ঢাকা ১০:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রতারনার শিকার ছাত্রলীগ নেতার প্রেসক্লাব চত্বরে আত্মহত্যার চেষ্টা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৩:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জুলাই ২০২২ ৩১২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নিজের শরীরে আগুন দিয়ে এক ব্যক্তি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। সোমবার (৪ জুলাই) বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মওদুত হাওলাদার।

জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে নিজ শরীরে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করা ব্যক্তি কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মো. আনিসুর রহমান (গাজী আনিস)। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজধানীর শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার (৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে এই ঘটনা ঘটে। এসময় প্রেসক্লাবে উপস্থিত সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও তার শরীরের বেশ কিছু অংশ পুড়ে যায়।

জানা যায়, গাজী আনিস কুষ্টিয়া জেলার বাসিন্দা। হেনোলাক্স নামক এক কোম্পানিতে লগ্নি করেন এক কোটি ২৬ লাখ টাকা। পরে তিনি বুঝতে পারেন প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। এতে সেই কোম্পানির সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা করেও টাকা ফেরত না পাওয়ায় তিনি আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন।

উপস্থিত স্থানীয় এবং সাংবাদিকদের বরাতে জানা যায়, তিনি কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি। যদিও কেউ কেউ বলছেন জেলা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, এই ব্যক্তি হঠাৎ কিছু বুঝে উঠার আগেই বোতলে নিয়ে আসা তেল নিজের গায়ে দিতে থাকেন। যেখানে কেরোসিন থাকতে পারে। পরে নিজেই আগুন লাগিয়ে দেন শরীরে। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে শরীরে। পরে উপস্থিত লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলেও শরীরের বেশ কিছু অংশ পুড়ে গেছে। পরে পুলিশ এসে এই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এর আগে একাধিকবার পাওনা টাকা ফিরে পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন গাজী আনিস। গত ৩১ মে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে আনিসুর রহমান (গাজী আনিস) বলেন, আমি মো.আনিসুর রহমান (গাজী আনিস) একজন কবিতাপ্রেমিক মানুষ। নিজে ভালো কবিতা লিখতে না জানলেও ভীষণভাবে কবিতা ভালোবাসি। এছাড়াও আমি একজন ব্যবসায়ী। জীবনে প্রচুর রোজগার করেছি।

গাজী আনিস বলেন, আমার রোজগারের সবচেয়ে বড় অংশ স্থানীয় স্কুল মাদরাসা মসজিদ এবং অসহায় দুস্থ মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছি। সেই সাথে নিজেও সুখী স্বাচ্ছন্দ্যময় এবং সৎ জীবন যাপন করেছি। আমি তিনটি কন্যা সন্তানের জনক। আমার বড় মেয়ে মেধা রহমান আঁচল এবার এইচএসসি পরীক্ষার্থী, মেঝ মেয়ে প্রতিভা রহমান অহনা এসএসসি পরীক্ষার্থী এবং ছোট মেয়ে জয়িতা রহমান অবনী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত।

গাজী আনিস অভিযোগ করেন, ২০১৬ সালে হেনোলাক্স গ্রুপের কর্ণধার মো. নুরুল আমিন এবং তার স্ত্রী ফাতেমা আমিনের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের সাথে আমার সখ্যতা এবং আন্তরিকতা গড়ে ওঠে। আমি কুষ্টিয়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেছি এবং কুষ্টিয়া শহরেই বসবাস করি।
তবে প্রতি মাসেই নিজের প্রয়োজনে ঢাকা এলে তাদের সাথে আমার সার্বক্ষণিক যোগাযোগ হতো এবং উপহার বিনিময় ও ভালো রেস্তোরাঁয় আমরা একসাথে খাওয়া দাওয়া করতাম এবং বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে যেতাম। যেহেতু আমি স্বাচ্ছন্দ দিনযাপনে অভ্যস্ত এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী নিজস্ব গাড়িতেই সবসময় যাতায়াত করি। আমি মো. নুরুল আমিন এবং ফাতেমা আমিনের সঙ্গে নিজের খরচায় দেশের বাইরেও একাধিকবার বেড়াতে গিয়েছি।

ছাত্রলীগের সাবেক নেতা বলেন, ২০১৮ সালে কলকাতা হোটেল বালাজীতে একইসাথে অবস্থানকালে উনারা আমাকে হেনোলাক্স গ্রুপে বিনিয়োগের এবং যথেষ্ট লাভবান হওয়ার সুযোগ আছে বলে জানান। আমি প্রথমে অসন্মতি জ্ঞাপন করলেও পরবর্তীতে রাজি হই এবং প্রাথমিকভাবে এক কোটি টাকা বিনিয়োগ করি। পরবর্তীতে তাদের পীড়াপীড়িতে আরও ছাব্বিশ লাখ টাকা বিনিয়োগ করি (অধিকাংশ টাকা ঋণ হিসেবে আত্মীয় স্বজন বন্ধু বান্ধবের কাছ থেকে নেওয়া)। বিনিয়োগ করার সময় পরস্পরের প্রতি সম্মান এবং বিশ্বাসের কারণে এবং তাদের অনুরোধে চূড়ান্ত রেজিস্ট্রি চুক্তি করা হয়নি তবে প্রাথমিক চুক্তি করা হয়েছে। বিনিয়োগ পরবর্তী চূড়ান্ত রেজিস্ট্রি চুক্তিপত্র সম্পাদন করার জন্য বারবার অনুরোধ করি, কিন্তু উনারা গড়িমসি করতে থাকেন। এক পর্যায়ে উনারা প্রতিমাসে যে লভ্যাংশ প্রদান করতেন সেটাও বন্ধ করে দেন এবং কয়েকবার উনাদের লোকজন দ্বারা আমাকে হেনস্তা ব্ল্যাকমেইল করেন এবং করার চেষ্টা করেন। বর্তমানে লভ্যাংশ’সহ আমার ন্যায্য পাওনা তিন কোটি টাকার অধিক।

লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, এ বিষয়ে কুষ্টিয়া আদালতে অভিযুক্তদের আসামি করে দুইটি মামলা দায়ের করা হয়। ভীষণ মানসিক কষ্টে আমি উল্লিখিত তথ্যাদি উপস্থাপন করলাম। আমার সামনে বিকল্প পথ না থাকায় ফেসবুকেও সবাইকে জানালাম।

শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ওই রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। তার মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় দগ্ধের চিহ্ন রয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

প্রতারনার শিকার ছাত্রলীগ নেতার প্রেসক্লাব চত্বরে আত্মহত্যার চেষ্টা

আপডেট সময় : ০৮:৩৩:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জুলাই ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নিজের শরীরে আগুন দিয়ে এক ব্যক্তি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। সোমবার (৪ জুলাই) বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মওদুত হাওলাদার।

জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে নিজ শরীরে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করা ব্যক্তি কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মো. আনিসুর রহমান (গাজী আনিস)। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজধানীর শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার (৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে এই ঘটনা ঘটে। এসময় প্রেসক্লাবে উপস্থিত সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও তার শরীরের বেশ কিছু অংশ পুড়ে যায়।

জানা যায়, গাজী আনিস কুষ্টিয়া জেলার বাসিন্দা। হেনোলাক্স নামক এক কোম্পানিতে লগ্নি করেন এক কোটি ২৬ লাখ টাকা। পরে তিনি বুঝতে পারেন প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। এতে সেই কোম্পানির সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা করেও টাকা ফেরত না পাওয়ায় তিনি আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন।

উপস্থিত স্থানীয় এবং সাংবাদিকদের বরাতে জানা যায়, তিনি কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি। যদিও কেউ কেউ বলছেন জেলা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, এই ব্যক্তি হঠাৎ কিছু বুঝে উঠার আগেই বোতলে নিয়ে আসা তেল নিজের গায়ে দিতে থাকেন। যেখানে কেরোসিন থাকতে পারে। পরে নিজেই আগুন লাগিয়ে দেন শরীরে। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে শরীরে। পরে উপস্থিত লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলেও শরীরের বেশ কিছু অংশ পুড়ে গেছে। পরে পুলিশ এসে এই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এর আগে একাধিকবার পাওনা টাকা ফিরে পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন গাজী আনিস। গত ৩১ মে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে আনিসুর রহমান (গাজী আনিস) বলেন, আমি মো.আনিসুর রহমান (গাজী আনিস) একজন কবিতাপ্রেমিক মানুষ। নিজে ভালো কবিতা লিখতে না জানলেও ভীষণভাবে কবিতা ভালোবাসি। এছাড়াও আমি একজন ব্যবসায়ী। জীবনে প্রচুর রোজগার করেছি।

গাজী আনিস বলেন, আমার রোজগারের সবচেয়ে বড় অংশ স্থানীয় স্কুল মাদরাসা মসজিদ এবং অসহায় দুস্থ মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছি। সেই সাথে নিজেও সুখী স্বাচ্ছন্দ্যময় এবং সৎ জীবন যাপন করেছি। আমি তিনটি কন্যা সন্তানের জনক। আমার বড় মেয়ে মেধা রহমান আঁচল এবার এইচএসসি পরীক্ষার্থী, মেঝ মেয়ে প্রতিভা রহমান অহনা এসএসসি পরীক্ষার্থী এবং ছোট মেয়ে জয়িতা রহমান অবনী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত।

গাজী আনিস অভিযোগ করেন, ২০১৬ সালে হেনোলাক্স গ্রুপের কর্ণধার মো. নুরুল আমিন এবং তার স্ত্রী ফাতেমা আমিনের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের সাথে আমার সখ্যতা এবং আন্তরিকতা গড়ে ওঠে। আমি কুষ্টিয়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেছি এবং কুষ্টিয়া শহরেই বসবাস করি।
তবে প্রতি মাসেই নিজের প্রয়োজনে ঢাকা এলে তাদের সাথে আমার সার্বক্ষণিক যোগাযোগ হতো এবং উপহার বিনিময় ও ভালো রেস্তোরাঁয় আমরা একসাথে খাওয়া দাওয়া করতাম এবং বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে যেতাম। যেহেতু আমি স্বাচ্ছন্দ দিনযাপনে অভ্যস্ত এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী নিজস্ব গাড়িতেই সবসময় যাতায়াত করি। আমি মো. নুরুল আমিন এবং ফাতেমা আমিনের সঙ্গে নিজের খরচায় দেশের বাইরেও একাধিকবার বেড়াতে গিয়েছি।

ছাত্রলীগের সাবেক নেতা বলেন, ২০১৮ সালে কলকাতা হোটেল বালাজীতে একইসাথে অবস্থানকালে উনারা আমাকে হেনোলাক্স গ্রুপে বিনিয়োগের এবং যথেষ্ট লাভবান হওয়ার সুযোগ আছে বলে জানান। আমি প্রথমে অসন্মতি জ্ঞাপন করলেও পরবর্তীতে রাজি হই এবং প্রাথমিকভাবে এক কোটি টাকা বিনিয়োগ করি। পরবর্তীতে তাদের পীড়াপীড়িতে আরও ছাব্বিশ লাখ টাকা বিনিয়োগ করি (অধিকাংশ টাকা ঋণ হিসেবে আত্মীয় স্বজন বন্ধু বান্ধবের কাছ থেকে নেওয়া)। বিনিয়োগ করার সময় পরস্পরের প্রতি সম্মান এবং বিশ্বাসের কারণে এবং তাদের অনুরোধে চূড়ান্ত রেজিস্ট্রি চুক্তি করা হয়নি তবে প্রাথমিক চুক্তি করা হয়েছে। বিনিয়োগ পরবর্তী চূড়ান্ত রেজিস্ট্রি চুক্তিপত্র সম্পাদন করার জন্য বারবার অনুরোধ করি, কিন্তু উনারা গড়িমসি করতে থাকেন। এক পর্যায়ে উনারা প্রতিমাসে যে লভ্যাংশ প্রদান করতেন সেটাও বন্ধ করে দেন এবং কয়েকবার উনাদের লোকজন দ্বারা আমাকে হেনস্তা ব্ল্যাকমেইল করেন এবং করার চেষ্টা করেন। বর্তমানে লভ্যাংশ’সহ আমার ন্যায্য পাওনা তিন কোটি টাকার অধিক।

লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, এ বিষয়ে কুষ্টিয়া আদালতে অভিযুক্তদের আসামি করে দুইটি মামলা দায়ের করা হয়। ভীষণ মানসিক কষ্টে আমি উল্লিখিত তথ্যাদি উপস্থাপন করলাম। আমার সামনে বিকল্প পথ না থাকায় ফেসবুকেও সবাইকে জানালাম।

শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ওই রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। তার মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় দগ্ধের চিহ্ন রয়েছে।