ঢাকা ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’ Logo রিকশাচালক থেকে মুচি, ১ নভেম্বর থেকে সবাই বাংলা কিউআর ব্যবহার করতে পারবেন Logo প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত ও গ্রেপ্তার করতে হবে: আখতার হোসেন Logo ৩৪৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ Logo ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০ Logo মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: তারেক রহমান Logo মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo যাত্রাবাড়ীতে বাসে তল্লাশি, ৯ হাজার ই’য়া’বা’স’হ গ্রে’প্তা’র ২ Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল 

হীরা চোরাচালানের নেপথ্য সম্রাট ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের দিলীপ কুমার, গড়েছেন টাকার পাহাড়!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৬:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২০ ১৫৩ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক : বিদেশ থেকে অবৈধ ভাবে স্বর্ণ ও হীরা চোরাচালানের নেপথ্য সম্রাট ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড এর স্বত্বাধিকারী দিলীপ কুমার আগারওয়াল। আর এই চোরাচালানের মাধ্যমেই শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন ডায়মন্ড বিক্রির প্রতিষ্ঠান ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড  স্ত্ত্বাধিকারী দিলীপ কুমার আগারওয়াল। তার বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকিরও অভিযোগ রয়েছে।

হীরা ও চোরাচালান ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে ১৭ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্তে নামে কিন্তু অদৃশ্য কারণে এখনো আলোর মুখ দেখেনি তদন্ত প্রতিবেদন।

জানা গেছে, দিলীপ আগারওয়াল কুষ্টিয়া জেলায় মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ডায়মন্ড ব্যবসার সাথে জড়িত হওয়ার পর তিনি হাজার কোটি টাকার মালিক বনে যান।

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের স্বত্ত্বাধিকারী দিলীপ আগারওয়াল বিদেশ থেকে অবৈধভাবে চোরাচালানের মাধ্যমে স্বর্ণ ও হীরা আমদানী করে হুন্ডির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করারও অভিযোগ রয়েছে। ঢাকা বিমান বন্দরের অসাধু কিছু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে তার অবৈধ কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছেন।

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড যেসব ডায়মন্ড বা হীরা বিক্রি করে আসছে সেগুলো মেসেনটেট নামক এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ। যার ফলে প্রতারিত হচ্ছেন সাধারন মানুষ আর তিনি হাতিয়ে নিয়েছেন হাজার কোটি টাকা।

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন আঞ্চলে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের প্রায় শতাধিক শো–রুম রয়েছে। বর্তমানে তার সম্পদের পরিমান হাজার কোটি টাকা।

এসব বিষয়ে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের স্বত্ত্বাধিকারী দিলীপ আগারওয়ালের কাছে জানতে চেয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিক পরিচয় শুনার পর কল কেটে দেন। পরবর্তীতে কল দেয়ার কথা থাকলেও মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

হীরা চোরাচালানের নেপথ্য সম্রাট ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের দিলীপ কুমার, গড়েছেন টাকার পাহাড়!

আপডেট সময় : ১১:২৬:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২০

বিশেষ প্রতিবেদক : বিদেশ থেকে অবৈধ ভাবে স্বর্ণ ও হীরা চোরাচালানের নেপথ্য সম্রাট ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড এর স্বত্বাধিকারী দিলীপ কুমার আগারওয়াল। আর এই চোরাচালানের মাধ্যমেই শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন ডায়মন্ড বিক্রির প্রতিষ্ঠান ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড  স্ত্ত্বাধিকারী দিলীপ কুমার আগারওয়াল। তার বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকিরও অভিযোগ রয়েছে।

হীরা ও চোরাচালান ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে ১৭ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্তে নামে কিন্তু অদৃশ্য কারণে এখনো আলোর মুখ দেখেনি তদন্ত প্রতিবেদন।

জানা গেছে, দিলীপ আগারওয়াল কুষ্টিয়া জেলায় মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ডায়মন্ড ব্যবসার সাথে জড়িত হওয়ার পর তিনি হাজার কোটি টাকার মালিক বনে যান।

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের স্বত্ত্বাধিকারী দিলীপ আগারওয়াল বিদেশ থেকে অবৈধভাবে চোরাচালানের মাধ্যমে স্বর্ণ ও হীরা আমদানী করে হুন্ডির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করারও অভিযোগ রয়েছে। ঢাকা বিমান বন্দরের অসাধু কিছু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে তার অবৈধ কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছেন।

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড যেসব ডায়মন্ড বা হীরা বিক্রি করে আসছে সেগুলো মেসেনটেট নামক এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ। যার ফলে প্রতারিত হচ্ছেন সাধারন মানুষ আর তিনি হাতিয়ে নিয়েছেন হাজার কোটি টাকা।

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন আঞ্চলে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের প্রায় শতাধিক শো–রুম রয়েছে। বর্তমানে তার সম্পদের পরিমান হাজার কোটি টাকা।

এসব বিষয়ে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের স্বত্ত্বাধিকারী দিলীপ আগারওয়ালের কাছে জানতে চেয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিক পরিচয় শুনার পর কল কেটে দেন। পরবর্তীতে কল দেয়ার কথা থাকলেও মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।