ঢাকা ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রূপগঞ্জে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর ‘খারা মোশাররফ বাহিনীর হামলা: ১৮ লাখ টাকার সরঞ্জাম লুট Logo কেরানীগঞ্জে কারখানায় আগুনে মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা, একজন কারাগারে Logo যাত্রীদের কল্যাণের নামে নিজে টাকার পাহাড় গড়েছেন মোজাম্মেল Logo “২৮ শিশুমৃত্যু সহ ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ—তবুও পদে বহাল ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের শফিকুল-নাঈম!” Logo পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে হামলা, মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযোগে দুইজন আহত Logo রাজ এগ্রোর তরমুজ বীজে মাঠ কাঁপাচ্ছে কৃষক: উচ্চ ফলনে নতুন সম্ভাবনা Logo ত্রাণের বিস্কুট ও জ্বালানি তেল চুরিতে অভিযুক্ত মিজানুর এখন ফায়ার সার্ভিসের দণ্ডমুন্ডের কর্তা! পর্ব -১ Logo ফায়ার সার্ভিসের নতুন পরিচালক লে. কর্নেল মোঃ মাহমুদুল হাসান Logo ওরিয়ন গ্রুপের রাজস্ব চুরি! Logo স্বাধীনতা দিবস প্যারেড: রাষ্ট্রপতির অভিবাদন গ্রহণ, প্রধানমন্ত্রীর কুচকাওয়াজ পরিদর্শন

কিট নিয়ে মুখোমুখি গণস্বাস্থ্য-ঔষধ প্রশাসন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৯:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২০ ২০৬ বার পড়া হয়েছে

সকালের সংবাদ ডেস্ক; 
গণস্বাস্থ্যের উৎপাদিত করোনা শনাক্তকরণ কিট হস্তান্তরে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। কিট নিয়ে যাওয়া হলেও তা ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর গ্রহণ করেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর বলছে, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে না গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পর নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছিল গণস্বাস্থ্যের কিট তৈরির খবর। তবে একে ঘিরে তৈরি হয়েছে বেশ কিছু বিতর্কও।

রোববার ধানমন্ডিতে গণস্বাস্থ্যের নগর হাসপাতালে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিষ্ঠানটির ট্রাস্ট্রি জাফরুল্লাহ চৌধুরী জানান, সকালে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে নমুনা নিয়ে গেলেও তা গ্রহণ করেনি প্রতিষ্ঠানটি। অভিযোগ করেন, বেসরকারি স্বার্থ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে গণস্বাস্থ্যের কিট অনুমোদনকে বিলম্বিত করা হচ্ছে।

গণস্বাস্থ্যের নগর হাসপাতালের ট্রাস্টি ড. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘এটা নিতে ওষুধ প্রশাসন কেনো বিলম্ব করছে জানি না। একটার পর একটা অজুহাত তাদের।’

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে সিআরিও’র অনুরোধ জানানো হয়।

তবে গণস্বাস্থ্যের অভিযোগকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অভিযোগ করেন, কিট অনুমোদনের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে না গণস্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমাদের কাউকে কীট নিতে অফার করেনি। অনেকক্ষণ বসেছিলেন কিন্তু কখনও বলেননি কীট নিয়ে এসেছেন। কীটটা আমাদের প্রয়োজন নেই। তাদের প্রয়োজন হলে তাদেরকে যোগাযোগ করতে হবে। আমরা কিট নেইনি, এটা আরেকটা মিথ্যা কথা।’

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে সব ধরনের সহায়তা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

কিট নিয়ে মুখোমুখি গণস্বাস্থ্য-ঔষধ প্রশাসন

আপডেট সময় : ০৯:০৯:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২০

সকালের সংবাদ ডেস্ক; 
গণস্বাস্থ্যের উৎপাদিত করোনা শনাক্তকরণ কিট হস্তান্তরে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। কিট নিয়ে যাওয়া হলেও তা ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর গ্রহণ করেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর বলছে, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে না গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পর নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছিল গণস্বাস্থ্যের কিট তৈরির খবর। তবে একে ঘিরে তৈরি হয়েছে বেশ কিছু বিতর্কও।

রোববার ধানমন্ডিতে গণস্বাস্থ্যের নগর হাসপাতালে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিষ্ঠানটির ট্রাস্ট্রি জাফরুল্লাহ চৌধুরী জানান, সকালে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে নমুনা নিয়ে গেলেও তা গ্রহণ করেনি প্রতিষ্ঠানটি। অভিযোগ করেন, বেসরকারি স্বার্থ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে গণস্বাস্থ্যের কিট অনুমোদনকে বিলম্বিত করা হচ্ছে।

গণস্বাস্থ্যের নগর হাসপাতালের ট্রাস্টি ড. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘এটা নিতে ওষুধ প্রশাসন কেনো বিলম্ব করছে জানি না। একটার পর একটা অজুহাত তাদের।’

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে সিআরিও’র অনুরোধ জানানো হয়।

তবে গণস্বাস্থ্যের অভিযোগকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অভিযোগ করেন, কিট অনুমোদনের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে না গণস্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমাদের কাউকে কীট নিতে অফার করেনি। অনেকক্ষণ বসেছিলেন কিন্তু কখনও বলেননি কীট নিয়ে এসেছেন। কীটটা আমাদের প্রয়োজন নেই। তাদের প্রয়োজন হলে তাদেরকে যোগাযোগ করতে হবে। আমরা কিট নেইনি, এটা আরেকটা মিথ্যা কথা।’

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে সব ধরনের সহায়তা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।