ঢাকা ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লঞ্চ থেকে মেঘনায় লাফ দেওয়া যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার, প্রশংসায় নৌ পুলিশের তৎপরতা Logo স্থানীয় কৃষকদের থেকে ভাড়ায় জমি নিয়ে সাইন বোর্ড: প্লট বানিজ্যের নামে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী কর্তৃপক্ষ’র প্রতারণা Logo “নৌ-খাতের সিমুলেটর বাণিজ্যের লুটেরা সিন্ডিকেট সাব্বির মাদানি” Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ত্রাসের রাজত্ব! নকল নবীশ মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকি ও দূর্নীতির অভিযোগ Logo ‘শিশু হাসপাতালে উপ-পরিচালক নেছার উদ্দীন সিন্ডিকেটের দুর্নীতি ও লুটপাট’ Logo গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়ার ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও টেন্ডার কারসাজি Logo মাঠের ত্যাগী না অভিজ্ঞ নেতা: রাজধানীর বিএনপিতে কোন পথে যাচ্ছে নেতৃত্ব? Logo অন্তর্বর্তী সরকার আমাকে ডিসিদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ দেয়নি: রাষ্ট্রপতি Logo পথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি Logo সাভার পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক আমজাদ মোল্লার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান মারা গেছেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২০ ৪৬৫৬ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান মারা গেছেন

অনলাইন রিপোর্ট্;

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান মারা গেছেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে রাজধানী ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।

বার্ধক্যজনিত নানা রোগে বেশ কিছুদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। এর আগে মঙ্গলবার (১২ মে) তার ছেলে আনন্দ জামান সাংবাদিকদের জানান তার বাবার হার্ট ও কিডনিতে জটিলতা রয়েছে।

অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের জন্ম ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাটে। তার বাবা এ টি এম মোয়াজ্জেম ছিলেন বিখ্যাত হোমিও চিকিৎসক।

অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ১৯৫৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্স ও ১৯৫৭ সালে এম.এ. পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। বাংলা একাডেমির যেকোনো সিদ্ধান্তের সাথে তিনি সব সময় জড়িত ছিলেন। বাংলা বানান রীতির অভিধানসহ যেকোন প্রকল্পে তার অবস্থান ছিল অবধারিত।

তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে অবদান রেখেছেন। ১৯৭১ সালে মুজিব নগর সরকারের পরিকল্পনা কমিশনেরও সদস্য ছিলেন তিনি। এরপর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধানের বাংলা ভাষায় অনুবাদের যে কমিটি ছিল সেটার নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। ১৯৯১ সালে গঠিত গণ আদালতের একজন অভিযোগকারী ছিলেন আনিসুজ্জামান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান মারা গেছেন

আপডেট সময় : ০৭:৪১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২০

অনলাইন রিপোর্ট্;

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান মারা গেছেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে রাজধানী ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।

বার্ধক্যজনিত নানা রোগে বেশ কিছুদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। এর আগে মঙ্গলবার (১২ মে) তার ছেলে আনন্দ জামান সাংবাদিকদের জানান তার বাবার হার্ট ও কিডনিতে জটিলতা রয়েছে।

অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের জন্ম ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাটে। তার বাবা এ টি এম মোয়াজ্জেম ছিলেন বিখ্যাত হোমিও চিকিৎসক।

অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ১৯৫৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্স ও ১৯৫৭ সালে এম.এ. পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। বাংলা একাডেমির যেকোনো সিদ্ধান্তের সাথে তিনি সব সময় জড়িত ছিলেন। বাংলা বানান রীতির অভিধানসহ যেকোন প্রকল্পে তার অবস্থান ছিল অবধারিত।

তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে অবদান রেখেছেন। ১৯৭১ সালে মুজিব নগর সরকারের পরিকল্পনা কমিশনেরও সদস্য ছিলেন তিনি। এরপর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধানের বাংলা ভাষায় অনুবাদের যে কমিটি ছিল সেটার নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। ১৯৯১ সালে গঠিত গণ আদালতের একজন অভিযোগকারী ছিলেন আনিসুজ্জামান।