ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগামীতে গবেষণা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হবে: কৃষিমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২২:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ ৩০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, আগামীতে গবেষণা খাতে আরও বেশি বরাদ্দ দেওয়া হবে। গবেষণা ছাড়া দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। গবেষণার ক্ষেত্রে সরকার কোনো কার্পণ্য করবে না। তবে প্রকৃত অর্থে গবেষণা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে।

আজ বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) বাস্তবায়নাধীন ‘মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন (প্রথম সংশোধিত)’-শীর্ষক উন্নয়ন প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মহিষ পালনকে জনপ্রিয় করার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, উন্নত দেশগুলোতে মহিষের দুধ একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। আমাদের দেশের চরাঞ্চলে তুলনামূলকভাবে কৃষিকাজ কম হয়। সেখানে লবণাক্ত মাটির উপযোগী লবণ-সহিষ্ণু ঘাসের চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে মহিষ পালন বিকাশের ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি হবে। তবে ভবিষ্যতে কৃষি জমির ওপর চাপ বৃদ্ধি পাবে। তাই সীমিত জায়গায় কীভাবে লাভজনকভাবে মহিষ পালন করা যায়, সে বিষয়ে আরো গবেষণা প্রয়োজন।

এর আগে সকালে মন্ত্রী বিএলআরআইতে পৌঁছে প্রতিষ্ঠানটির ছাগল গবেষণা খামার পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বলেন, ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য ও গৌরবের অংশ। আমরা দেশব্যাপী ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের বিস্তার ও উন্নয়নে কাজ করতে চাই।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষিত বেকার তরুণদের কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল পালন ও খামার স্থাপনে বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে হবে। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি দেশের প্রাণিসম্পদ খাত আরো সমৃদ্ধ হবে।

বিএলআরআই-এর মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান। এ সময় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এবং প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ও অর্জন তুলে ধরেন প্রকল্প পরিচালক এবং বিএলআরআইয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. গৌতম কুমার দেব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

আগামীতে গবেষণা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হবে: কৃষিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৮:২২:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, আগামীতে গবেষণা খাতে আরও বেশি বরাদ্দ দেওয়া হবে। গবেষণা ছাড়া দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। গবেষণার ক্ষেত্রে সরকার কোনো কার্পণ্য করবে না। তবে প্রকৃত অর্থে গবেষণা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে।

আজ বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) বাস্তবায়নাধীন ‘মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন (প্রথম সংশোধিত)’-শীর্ষক উন্নয়ন প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মহিষ পালনকে জনপ্রিয় করার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, উন্নত দেশগুলোতে মহিষের দুধ একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। আমাদের দেশের চরাঞ্চলে তুলনামূলকভাবে কৃষিকাজ কম হয়। সেখানে লবণাক্ত মাটির উপযোগী লবণ-সহিষ্ণু ঘাসের চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে মহিষ পালন বিকাশের ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি হবে। তবে ভবিষ্যতে কৃষি জমির ওপর চাপ বৃদ্ধি পাবে। তাই সীমিত জায়গায় কীভাবে লাভজনকভাবে মহিষ পালন করা যায়, সে বিষয়ে আরো গবেষণা প্রয়োজন।

এর আগে সকালে মন্ত্রী বিএলআরআইতে পৌঁছে প্রতিষ্ঠানটির ছাগল গবেষণা খামার পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বলেন, ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য ও গৌরবের অংশ। আমরা দেশব্যাপী ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের বিস্তার ও উন্নয়নে কাজ করতে চাই।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষিত বেকার তরুণদের কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল পালন ও খামার স্থাপনে বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে হবে। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি দেশের প্রাণিসম্পদ খাত আরো সমৃদ্ধ হবে।

বিএলআরআই-এর মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান। এ সময় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এবং প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ও অর্জন তুলে ধরেন প্রকল্প পরিচালক এবং বিএলআরআইয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. গৌতম কুমার দেব।