ঢাকা ১২:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রশাসকদের সমন্বিত উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে নতুন গতি এসেছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ১০৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রশাসকদের সমন্বিত উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে নতুন গতি এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সিটি করপোরেশন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

আজ সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে গঠিত টাস্কফোর্স কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধই সবচেয়ে কার্যকর। এ জন্য এডিস মশার লার্ভার উৎপত্তিস্থল ধ্বংসে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে আরও জোরদার করতে হবে।

এ সময় প্রশাসকদের আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের প্রশংসা করে সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

মীর শাহে আলম বলেন, নগর পরিচ্ছন্নতায় নিয়োজিত সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আরও দায়িত্বশীল ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে নাগরিকদেরও নিজ নিজ বাসাবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্মাণাধীন ভবন ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে সচেতন হতে হবে।

তিনি বিশেষ করে, নির্মাণাধীন ভবনগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক কর্মসূচি জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মাঠপর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও ফলপ্রসূ করার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে জাতীয় কমিটির সিদ্ধান্তসমূহ মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন, বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিতকরণ ও সার্বিক কার্যক্রম তদারকির লক্ষ্যে সম্প্রতি স্থানীয় সরকার একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়।

কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান, জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা ও মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে এবং নির্মাণাধীন ভবনসহ সম্ভাব্য প্রজননস্থলে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

টাস্কফোর্স কমিটির সভায় ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকন, রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন সশরীরে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, কুমিল্লা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকসহ অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই ভার্চুয়ালি সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন— স্থানীয় সরকার বিভাগের নগর উন্নয়ন বিভাগের যুগ্মসচিব মো. রবিউল ইসলাম ও ‘ইমপ্রুভমেন্ট অব আরবান পাবলিক হেলথ প্রিভেন্টিভ সার্ভিসেস’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ্ খান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

প্রশাসকদের সমন্বিত উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে নতুন গতি এসেছে

আপডেট সময় : ০৯:১২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রশাসকদের সমন্বিত উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে নতুন গতি এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সিটি করপোরেশন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

আজ সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে গঠিত টাস্কফোর্স কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধই সবচেয়ে কার্যকর। এ জন্য এডিস মশার লার্ভার উৎপত্তিস্থল ধ্বংসে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে আরও জোরদার করতে হবে।

এ সময় প্রশাসকদের আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের প্রশংসা করে সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

মীর শাহে আলম বলেন, নগর পরিচ্ছন্নতায় নিয়োজিত সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আরও দায়িত্বশীল ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে নাগরিকদেরও নিজ নিজ বাসাবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্মাণাধীন ভবন ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে সচেতন হতে হবে।

তিনি বিশেষ করে, নির্মাণাধীন ভবনগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক কর্মসূচি জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মাঠপর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও ফলপ্রসূ করার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে জাতীয় কমিটির সিদ্ধান্তসমূহ মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন, বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিতকরণ ও সার্বিক কার্যক্রম তদারকির লক্ষ্যে সম্প্রতি স্থানীয় সরকার একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়।

কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান, জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা ও মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে এবং নির্মাণাধীন ভবনসহ সম্ভাব্য প্রজননস্থলে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

টাস্কফোর্স কমিটির সভায় ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকন, রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন সশরীরে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, কুমিল্লা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকসহ অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই ভার্চুয়ালি সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন— স্থানীয় সরকার বিভাগের নগর উন্নয়ন বিভাগের যুগ্মসচিব মো. রবিউল ইসলাম ও ‘ইমপ্রুভমেন্ট অব আরবান পাবলিক হেলথ প্রিভেন্টিভ সার্ভিসেস’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ্ খান।