ঢাকা ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

জিয়াউর রহমানকে স্মরণের সর্বোত্তম উপায় তাঁর আদর্শ অনুসরণ : ড. মঈন খান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০২:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ১১২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান এমপি বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করার সর্বোত্তম উপায় হলো তাঁর জীবনের আদর্শ, কর্মপদ্ধতি ও বিশ্বাসকে অনুসরণ করা।

তিনি বলেন, আমরা যদি জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করতে পারি, তাহলে সত্যিকার অর্থে তাঁকে সম্মান জানানো হবে এবং একই সঙ্গে বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।

আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. মঈন খান বলেন, জিয়াউর রহমানের জীবনাদর্শ ছিল ন্যায়ের পক্ষে, তাঁর কর্মপদ্ধতি ছিল উন্নয়ন এবং তাঁর বিশ্বাস ছিল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ।

তিনি বলেন, দেশের এক সংকটময় সময়ে জিয়াউর রহমান নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। পরবর্তীকালে মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তিনি বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সময়কালে দেশে মানুষের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মতপ্রকাশের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছিল। সেই পরিস্থিতি থেকে দেশকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান নেতৃত্বের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

মঈন খান বলেন, মাত্র সাড়ে তিন বছরে জিয়াউর রহমান যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে সক্ষম হন। তিনি তৃণমূলের মানুষকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করেন এবং কৃষি, শ্রম ও প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান দেশের জনশক্তিকে সবচেয়ে বড় সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করতেন। তিনি বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে অর্থনীতির ভিত্তি শক্তিশালী করেন। একই সঙ্গে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে নেন। শ্রমজীবী মানুষের উন্নয়নে জিয়াউর রহমান বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি নিজেকে একজন শ্রমিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার কথা বলেছিলেন।

বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, জিয়াউর রহমান প্রাসাদকেন্দ্রিক রাজনীতি করেননি; বরং গ্রাম-গঞ্জের মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। এ কারণেই দেশের মানুষ তাঁকে রাখাল রাজা উপাধিতে ভূষিত করেছিল।

আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান অবদানের প্রসঙ্গ তুলে ধরে ড. মঈন খান বলেন, তিনি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন ধারা সংযোজন করেন এবং বিশ্ব অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।

নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের জীবন, কর্ম ও অর্জনের ইতিহাস জানতে হবে এবং সেখান থেকে শিক্ষা নিতে হবে।

ড. মঈন খান সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার অবদানের কথা স্মরণ করেন এবং বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে বিশ্বে আরও সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

জিয়াউর রহমানকে স্মরণের সর্বোত্তম উপায় তাঁর আদর্শ অনুসরণ : ড. মঈন খান

আপডেট সময় : ০৯:০২:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান এমপি বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করার সর্বোত্তম উপায় হলো তাঁর জীবনের আদর্শ, কর্মপদ্ধতি ও বিশ্বাসকে অনুসরণ করা।

তিনি বলেন, আমরা যদি জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করতে পারি, তাহলে সত্যিকার অর্থে তাঁকে সম্মান জানানো হবে এবং একই সঙ্গে বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।

আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. মঈন খান বলেন, জিয়াউর রহমানের জীবনাদর্শ ছিল ন্যায়ের পক্ষে, তাঁর কর্মপদ্ধতি ছিল উন্নয়ন এবং তাঁর বিশ্বাস ছিল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ।

তিনি বলেন, দেশের এক সংকটময় সময়ে জিয়াউর রহমান নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। পরবর্তীকালে মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তিনি বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সময়কালে দেশে মানুষের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মতপ্রকাশের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছিল। সেই পরিস্থিতি থেকে দেশকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান নেতৃত্বের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

মঈন খান বলেন, মাত্র সাড়ে তিন বছরে জিয়াউর রহমান যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে সক্ষম হন। তিনি তৃণমূলের মানুষকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করেন এবং কৃষি, শ্রম ও প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান দেশের জনশক্তিকে সবচেয়ে বড় সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করতেন। তিনি বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে অর্থনীতির ভিত্তি শক্তিশালী করেন। একই সঙ্গে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে নেন। শ্রমজীবী মানুষের উন্নয়নে জিয়াউর রহমান বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি নিজেকে একজন শ্রমিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার কথা বলেছিলেন।

বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, জিয়াউর রহমান প্রাসাদকেন্দ্রিক রাজনীতি করেননি; বরং গ্রাম-গঞ্জের মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। এ কারণেই দেশের মানুষ তাঁকে রাখাল রাজা উপাধিতে ভূষিত করেছিল।

আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান অবদানের প্রসঙ্গ তুলে ধরে ড. মঈন খান বলেন, তিনি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন ধারা সংযোজন করেন এবং বিশ্ব অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।

নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের জীবন, কর্ম ও অর্জনের ইতিহাস জানতে হবে এবং সেখান থেকে শিক্ষা নিতে হবে।

ড. মঈন খান সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার অবদানের কথা স্মরণ করেন এবং বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে বিশ্বে আরও সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।