিএ-৫ অর্জনের প্রতিযোগিতায় সীমাবদ্ধ না থেকে তরুণদের ইতিবাচক চিন্তা, সৃজনশীলতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি কাজে লাগাতে হবে। একই সঙ্গে আইনের শাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণদের নেতৃত্ব দিতে হবে।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা প্রয়োজন, যেখানে মানুষ সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবে, নাগরিকদের মধ্যে মানবিক গুণাবলির বিকাশ ঘটবে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সুরক্ষিত থাকবে। তরুণদের মেধা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতাকে ইতিবাচক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলকভাবে কাজে লাগানো গেলে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ নির্মাণ সম্ভব হবে।

দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন-সংগ্রামে তরুণদের নেতৃত্বের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশে যত বড় বড় আন্দোলন হয়েছে, সেগুলোর নেতৃত্বে ছিলেন তরুণরা। সামাজিক মর্যাদা, সমতা ও সমান সুযোগ প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা থেকেই তরুণেরা বারবার আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের (ওএইচসিএইচআর) প্রকাশিত চূড়ান্ত তথ্য-অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে নিহত ব্যক্তিদের অনেকেই ছিলেন তরুণ। এ প্রসঙ্গে তিনি তরুণদের আকাঙ্ক্ষা, অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, তরুণদের এই শক্তি ও সম্ভাবনাকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। অতীতের অর্জন থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশকে নতুন করে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মকেই নিতে হবে।

তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন, উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য বিদেশে গেলেও দেশে ফিরে এসে আগামীর বাংলাদেশের নেতৃত্বের হাল ধরতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে নিজেদের অর্জিত জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা কাজে লাগানোর ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে একটি বিশ্বমানের রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে তরুণদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দেশকে পিছিয়ে পড়ার অবস্থা থেকে এগিয়ে নিতে সম্মিলিত উদ্যোগ, দায়িত্বশীল নেতৃত্ব এবং ইতিবাচক চিন্তার বিকল্প নেই।

নেতৃত্বের গুণাবলি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ডেপুটি স্পিকার বলেন, মতভিন্নতা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক অংশ। কোনো বিষয়ে দ্বিমত থাকলে শুধু নিজের মত প্রতিষ্ঠার চেষ্টা না করে অন্যের যুক্তি বোঝার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কেউ দ্বিমত পোষণ করলে তার যুক্তি বোঝার চেষ্টা করতে হবে। যোগ্য নেতৃত্বের অর্থ শুধু নিজে নেতৃত্ব দেওয়া নয়, বরং অন্যদেরও কাজ করার ও মত প্রকাশের সুযোগ করে দেওয়া। এর মাধ্যমে পারস্পরিক আস্থা সুদৃঢ় হয় এবং অর্থপূর্ণ সহযোগিতার পথ তৈরি হয়।

নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া, বিতর্ক ও যুক্তিনির্ভর আলোচনার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য তরুণদের জাতীয় সংসদের অধিবেশন পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেন তিনি। সংসদীয় কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করার মধ্য দিয়ে তরুণেরা গণতান্ত্রিক চর্চা ও রাষ্ট্র পরিচালনার প্রক্রিয়া সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করতে পারবেন বলে তিনি মনে করেন।

দুই দিনব্যাপী বাংলাদেশ ইয়ুথ মডেল ইউনাইটেড নেশনস ২০২৬ সম্মেলনের প্রথম দিনে দেশের ৬৪টি জেলা থেকে আসা দুই শতাধিক স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৫০০ তরুণ প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করছেন।

সম্মেলনের মূল লক্ষ্য ও তাৎপর্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তরুণদের নেতৃত্বের সক্ষমতা, যুক্তিনির্ভর বিতর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং নীতিনির্ধারণী বিষয়ে চিন্তাভাবনার বিকাশে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

অনুষ্ঠানের এ সেশনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল-আওয়াল এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডোলান্ড।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

তরুণদের নেতৃত্বেই গড়ে উঠবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ: ডেপুটি স্পিকার

আপডেট সময় : ০৪:৩৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজকের তরুণদের নেতৃত্বেই আগামী দিনের সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

শুক্রবার জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ফিউচার বাংলাদেশ আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইয়ুথ মডেল ইউনাইটেড নেশনস ২০২৬’ (বিওয়াইএমইউএন) সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তরুণদের মেধা, উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তি ও নেতৃত্বের বিকাশের মধ্য দিয়েই একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও বিশ্বমানের বাংলাদেশ গড়ে উঠবে উল্লেখ করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, শুধু জিপিএ-৫ অর্জনের প্রতিযোগিতায় সীমাবদ্ধ না থেকে তরুণদের ইতিবাচক চিন্তা, সৃজনশীলতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি কাজে লাগাতে হবে। একই সঙ্গে আইনের শাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণদের নেতৃত্ব দিতে হবে।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা প্রয়োজন, যেখানে মানুষ সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবে, নাগরিকদের মধ্যে মানবিক গুণাবলির বিকাশ ঘটবে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সুরক্ষিত থাকবে। তরুণদের মেধা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতাকে ইতিবাচক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলকভাবে কাজে লাগানো গেলে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ নির্মাণ সম্ভব হবে।

দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন-সংগ্রামে তরুণদের নেতৃত্বের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশে যত বড় বড় আন্দোলন হয়েছে, সেগুলোর নেতৃত্বে ছিলেন তরুণরা। সামাজিক মর্যাদা, সমতা ও সমান সুযোগ প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা থেকেই তরুণেরা বারবার আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের (ওএইচসিএইচআর) প্রকাশিত চূড়ান্ত তথ্য-অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে নিহত ব্যক্তিদের অনেকেই ছিলেন তরুণ। এ প্রসঙ্গে তিনি তরুণদের আকাঙ্ক্ষা, অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, তরুণদের এই শক্তি ও সম্ভাবনাকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। অতীতের অর্জন থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশকে নতুন করে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মকেই নিতে হবে।

তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন, উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য বিদেশে গেলেও দেশে ফিরে এসে আগামীর বাংলাদেশের নেতৃত্বের হাল ধরতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে নিজেদের অর্জিত জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা কাজে লাগানোর ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে একটি বিশ্বমানের রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে তরুণদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দেশকে পিছিয়ে পড়ার অবস্থা থেকে এগিয়ে নিতে সম্মিলিত উদ্যোগ, দায়িত্বশীল নেতৃত্ব এবং ইতিবাচক চিন্তার বিকল্প নেই।

নেতৃত্বের গুণাবলি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ডেপুটি স্পিকার বলেন, মতভিন্নতা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক অংশ। কোনো বিষয়ে দ্বিমত থাকলে শুধু নিজের মত প্রতিষ্ঠার চেষ্টা না করে অন্যের যুক্তি বোঝার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কেউ দ্বিমত পোষণ করলে তার যুক্তি বোঝার চেষ্টা করতে হবে। যোগ্য নেতৃত্বের অর্থ শুধু নিজে নেতৃত্ব দেওয়া নয়, বরং অন্যদেরও কাজ করার ও মত প্রকাশের সুযোগ করে দেওয়া। এর মাধ্যমে পারস্পরিক আস্থা সুদৃঢ় হয় এবং অর্থপূর্ণ সহযোগিতার পথ তৈরি হয়।

নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া, বিতর্ক ও যুক্তিনির্ভর আলোচনার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য তরুণদের জাতীয় সংসদের অধিবেশন পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেন তিনি। সংসদীয় কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করার মধ্য দিয়ে তরুণেরা গণতান্ত্রিক চর্চা ও রাষ্ট্র পরিচালনার প্রক্রিয়া সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করতে পারবেন বলে তিনি মনে করেন।

দুই দিনব্যাপী বাংলাদেশ ইয়ুথ মডেল ইউনাইটেড নেশনস ২০২৬ সম্মেলনের প্রথম দিনে দেশের ৬৪টি জেলা থেকে আসা দুই শতাধিক স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৫০০ তরুণ প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করছেন।

সম্মেলনের মূল লক্ষ্য ও তাৎপর্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তরুণদের নেতৃত্বের সক্ষমতা, যুক্তিনির্ভর বিতর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং নীতিনির্ধারণী বিষয়ে চিন্তাভাবনার বিকাশে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

অনুষ্ঠানের এ সেশনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল-আওয়াল এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডোলান্ড।