ঢাকা ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ১৭ মার্চ ও ২৬ মার্চের আহ্বায়কসহ তিনজনকে প্রত্যাহারের আহ্বান কুবি শিক্ষক সমিতির Logo সিলেটে সাইবার ট্রাইব্যুনালে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের Logo ড. ইউনূসের মামলা পর্যবেক্ষণ করছে জাতিসংঘ Logo কাভার্ডভ্যান ও অটোরিকশার সংঘর্ষে ছাত্র নিহত, আহত ৩ Logo রাজশাহীতে যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫ Logo এবার ঢাবি অধ্যাপক নাদিরের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ  Logo সন্দ্বীপ থানার ওসির পিপিএম পদক লাভ Logo মালয়েশিয়ায় ১৩৪ বাংলাদেশি গ্রেফতার Logo শাবির ছাত্রীহলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্থাপন, কমবে চুরি ও বহিরাগত প্রবেশ, বাড়বে নিরাপত্তা Logo গণতন্ত্র মঞ্চের কর্মসূচিতে হামলার নিন্দা ১২ দলীয় জোটের




চীনে ৩৫ দিনে করোনায় মৃত্যু ৬০ হাজার

আন্তজার্তিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:২৮:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৩ ১০৮ বার পড়া হয়েছে

গত ৩৫ দিনে দেশজুড়ে প্রায় ৬০ হাজার করোনা-সম্পর্কিত মৃত্যুর হয়েছে বলে জানিয়েছে চীনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। যা ডিসেম্বরের শুরুতে ভাইরাসের বিধিনিষেধ শিথিল করার পর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম বড় মৃত্যুর সংখ্যা।

শনিবার চীনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের অধীনে ব্যুরোর অফ মেডিক্যাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান জিয়াও ইয়াহুই এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, চীনে ৮ ডিসেম্বর, ২০২২ থেকে এই বছরের ১২ জানুয়ারির পর্যন্ত কোভিড-সংক্রান্ত ৫৯ হাজার ৯৩৮ জন মৃত্যুর রেকর্ড করা হয়েছে।

পরিসংখ্যানে সরাসরি ভাইরাসের কারণে শ্বাসযন্ত্রের ব্যর্থতার কারণে ৫ হাজার ৫০৩ জন মৃত্যু এবং কোভিডের সাথে মিলিত অন্তর্নিহিত রোগের কারণে ৫৪ হাজার ৪৩৫ জনের মৃত্যু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছেন জিয়াও।

এদিকে পরিসংখ্যানটি শুধুমাত্র চিকিৎসা সুবিধায় রেকর্ডকৃত মৃত্যুর উল্লেখ করে, মোট সংখ্যা আরও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শনিবার চীনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেছেন, যারা মারা গেছেন তাদের গড় বয়স ৮০.৩ বছর এবং ৯০ শতাংশের বেশি মৃত্যু হয়েছে ৬৫ বছরের বেশি বয়সী। তাদের বেশিরভাগই শ্বাসযন্ত্রে সমস্যায় ভুগছিলেন।

চীনের বিরুদ্ধে ডিসেম্বরের শুরুতে শূন্য-কোভিড নীতি তুলে নেয়ার পর থেকে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা লুকানো অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে দেশটি স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বুধবার জোর দিয়েছিলেন, সঠিক সংখ্যা নিয়ে চিন্তা করা প্রয়োজনীয় নয়।

এছাড়াও চীন করোনার বাড়বাড়ন্তের মাঝেই করোনায় মৃতের সংখ্যা গণনায় পরিবর্তন করা হয়। চীন সরকারের এক বিবৃতি জানানো হয়েছে, করোনা আক্রান্তদের মধ্যে যাদের ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে শ্বাসযন্ত্রের ব্যর্থতার কারণে মৃত্যু হবে, তাদেরই করোনায় মৃত বলে গণ্য করা হবে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে বলেছিল, নতুন সংজ্ঞাটি খুব সংকীর্ণ।

এদিকে, চীনে ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়ছে করোনা সংক্রমণ। চীনের পেকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত চীনের জনসংখ্যার ৬৪ শতাংশ বা ৯০ কোটিও বেশি মানুষ করোনাভাইরাস সংক্রমিত হয়েছেন।

ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, পেকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় সংক্রমণের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে চীনের গানসু প্রদেশ। সেখানকার ৯১ শতাংশ মানুষেরই কোভিড শনাক্ত হয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইয়ুনান প্রদেশ। সেখানে কোভিড আক্রান্ত হয়েছে ৮৪ শতাংশ মানুষ। তৃতীয় অবস্থানে আছে কিংঘাই প্রদেশ, যেখানে আক্রান্ত ৮০ শতাংশ।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




চীনে ৩৫ দিনে করোনায় মৃত্যু ৬০ হাজার

আপডেট সময় : ১১:২৮:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৩

গত ৩৫ দিনে দেশজুড়ে প্রায় ৬০ হাজার করোনা-সম্পর্কিত মৃত্যুর হয়েছে বলে জানিয়েছে চীনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। যা ডিসেম্বরের শুরুতে ভাইরাসের বিধিনিষেধ শিথিল করার পর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম বড় মৃত্যুর সংখ্যা।

শনিবার চীনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের অধীনে ব্যুরোর অফ মেডিক্যাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান জিয়াও ইয়াহুই এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, চীনে ৮ ডিসেম্বর, ২০২২ থেকে এই বছরের ১২ জানুয়ারির পর্যন্ত কোভিড-সংক্রান্ত ৫৯ হাজার ৯৩৮ জন মৃত্যুর রেকর্ড করা হয়েছে।

পরিসংখ্যানে সরাসরি ভাইরাসের কারণে শ্বাসযন্ত্রের ব্যর্থতার কারণে ৫ হাজার ৫০৩ জন মৃত্যু এবং কোভিডের সাথে মিলিত অন্তর্নিহিত রোগের কারণে ৫৪ হাজার ৪৩৫ জনের মৃত্যু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছেন জিয়াও।

এদিকে পরিসংখ্যানটি শুধুমাত্র চিকিৎসা সুবিধায় রেকর্ডকৃত মৃত্যুর উল্লেখ করে, মোট সংখ্যা আরও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শনিবার চীনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেছেন, যারা মারা গেছেন তাদের গড় বয়স ৮০.৩ বছর এবং ৯০ শতাংশের বেশি মৃত্যু হয়েছে ৬৫ বছরের বেশি বয়সী। তাদের বেশিরভাগই শ্বাসযন্ত্রে সমস্যায় ভুগছিলেন।

চীনের বিরুদ্ধে ডিসেম্বরের শুরুতে শূন্য-কোভিড নীতি তুলে নেয়ার পর থেকে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা লুকানো অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে দেশটি স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বুধবার জোর দিয়েছিলেন, সঠিক সংখ্যা নিয়ে চিন্তা করা প্রয়োজনীয় নয়।

এছাড়াও চীন করোনার বাড়বাড়ন্তের মাঝেই করোনায় মৃতের সংখ্যা গণনায় পরিবর্তন করা হয়। চীন সরকারের এক বিবৃতি জানানো হয়েছে, করোনা আক্রান্তদের মধ্যে যাদের ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে শ্বাসযন্ত্রের ব্যর্থতার কারণে মৃত্যু হবে, তাদেরই করোনায় মৃত বলে গণ্য করা হবে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে বলেছিল, নতুন সংজ্ঞাটি খুব সংকীর্ণ।

এদিকে, চীনে ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়ছে করোনা সংক্রমণ। চীনের পেকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত চীনের জনসংখ্যার ৬৪ শতাংশ বা ৯০ কোটিও বেশি মানুষ করোনাভাইরাস সংক্রমিত হয়েছেন।

ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, পেকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় সংক্রমণের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে চীনের গানসু প্রদেশ। সেখানকার ৯১ শতাংশ মানুষেরই কোভিড শনাক্ত হয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইয়ুনান প্রদেশ। সেখানে কোভিড আক্রান্ত হয়েছে ৮৪ শতাংশ মানুষ। তৃতীয় অবস্থানে আছে কিংঘাই প্রদেশ, যেখানে আক্রান্ত ৮০ শতাংশ।