ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

এক দশকে ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে ৭৮ ভাগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২২:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯ ২৩৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গত এক দশকে দেশে ইলিশের উৎপাদন ৭৮ ভাগ বেড়েছে। একসময় দেশের মাত্র ২১টি উপজেলার নদীতে ইলিশ পাওয়া যেত। এখন ১২৫টি উপজেলার নদীতে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। ইলিশের বংশ রক্ষা ও বৃদ্ধির জন্য প্রজননের ক্ষেত্রসহ জাটকার বিচরণক্ষেত্র রক্ষা এবং সকল অবৈধ জালের কারখানা বন্ধ করতে হবে।

জাতীয় জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ- ২০১৯ এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) উদ্যোগে চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ‘ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধিতে অভয়াশ্রমের প্রভাব, মজুত নিরূপণ এবং জাটকা সংরক্ষণে গবেষণা অগ্রগতির পর্যালোচনা’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

বক্তারা জাটকার যথাযথ বৃদ্ধি ও মা-ইলিশের প্রজননের স্বার্থে দেশের সাত হাজার বর্গ কিলোমিটার বেষ্টিত ছয়টি অভয়াশ্রম রক্ষার প্রয়োজনের ওপর জোর দিয়ে বলেন, এসব প্রধান প্রজনন কেন্দ্রের পাঁচটিতে মার্চ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস এবং আন্ধারমানিকের অভয়াশ্রমে নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাস জাটকাসহ সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ করার ফলে ইলিশের গড় আকার ও ওজনসহ প্রাকৃতিক প্রজননের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় আমরা এখন বড় বড় ইলিশ পাচ্ছি।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং প্রধান বক্তা হিসেবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু বক্তৃতা করেন।

প্রধান অতিথি চাঁদপুরসহ দেশের ইলিশের সব অভয়াশ্রমে অবৈধ জালের মাধ্যমে মাছ শিকারের বিরুদ্ধে গণসচেতনতাসহ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় গত ১০ বছরে ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে ৭৮ শতাংশ।

প্রতিমন্ত্রী খসরু জাটকার পাশাপাশি মা-ইলিশের যথাযথ সংরক্ষণে প্রশাসনসহ জেলেদের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, জাটকা ধরা বন্ধের আট মাস এবং মা-ইলিশ ধরা বন্ধের ২২ দিন জেলেদের খাদ্য সহায়তাসহ বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থার পরও ইলিশের ক্ষতির জন্য যারা অবৈধ জাল উৎপাদন করে জেলেদের বিপথে চালায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি জাল উৎপাদক ও দাদনদারদের খপ্পরে না পড়ার জন্য জেলেদের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে দুটি মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আশরাফুল আলম ও মৎস্য অধিদফতরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন।

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডিজি ড. ইয়াহিয়া মাহমুদের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের সচিব রইছ-উল আলম মণ্ডল ও মৎস্য অধিদফতরের ডিজি আবু সাইদ মো. রাশেদুল হক বক্তব্য রাখেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

এক দশকে ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে ৭৮ ভাগ

আপডেট সময় : ০৪:২২:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গত এক দশকে দেশে ইলিশের উৎপাদন ৭৮ ভাগ বেড়েছে। একসময় দেশের মাত্র ২১টি উপজেলার নদীতে ইলিশ পাওয়া যেত। এখন ১২৫টি উপজেলার নদীতে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। ইলিশের বংশ রক্ষা ও বৃদ্ধির জন্য প্রজননের ক্ষেত্রসহ জাটকার বিচরণক্ষেত্র রক্ষা এবং সকল অবৈধ জালের কারখানা বন্ধ করতে হবে।

জাতীয় জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ- ২০১৯ এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) উদ্যোগে চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ‘ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধিতে অভয়াশ্রমের প্রভাব, মজুত নিরূপণ এবং জাটকা সংরক্ষণে গবেষণা অগ্রগতির পর্যালোচনা’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

বক্তারা জাটকার যথাযথ বৃদ্ধি ও মা-ইলিশের প্রজননের স্বার্থে দেশের সাত হাজার বর্গ কিলোমিটার বেষ্টিত ছয়টি অভয়াশ্রম রক্ষার প্রয়োজনের ওপর জোর দিয়ে বলেন, এসব প্রধান প্রজনন কেন্দ্রের পাঁচটিতে মার্চ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস এবং আন্ধারমানিকের অভয়াশ্রমে নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাস জাটকাসহ সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ করার ফলে ইলিশের গড় আকার ও ওজনসহ প্রাকৃতিক প্রজননের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় আমরা এখন বড় বড় ইলিশ পাচ্ছি।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং প্রধান বক্তা হিসেবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু বক্তৃতা করেন।

প্রধান অতিথি চাঁদপুরসহ দেশের ইলিশের সব অভয়াশ্রমে অবৈধ জালের মাধ্যমে মাছ শিকারের বিরুদ্ধে গণসচেতনতাসহ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় গত ১০ বছরে ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে ৭৮ শতাংশ।

প্রতিমন্ত্রী খসরু জাটকার পাশাপাশি মা-ইলিশের যথাযথ সংরক্ষণে প্রশাসনসহ জেলেদের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, জাটকা ধরা বন্ধের আট মাস এবং মা-ইলিশ ধরা বন্ধের ২২ দিন জেলেদের খাদ্য সহায়তাসহ বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থার পরও ইলিশের ক্ষতির জন্য যারা অবৈধ জাল উৎপাদন করে জেলেদের বিপথে চালায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি জাল উৎপাদক ও দাদনদারদের খপ্পরে না পড়ার জন্য জেলেদের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে দুটি মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আশরাফুল আলম ও মৎস্য অধিদফতরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন।

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডিজি ড. ইয়াহিয়া মাহমুদের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের সচিব রইছ-উল আলম মণ্ডল ও মৎস্য অধিদফতরের ডিজি আবু সাইদ মো. রাশেদুল হক বক্তব্য রাখেন।