ঢাকা ১২:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

মাত্র চার টাকা খরচে হাজার টাকা ক্যাশআউট করতে পারবেন শ্রমিকরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১২:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২০ ২১২ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন রিপোর্ট | 

করোনা ভাইরাসের এই সংকটময় মুহূর্তে সরকার ঘোষিত পোশাক খাতের প্রণোদনার আওতায় শ্রমিকদের বেতন-ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে চলে যাবে। তবে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের ক্যাশ আউট চার্জ হিসেবে শ্রমিকদের হাজারে ৪ টাকা করে খরচ দিতে হবে। যদিও প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ১ হাজারে ১৮ থেকে ২০ টাকা ফি কেটে নেয় মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এজেন্ট।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক ক্যাশ আউটের এই চার্জ নির্ধারণ করে দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গত ২ এপ্রিল রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য সবাইকে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট খোলার নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এক্ষেত্রে শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বা হাজারে ৮ টাকার বেশি চার্জ আদায় করা যাবে না। এর মধ্যে এমএফএস অপারেটরদের ৪ টাকা কমিশন দেবে ঋণদাতা ব্যাংক। বাকি ৪ টাকা পরিশোধ করবে গ্রাহক বা প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক।

গত ২ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রপ্তানিমুখী শিল্প খাতের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করা হয়েছে। এই তহবিল থেকে শুধু সচল রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকরা ঋণ নিতে পারবেন। এজন্য প্রতিষ্ঠানের মালিকদের গুনতে হবে এককালীন ২ শতাংশ সুদ।

উল্লেখ্য, মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রতিষ্ঠান ‘বিকাশ’ বর্তমানে গ্রাহকপ্রতি এক হাজার টাকা ক্যাশ আউটে (টাকা উত্তোলন) খরচ নেয় ১৮ টাকা ৫০ পয়সা। আর বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে ক্যাশ আউটে খরচ নেয়া হয় ১৭ টাকা ৭০ পয়সা। ডাচ-বাংলা ব্যাংকের রকেটসহ দেশের অন্যান্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোও একই হারে খরচ কেটে নেয়। তবে সরকারের ডাক বিভাগের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ‘নগদ’ একটু ভিন্ন। তারা আগে এক হাজার টাকা ক্যাশ আউট করলে খরচ নিত ১৪ টাকা ৫০ পয়সা। কিন্তু মহামারী করোনা সঙ্কটের কারণে এখন প্রতি হাজারে সেই খরচ নেয় ১০ টাকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

মাত্র চার টাকা খরচে হাজার টাকা ক্যাশআউট করতে পারবেন শ্রমিকরা

আপডেট সময় : ১০:১২:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২০

অনলাইন রিপোর্ট | 

করোনা ভাইরাসের এই সংকটময় মুহূর্তে সরকার ঘোষিত পোশাক খাতের প্রণোদনার আওতায় শ্রমিকদের বেতন-ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে চলে যাবে। তবে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের ক্যাশ আউট চার্জ হিসেবে শ্রমিকদের হাজারে ৪ টাকা করে খরচ দিতে হবে। যদিও প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ১ হাজারে ১৮ থেকে ২০ টাকা ফি কেটে নেয় মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এজেন্ট।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক ক্যাশ আউটের এই চার্জ নির্ধারণ করে দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গত ২ এপ্রিল রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য সবাইকে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট খোলার নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এক্ষেত্রে শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বা হাজারে ৮ টাকার বেশি চার্জ আদায় করা যাবে না। এর মধ্যে এমএফএস অপারেটরদের ৪ টাকা কমিশন দেবে ঋণদাতা ব্যাংক। বাকি ৪ টাকা পরিশোধ করবে গ্রাহক বা প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক।

গত ২ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রপ্তানিমুখী শিল্প খাতের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করা হয়েছে। এই তহবিল থেকে শুধু সচল রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকরা ঋণ নিতে পারবেন। এজন্য প্রতিষ্ঠানের মালিকদের গুনতে হবে এককালীন ২ শতাংশ সুদ।

উল্লেখ্য, মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রতিষ্ঠান ‘বিকাশ’ বর্তমানে গ্রাহকপ্রতি এক হাজার টাকা ক্যাশ আউটে (টাকা উত্তোলন) খরচ নেয় ১৮ টাকা ৫০ পয়সা। আর বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে ক্যাশ আউটে খরচ নেয়া হয় ১৭ টাকা ৭০ পয়সা। ডাচ-বাংলা ব্যাংকের রকেটসহ দেশের অন্যান্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোও একই হারে খরচ কেটে নেয়। তবে সরকারের ডাক বিভাগের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ‘নগদ’ একটু ভিন্ন। তারা আগে এক হাজার টাকা ক্যাশ আউট করলে খরচ নিত ১৪ টাকা ৫০ পয়সা। কিন্তু মহামারী করোনা সঙ্কটের কারণে এখন প্রতি হাজারে সেই খরচ নেয় ১০ টাকা।