ঢাকা ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩০:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২০ ১৮৯ বার পড়া হয়েছে

আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস

অনলাইন রিপোর্ট |

আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। স্বাধীনতা ঘোষণার পর এই দিন স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করে।
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল থেকে স্বাধীন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। এর আগে ১০ এপ্রিল গঠিত হয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। এ সরকারকেই বলা হয় ‘মুজিবনগর সরকার’। এ সরকারের অধীনেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়।
১৯৭১ সালের এইদিন তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রিসভার সদসরা আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন। এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ঘোষিত হয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
দেশের সংবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি ও সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়। তবে বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
আর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তাজউদ্দিন আহমেদ। খন্দকার মোশতাক আহমেদ পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ মনসুর আলী অর্থমন্ত্রী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামান স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী নিযুক্ত হন। সরকারের উপদ্ষ্টো হন মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, কমরেড মণি সিংহ, অধ্যাপক মোজাফ্‌ফর আহমদ। এছাড়া জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী মুক্তিবাহিনীর প্রধান কমান্ডার এবং মেজর জেনারেল আবদুর রব চিফ অব স্টাফ নিযুক্ত হন।
আন্তর্জাতিক জনমত সৃষ্টি ও মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকার পরিচালনায় এই সরকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই সরকারের নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় মুক্তিযুদ্ধ দ্রুততম সময়ে সফল সমাপ্তির দিকে এগিয়ে যায়।
দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হয় ৩০ লাখ মানুষ। নির্যাতনের শিকার হন ২ লাখ নারী। বিজয় অর্জিত হয় ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। বিশ্বের বুকে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ 

আপডেট সময় : ০৯:৩০:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২০

অনলাইন রিপোর্ট |

আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। স্বাধীনতা ঘোষণার পর এই দিন স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করে।
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল থেকে স্বাধীন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। এর আগে ১০ এপ্রিল গঠিত হয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। এ সরকারকেই বলা হয় ‘মুজিবনগর সরকার’। এ সরকারের অধীনেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়।
১৯৭১ সালের এইদিন তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রিসভার সদসরা আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন। এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ঘোষিত হয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
দেশের সংবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি ও সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়। তবে বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
আর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তাজউদ্দিন আহমেদ। খন্দকার মোশতাক আহমেদ পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ মনসুর আলী অর্থমন্ত্রী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামান স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী নিযুক্ত হন। সরকারের উপদ্ষ্টো হন মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, কমরেড মণি সিংহ, অধ্যাপক মোজাফ্‌ফর আহমদ। এছাড়া জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী মুক্তিবাহিনীর প্রধান কমান্ডার এবং মেজর জেনারেল আবদুর রব চিফ অব স্টাফ নিযুক্ত হন।
আন্তর্জাতিক জনমত সৃষ্টি ও মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকার পরিচালনায় এই সরকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই সরকারের নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় মুক্তিযুদ্ধ দ্রুততম সময়ে সফল সমাপ্তির দিকে এগিয়ে যায়।
দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হয় ৩০ লাখ মানুষ। নির্যাতনের শিকার হন ২ লাখ নারী। বিজয় অর্জিত হয় ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। বিশ্বের বুকে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের আত্মপ্রকাশ ঘটে।