ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

শবেবরাতের রাতে ৯ বছরের শিশু ধর্ষিত, রক্তাক্ত শিশুকে নিয়ে থানায় মায়ের আহাজারি!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৪:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০ ২৪০ বার পড়া হয়েছে

আশুগঞ্জ প্রতিনিধি;

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের সোনারামপুরে এক চাতাল কল শ্রমিকের ৯বছরের কন্যা শিশুকে ধর্ষণ করে ফেলে পালিয়ে গেছে পাষন্ডরা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় আশুগঞ্জ থানায় হাজির হয় তার মা। শিশুটির গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে, তার পরিবার আশুগঞ্জে একটি চাতালকলে শ্রমিক হওয়ায় সেখানেই বসবাস করেন।

এই ঘটনায় অভিযুক্ত লিটন মিয়া (২৫) নামের এক যুবককে আটক করা হয়েছে। সে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্ট্রগ্রাম উপজেলার ইমান মিয়ার ছেলে ও আশুগঞ্জে একটি চাতাল কলে কাজ করেন।

ওই শিশুর পরিবারের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে জানায়, বিকেলে শিশুটি চাতাল কলের ভেতরে খেলা করছিল। এর কিছুক্ষণ পর শিশুটির বড় ভাইয়ের বন্ধু আরেক চাতাল কলের শ্রমিক লিটন সেখানে আসে। এসময় শিশুটিকে ফুসলিয়ে নিয়ে গিয়ে ধান ক্ষেতে ধর্ষণ করে ফেলে দিয়ে যায়। সন্ধ্যায় ওই শিশুর এক সহপাঠী তার পরিবারকে এসে জানায় শিশুটি রক্তাক্ত অবস্থায় ধান ক্ষেতে পড়ে আছে। এ খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে শিশুটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর খবর পাওয়া যায় অভিযুক্ত লিটন থানার সামনে দিয়ে ঘুরাঘুরি করছে। পুলিশকে জানালে লিটনকে আটক করা হয়।

আশুগঞ্জ-সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাসুদ রানা জানান, অভিযুক্ত যুবককে শিশুটি শনাক্ত করার পর আটক করা হয়েছে। শিশুটিকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

২৫০শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, শিশুটির অবস্থা খুবই খারাপ। তার বিশেষ অঙ্গ দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। আমরা জরুরি ভিত্তিতে গাইনি কনসালটেন্ট কল করে চিকিৎসা সেবা শুরু করেছি। এমনকি শিশুটিকে ঢাকায় প্রেরণ করা হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, শিশুটির সাথে যে ঘটনাটি ঘটেছে, তা খুবই ন্যাক্কারজনক। আমরা এই ঘটনায় নিন্দা জানাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

শবেবরাতের রাতে ৯ বছরের শিশু ধর্ষিত, রক্তাক্ত শিশুকে নিয়ে থানায় মায়ের আহাজারি!

আপডেট সময় : ০১:১৪:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০

আশুগঞ্জ প্রতিনিধি;

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের সোনারামপুরে এক চাতাল কল শ্রমিকের ৯বছরের কন্যা শিশুকে ধর্ষণ করে ফেলে পালিয়ে গেছে পাষন্ডরা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় আশুগঞ্জ থানায় হাজির হয় তার মা। শিশুটির গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে, তার পরিবার আশুগঞ্জে একটি চাতালকলে শ্রমিক হওয়ায় সেখানেই বসবাস করেন।

এই ঘটনায় অভিযুক্ত লিটন মিয়া (২৫) নামের এক যুবককে আটক করা হয়েছে। সে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্ট্রগ্রাম উপজেলার ইমান মিয়ার ছেলে ও আশুগঞ্জে একটি চাতাল কলে কাজ করেন।

ওই শিশুর পরিবারের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে জানায়, বিকেলে শিশুটি চাতাল কলের ভেতরে খেলা করছিল। এর কিছুক্ষণ পর শিশুটির বড় ভাইয়ের বন্ধু আরেক চাতাল কলের শ্রমিক লিটন সেখানে আসে। এসময় শিশুটিকে ফুসলিয়ে নিয়ে গিয়ে ধান ক্ষেতে ধর্ষণ করে ফেলে দিয়ে যায়। সন্ধ্যায় ওই শিশুর এক সহপাঠী তার পরিবারকে এসে জানায় শিশুটি রক্তাক্ত অবস্থায় ধান ক্ষেতে পড়ে আছে। এ খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে শিশুটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর খবর পাওয়া যায় অভিযুক্ত লিটন থানার সামনে দিয়ে ঘুরাঘুরি করছে। পুলিশকে জানালে লিটনকে আটক করা হয়।

আশুগঞ্জ-সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাসুদ রানা জানান, অভিযুক্ত যুবককে শিশুটি শনাক্ত করার পর আটক করা হয়েছে। শিশুটিকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

২৫০শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, শিশুটির অবস্থা খুবই খারাপ। তার বিশেষ অঙ্গ দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। আমরা জরুরি ভিত্তিতে গাইনি কনসালটেন্ট কল করে চিকিৎসা সেবা শুরু করেছি। এমনকি শিশুটিকে ঢাকায় প্রেরণ করা হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, শিশুটির সাথে যে ঘটনাটি ঘটেছে, তা খুবই ন্যাক্কারজনক। আমরা এই ঘটনায় নিন্দা জানাই।