ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




১ মিনিট অন্ধকার থাকবে বাংলাদেশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৫:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯ ১৬ বার পড়া হয়েছে

ছবি : সংগৃহীত

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে পৃথিবীর ইতিহাসে নৃশংসতম গণহত্যা চালিয়েছিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। সেই নৃশংসতম গণহত্যার স্মরণে আজ রাত ৯টা থেকে ৯টা ১ মিনিট পর্যন্ত দেশজুড়ে চলবে ১ মিনিটের প্রতীকী ‘ব্ল্যাকআউট’ তথা ‘নীরবতা’ পালন কর্মসূচি।

এ সময় কেপিআইভুক্ত এলাকা (জরুরি স্থাপনা) ও চলমান যানবাহন ছাড়া সারাদেশের মানুষ দাঁড়িয়ে ও সব আলো নিভিয়ে একসঙ্গে নীরবতা পালন করবে। গোটা জাতি গভীর শ্রদ্ধা আর অবনতমস্তকে স্মরণ করবে সেই মানুষদের, যারা একাত্তরের ২৫ মার্চের ভয়াল কালরাতে পাকিস্তানি সেনাদের হাতে নির্মমভাবে নিহত হয়েছিলেন।

২০১৭ সালের ১১ মার্চ জাতীয় সংসদে ২৫ মার্চকে ‘জাতীয় গণহত্যা দিবস’ হিসেবে পালনের প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। এর পর থেকেই দিনটি জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।

এদিকে দিনটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলাদা আলাদা বাণী দিয়েছেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ভয়াল সেই রাতে গণহত্যার শিকার অগণিত শহীদকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




error: Content is protected !!

১ মিনিট অন্ধকার থাকবে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১১:৪৫:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯

ছবি : সংগৃহীত

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে পৃথিবীর ইতিহাসে নৃশংসতম গণহত্যা চালিয়েছিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। সেই নৃশংসতম গণহত্যার স্মরণে আজ রাত ৯টা থেকে ৯টা ১ মিনিট পর্যন্ত দেশজুড়ে চলবে ১ মিনিটের প্রতীকী ‘ব্ল্যাকআউট’ তথা ‘নীরবতা’ পালন কর্মসূচি।

এ সময় কেপিআইভুক্ত এলাকা (জরুরি স্থাপনা) ও চলমান যানবাহন ছাড়া সারাদেশের মানুষ দাঁড়িয়ে ও সব আলো নিভিয়ে একসঙ্গে নীরবতা পালন করবে। গোটা জাতি গভীর শ্রদ্ধা আর অবনতমস্তকে স্মরণ করবে সেই মানুষদের, যারা একাত্তরের ২৫ মার্চের ভয়াল কালরাতে পাকিস্তানি সেনাদের হাতে নির্মমভাবে নিহত হয়েছিলেন।

২০১৭ সালের ১১ মার্চ জাতীয় সংসদে ২৫ মার্চকে ‘জাতীয় গণহত্যা দিবস’ হিসেবে পালনের প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। এর পর থেকেই দিনটি জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।

এদিকে দিনটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলাদা আলাদা বাণী দিয়েছেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ভয়াল সেই রাতে গণহত্যার শিকার অগণিত শহীদকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেছেন।