• ১৭ই সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২রা আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

গণপরিবহন না থাকায় রাজপথে ভ্যানই ভরসা

সকালের সংবাদ ডেস্ক;
প্রকাশিত জুলাই ৮, ২০২১, ১৩:১৪ অপরাহ্ণ
গণপরিবহন না থাকায় রাজপথে ভ্যানই ভরসা

সাকালের সংবাদ ডেস্ক: রাজধানী ঢাকার সড়কগুলোতে মানুষের উপস্থিতি বেশি দেখা গেছে। ট্রাফিক সিগন্যালগুলোতে দেখা গেছে যানবাহনের ভিড়। যা গত কয়েক দিন দেখা যায়নি। লকডাউনের অষ্টম দিন (৮ জুলাই) সকালে প্রতিটি সিগন্যালে এক থেকে দুই মিনিট করে অপেক্ষা করতে হচ্ছে যানবহানগুলোকে। এসময় রিকশার পাশাপাশি বেশ কিছু ভ্যানকে পণ্য পরিবহন বাদ দিয়ে যাত্রী পরিবহন করতে দেখা গেছে। সড়কে বের হওয়া মানুষের অধিকাংশই হচ্ছেন কর্মজীবী মানুষ। চেকপোস্টগুলোতেও দেখা গেছে যানবাহনের জট। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী প্রায় প্রতিটি বাহনকেই জেরা করছেন। সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

206019138_248216213432431_4904866045651016703_n
অফিসগামী যাত্রী নিয়ে ছুটছে ভ্যান

সকালে খিলগাঁও রেলগেট এলাকায় গিয়ে দিয়ে দেখা গেছে কয়েকজন পুলিশ থাকলেও তারা কোনও কড়াকড়ি করছেন না। রিকশা আর ভ্যানে করে মানুষ নিজের গন্তব্যে যাচ্ছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন বিভিন্ন ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারী। লকডাউনের শর্ত অনুযায়ী এসব কর্মীদের জন্য নিজস্ব যানবাহনের ব্যবস্থা করার কথা থাকলেও কেউ তা করেনি। ফলে রিকশা বা হেঁটেই তারা গন্তব্যে যাচ্ছেন। এ সুযোগে যাত্রীদের কাছ থেকে রিকশা ও ভ্যানগুলো অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে।

স্বাভাবিক সময়ে নগরীর ফকিরাপুল পানির টাঙ্কির সামনে অনেক ভ্যান গাড়ি দেখা যেতো। কিন্তু লকডাউনের কারণে তারা কোনও ট্রিপ পাচ্ছেন না। ফলে প্রতিদিন অফিস সময়ে আবাসিক এলাকাগুলো থেকে অফিস পাড়া পর্যন্ত অধিকাংশ ভ্যান যাত্রী পরিবহন করেন। রিকশার তুলনায় ভাড়া অপেক্ষাকৃত কম হওয়ায় যাত্রীও পাচ্ছেন বেশ। ভ্যানের চালক ও যাত্রী উভয়কেই খুশি মনে যেতে দেখা গেছে।

সকালে খিলগাঁও রেলগেট এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, ১৫ থেকে ২০টি ভ্যান গাড়ি যাত্রী পরিবহন করছে। রেলগেট থেকে দৈনিক বাংলা পর্যন্ত ভাড়া ২০ টাকা। যাত্রীরাও এতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন। রাস্তায় সময়ও তেমন একটা বেশি লাগছে না। প্রতি ট্রিপে ৮ জন যাত্রী ১৬০ টাকা করে পাচ্ছেন ভ্যানচালক।

রফিকুল ইসলাম নামে এক ভ্যানযাত্রী বলেন, ভ্যানগাড়ি হওয়ার কারণে ৭ থেকে ৮ জন যাত্রী এক সঙ্গে গন্তব্যে পৌঁছে যাচ্ছে। ভাড়াও অপেক্ষাকৃত কম।

একই চিত্র দেখা গেছে মানিকনগর এলাকায়। সেখানে থেকে রিকশার পাশাপাশি বিভিন্ন ভ্যান গাড়িতে করে যাত্রী পরিবহন হচ্ছে। কথা হয় ভ্যানচালক নাসির উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি বলেন, আগে বিভিন্ন দোকানপাটে বিক্রি হওয়া ফার্নিচার বা বাসা বদলের মালামাল পরিবহন করতাম। এখন তেমন একটা ট্রিপ পাওয়া যাচ্ছে না। তাই প্রতিদিন অফিস সময়ে মানুষ টানি। কয়েকটা ট্রিপ দিলে দিনের চাহিদা পূরণ হয়ে যায়।

এদিকে সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মানুষের উপস্থিতি বেশি দেখা গেছে। এসব এলাকার মধ্যে ফকিরাপুল, রাজারবাগ, মালিবাগ, চৌধুরীপাড়া, বাড্ডা, দৈনিক বাংলা মোড়, বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, মগবাজার অন্যতম। এসব এলাকায় ব্যক্তিগত বাহনের পাশাপাশি মানুষের উপস্থিতিও ছিলো বেশি। আলাপ করলে তারা জানান, অফিসে যাওয়ার জন্যই তারা বাসা থেকে বের হয়েছেন। আবার কেউ কেউ বলেছেন কয়েক দিন কর্ম না থাকার কারণে বাসায় খাবার ফুরিয়ে গেছে। সে কারণে তারা কাজের সন্ধানে বের হয়েছেন।

রাজারবাগে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের সদস্য আফসার উদ্দিন বলেন, সকালে অফিস সময়ে যানবাহনের একটু চাপ বেশি থাকে। তাছাড়া খিলগাঁও এলাকায় মানুষের বসবাস বেশি। যে কারণে এখানে চাপটা একটু বেশি।

দৈনিক বাংলা এলাকার চিত্রও একই দেখা গেছে। সিগন্যালটিতে এক থেকে দুই মিনিট করে মানুষকে অপেক্ষা করতে হয়েছে।

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৩২
  • ১১:৫৭
  • ৪:১৯
  • ৬:০৬
  • ৭:২০
  • ৫:৪৪
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!