ঢাকা ১০:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মঙ্গল শোভাযাত্রা – তাসফিয়া ফারহানা ঐশী Logo সাস্টিয়ান ব্রাহ্মণবাড়িয়া এর ইফতার মাহফিল সম্পন্ন Logo কুবির চট্টগ্রাম স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের ইফতার ও পূর্নমিলনী Logo অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমেদের মায়ের মৃত্যুতে শাবির মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মুক্ত চিন্তা চর্চায় ঐক্যবদ্ধ শিক্ষকবৃন্দ পরিষদের শোক প্রকাশ Logo শাবির অধ্যাপক জহীর উদ্দিনের মায়ের মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক প্রকাশ Logo বিশ কোটিতে গণপূর্তের প্রধান হওয়ার মিশনে ‘ছাত্রদল ক্যাডার প্রকৌশলী’! Logo দূর্নীতির রাক্ষস ফায়ার সার্ভিসের এডি আনোয়ার! Logo ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতি হওয়া শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অবকাঠামোর সংস্কার শুরু Logo বুয়েটে নিয়মতান্ত্রিক ছাত্র রাজনীতির দাবিতে শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের মানববন্ধন Logo কুবি উপাচার্যের বক্তব্যের প্রমাণ দিতে শিক্ষক সমিতির সাত দিনের আল্টিমেটাম




জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান মারা গেছেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২০ ১৪৩৮ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান মারা গেছেন

অনলাইন রিপোর্ট্;

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান মারা গেছেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে রাজধানী ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।

বার্ধক্যজনিত নানা রোগে বেশ কিছুদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। এর আগে মঙ্গলবার (১২ মে) তার ছেলে আনন্দ জামান সাংবাদিকদের জানান তার বাবার হার্ট ও কিডনিতে জটিলতা রয়েছে।

অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের জন্ম ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাটে। তার বাবা এ টি এম মোয়াজ্জেম ছিলেন বিখ্যাত হোমিও চিকিৎসক।

অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ১৯৫৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্স ও ১৯৫৭ সালে এম.এ. পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। বাংলা একাডেমির যেকোনো সিদ্ধান্তের সাথে তিনি সব সময় জড়িত ছিলেন। বাংলা বানান রীতির অভিধানসহ যেকোন প্রকল্পে তার অবস্থান ছিল অবধারিত।

তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে অবদান রেখেছেন। ১৯৭১ সালে মুজিব নগর সরকারের পরিকল্পনা কমিশনেরও সদস্য ছিলেন তিনি। এরপর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধানের বাংলা ভাষায় অনুবাদের যে কমিটি ছিল সেটার নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। ১৯৯১ সালে গঠিত গণ আদালতের একজন অভিযোগকারী ছিলেন আনিসুজ্জামান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান মারা গেছেন

আপডেট সময় : ০৭:৪১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২০

অনলাইন রিপোর্ট্;

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান মারা গেছেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে রাজধানী ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।

বার্ধক্যজনিত নানা রোগে বেশ কিছুদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। এর আগে মঙ্গলবার (১২ মে) তার ছেলে আনন্দ জামান সাংবাদিকদের জানান তার বাবার হার্ট ও কিডনিতে জটিলতা রয়েছে।

অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের জন্ম ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাটে। তার বাবা এ টি এম মোয়াজ্জেম ছিলেন বিখ্যাত হোমিও চিকিৎসক।

অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ১৯৫৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্স ও ১৯৫৭ সালে এম.এ. পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। বাংলা একাডেমির যেকোনো সিদ্ধান্তের সাথে তিনি সব সময় জড়িত ছিলেন। বাংলা বানান রীতির অভিধানসহ যেকোন প্রকল্পে তার অবস্থান ছিল অবধারিত।

তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে অবদান রেখেছেন। ১৯৭১ সালে মুজিব নগর সরকারের পরিকল্পনা কমিশনেরও সদস্য ছিলেন তিনি। এরপর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধানের বাংলা ভাষায় অনুবাদের যে কমিটি ছিল সেটার নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। ১৯৯১ সালে গঠিত গণ আদালতের একজন অভিযোগকারী ছিলেন আনিসুজ্জামান।