ঢাকা ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৩, ১৫ আশ্বিন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে আলি আখতার হোসেনের দায়িত্ব গ্রহণ Logo ইবিতে তারুণ্যের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন” Logo স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে বেনাপোলে দূর্বার তারুণ্য এর ভিন্নধর্মী উদ্যোগ Logo স্বাস্থ্য বাতায়ন নিয়ে কুবি শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পেইন Logo গণপূর্তের দুর্নীতির মহারাজ প্রকৌশলী মহিবুল পর্ব- ১ Logo “দেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে আতাউস সামাদ এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত” Logo হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ Logo ‘ভালো থাকিস সবাই’ স্টোরি দেয়ার পর আত্মহত্যা করেন কুবি শিক্ষার্থী Logo শেয়ার মার্কেট ধ্বংসের ডন কাজী সাইফুর: রয়েছে শত কোটি টাকার অবৈধ রিপ্লেসমেন্ট শেয়ার! Logo ইউজিসির গবেষণা প্রকল্প পেলেন কুবির দুই শিক্ষক




পথ ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে পুলিশ!  

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৩:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২০ ৫৮ বার পড়া হয়েছে

হাফিজুর রহমান শফিকঃ বিশ্বজুড়ে করোনা পরিস্থিতিতে ঘরে থাকার কঠোর নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও বাইরে বের হওয়াই যেন অধিকাংশ মানুষের প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। হোক সে সাধারণ মানুষ বা সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউ। এমন অবস্থায় ক্ষেত্রে বিশেষে অসহায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর সদস্যরাও। বেশিরভাগের অজুহাত নিতে চলেছেন ওষুধ বা চিকৎসা সেবার কথা বলে। তবে পুলিশ চেষ্টা করছে নিরাপত্তা বিধি মেনে কাজ করার।

ধাপে ধাপে পুলিশ চেকপোস্ট বসিয়েও থামান যাচ্ছে না সাধারণ মানুষকে। এবারের পরিধি অবশ্য আরও একটু বেশি। সরকারি-বেসরকারি আর শিক্ষিত যারা করোনা সম্পর্কে নিজেরাই সাধারণ মানুষকে সচেতন করেন তারাও দিচ্ছেন নানা অজুহাত। নিজের কার্য সিদ্ধির নির্দেশনা অমান্য করা এক নিয়ম।

দেখা যায় একই গাড়িতে উঠছেন ৪ থেকে ৫ জন। মানছেন না সামাজিক দূরত্ব, করছেন না প্রয়োজনীয় উপকরণ ব্যবহার।

এমন পরিস্থিতি সামলাতে বিপাকে দেশের অধিকাংশ হাইওয়ের কর্মরত পুলিশ। অনেককে ফেরানো গেলেও বেশিরভাগ সময় সরকারের বিভিন্ন দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের টেলিফোনে অসয়ের মত ছাড়তেও বাধ্য হচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশ সদস্যদের একজন বলেন, এতদিন সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ অজুহাত দেখাচ্ছিল। এখন বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা ও তাদের লোকজন এমন অজুহাত দাঁড় করাচ্ছেন।

দেশের মানুষের নিরাপত্তার কথা ভেবে যখন সাধারণ ছুটি ২৫ তারিখ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে, সে পরিস্থিতিতে যারা সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেয়ার দায়িত্ব জাদের তারাই যদি ঝুকিঁপূর্ণ আচরণ করেন সে ক্ষেত্রে করোনার মহামারী সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ কতটা সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




পথ ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে পুলিশ!  

আপডেট সময় : ০৬:৫৩:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২০

হাফিজুর রহমান শফিকঃ বিশ্বজুড়ে করোনা পরিস্থিতিতে ঘরে থাকার কঠোর নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও বাইরে বের হওয়াই যেন অধিকাংশ মানুষের প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। হোক সে সাধারণ মানুষ বা সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউ। এমন অবস্থায় ক্ষেত্রে বিশেষে অসহায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর সদস্যরাও। বেশিরভাগের অজুহাত নিতে চলেছেন ওষুধ বা চিকৎসা সেবার কথা বলে। তবে পুলিশ চেষ্টা করছে নিরাপত্তা বিধি মেনে কাজ করার।

ধাপে ধাপে পুলিশ চেকপোস্ট বসিয়েও থামান যাচ্ছে না সাধারণ মানুষকে। এবারের পরিধি অবশ্য আরও একটু বেশি। সরকারি-বেসরকারি আর শিক্ষিত যারা করোনা সম্পর্কে নিজেরাই সাধারণ মানুষকে সচেতন করেন তারাও দিচ্ছেন নানা অজুহাত। নিজের কার্য সিদ্ধির নির্দেশনা অমান্য করা এক নিয়ম।

দেখা যায় একই গাড়িতে উঠছেন ৪ থেকে ৫ জন। মানছেন না সামাজিক দূরত্ব, করছেন না প্রয়োজনীয় উপকরণ ব্যবহার।

এমন পরিস্থিতি সামলাতে বিপাকে দেশের অধিকাংশ হাইওয়ের কর্মরত পুলিশ। অনেককে ফেরানো গেলেও বেশিরভাগ সময় সরকারের বিভিন্ন দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের টেলিফোনে অসয়ের মত ছাড়তেও বাধ্য হচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশ সদস্যদের একজন বলেন, এতদিন সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ অজুহাত দেখাচ্ছিল। এখন বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা ও তাদের লোকজন এমন অজুহাত দাঁড় করাচ্ছেন।

দেশের মানুষের নিরাপত্তার কথা ভেবে যখন সাধারণ ছুটি ২৫ তারিখ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে, সে পরিস্থিতিতে যারা সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেয়ার দায়িত্ব জাদের তারাই যদি ঝুকিঁপূর্ণ আচরণ করেন সে ক্ষেত্রে করোনার মহামারী সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ কতটা সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।