ঢাকা ০৮:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

হীরা চোরাচালানের নেপথ্য সম্রাট ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের দিলীপ কুমার, গড়েছেন টাকার পাহাড়!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৬:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২০ ১৩৯ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক : বিদেশ থেকে অবৈধ ভাবে স্বর্ণ ও হীরা চোরাচালানের নেপথ্য সম্রাট ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড এর স্বত্বাধিকারী দিলীপ কুমার আগারওয়াল। আর এই চোরাচালানের মাধ্যমেই শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন ডায়মন্ড বিক্রির প্রতিষ্ঠান ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড  স্ত্ত্বাধিকারী দিলীপ কুমার আগারওয়াল। তার বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকিরও অভিযোগ রয়েছে।

হীরা ও চোরাচালান ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে ১৭ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্তে নামে কিন্তু অদৃশ্য কারণে এখনো আলোর মুখ দেখেনি তদন্ত প্রতিবেদন।

জানা গেছে, দিলীপ আগারওয়াল কুষ্টিয়া জেলায় মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ডায়মন্ড ব্যবসার সাথে জড়িত হওয়ার পর তিনি হাজার কোটি টাকার মালিক বনে যান।

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের স্বত্ত্বাধিকারী দিলীপ আগারওয়াল বিদেশ থেকে অবৈধভাবে চোরাচালানের মাধ্যমে স্বর্ণ ও হীরা আমদানী করে হুন্ডির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করারও অভিযোগ রয়েছে। ঢাকা বিমান বন্দরের অসাধু কিছু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে তার অবৈধ কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছেন।

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড যেসব ডায়মন্ড বা হীরা বিক্রি করে আসছে সেগুলো মেসেনটেট নামক এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ। যার ফলে প্রতারিত হচ্ছেন সাধারন মানুষ আর তিনি হাতিয়ে নিয়েছেন হাজার কোটি টাকা।

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন আঞ্চলে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের প্রায় শতাধিক শো–রুম রয়েছে। বর্তমানে তার সম্পদের পরিমান হাজার কোটি টাকা।

এসব বিষয়ে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের স্বত্ত্বাধিকারী দিলীপ আগারওয়ালের কাছে জানতে চেয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিক পরিচয় শুনার পর কল কেটে দেন। পরবর্তীতে কল দেয়ার কথা থাকলেও মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

হীরা চোরাচালানের নেপথ্য সম্রাট ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের দিলীপ কুমার, গড়েছেন টাকার পাহাড়!

আপডেট সময় : ১১:২৬:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২০

বিশেষ প্রতিবেদক : বিদেশ থেকে অবৈধ ভাবে স্বর্ণ ও হীরা চোরাচালানের নেপথ্য সম্রাট ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড এর স্বত্বাধিকারী দিলীপ কুমার আগারওয়াল। আর এই চোরাচালানের মাধ্যমেই শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন ডায়মন্ড বিক্রির প্রতিষ্ঠান ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড  স্ত্ত্বাধিকারী দিলীপ কুমার আগারওয়াল। তার বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকিরও অভিযোগ রয়েছে।

হীরা ও চোরাচালান ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে ১৭ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্তে নামে কিন্তু অদৃশ্য কারণে এখনো আলোর মুখ দেখেনি তদন্ত প্রতিবেদন।

জানা গেছে, দিলীপ আগারওয়াল কুষ্টিয়া জেলায় মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ডায়মন্ড ব্যবসার সাথে জড়িত হওয়ার পর তিনি হাজার কোটি টাকার মালিক বনে যান।

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের স্বত্ত্বাধিকারী দিলীপ আগারওয়াল বিদেশ থেকে অবৈধভাবে চোরাচালানের মাধ্যমে স্বর্ণ ও হীরা আমদানী করে হুন্ডির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করারও অভিযোগ রয়েছে। ঢাকা বিমান বন্দরের অসাধু কিছু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে তার অবৈধ কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছেন।

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড যেসব ডায়মন্ড বা হীরা বিক্রি করে আসছে সেগুলো মেসেনটেট নামক এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ। যার ফলে প্রতারিত হচ্ছেন সাধারন মানুষ আর তিনি হাতিয়ে নিয়েছেন হাজার কোটি টাকা।

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন আঞ্চলে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের প্রায় শতাধিক শো–রুম রয়েছে। বর্তমানে তার সম্পদের পরিমান হাজার কোটি টাকা।

এসব বিষয়ে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের স্বত্ত্বাধিকারী দিলীপ আগারওয়ালের কাছে জানতে চেয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিক পরিচয় শুনার পর কল কেটে দেন। পরবর্তীতে কল দেয়ার কথা থাকলেও মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।