ঢাকা ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জিয়া শিশু কিশোর মেলা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা Logo জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নথি জালিয়াতি: ৫ জনকে শোকজ ও মামলা Logo সওজে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদের ‘অদৃশ্য সাম্রাজ্য’ ও অবৈধ সম্পদ: পূর্বাচলে কয়েক কোটি টাকার প্লট Logo শহীদ জিয়ার মাজারে জিয়া শিশু কিশোর মেলার নতুন কমিটির শ্রদ্ধা Logo এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পাশে জিয়া শিশু কিশোর মেলা: বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন বিতরণ Logo কবি আকাশমণির রোমান্টিক লেখা “ক্লান্তরা সুখ হয়ে ওঠে” Logo লালপুরে দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার Logo মোহনা টিভি দখলের অপচেষ্টা: মিরপুরে উত্তেজনা, থানায় জিডি Logo বন বিভাগে পদোন্নতি জট ও কর্তাদের দুর্নীতির অভিযোগ: আদালতের হস্তক্ষেপে নতুন করে উত্তেজনা Logo জেল থেকে ফিরেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রকৌশলী জুয়েল রানা

বাইরে মানুষের আনাগোনা বেড়েছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২০ ১৭০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক; 

দেশে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতি বাড়লেও মানুষের বাইরে বের হওয়া রোধ করা যাচ্ছে না। বজায় রাখা যাচ্ছে না সামাজিক দূরত্বও।

গত কয়েক দিনের তুলনায় বৃহস্পতিবার রাস্তাঘাটে মানুষের আনাগোনা বেশি দেখা যাচ্ছে। শবে বরাত উপলক্ষে মানুষ কেনাকাটা করতে বাইরে বেরিয়ে এসেছেন। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকার কয়েকটি স্থান ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

যাত্রাবাড়ী, মাতুয়াইল, রায়েরবাগসহ কয়েকটি স্থানের বাজারে প্রচুর ভিড় দেখা গেছে। এতদিন গরুর মাংসের দোকানগুলো বন্ধ থাকলেও আজ তা খুলেছে। মানুষ জমিয়ে মাংস কিনছেন। মুরগি বিক্রির দোকানগুলোর সামনেও ভিড় দেখা গেছে। মাস্ক পরা ছাড়া কাউকেই করোনার সংক্রমণ রোধে দূরত্ব মেনে চলতে দেখা যায়নি। কারও কারও মুখে মাস্কও ছিল না।

মাতুয়াইলে খানবাড়ি মোড়ে মাছ বিক্রি করছেন মোসলেম মিয়া, তার মুখে মাস্ক নেই। তিনি বলেন, ‘রোজগার না করলে চলমু কেমনে বাবা। মাছ বেচাই আমার কাম। মুখে মাস্ক দিলে কাস্টমারের লগে কথা কমু কেমনে। আমি বাবা বেশি সময় থাহি না।’

উত্তর রায়েরবাগ বাইতুত তাকওয়া মসজিদ (দোতলা মসজিদ) থেকে মেইন রোড পর্যন্ত নিত্যপণ্য বিক্রি করা হয়। এখানে ব্যাপক ভিড় দেখা গেছে। নারীদের সংখ্যাই ছিল বেশি।

এই বাজারে বাজার করতে এসেছেন ইলিয়াস হোসেন। তিনি বলেন, কবরস্থানের দক্ষিণ পাশে চাঁনবানু মসজিদ গলিতে আমার বাসা। আমি একটি কোম্পানির মার্কেটিং বিভাগে চাকরি করি। অনেক দিন ধরে অফিসে যাচ্ছি না। বাইরে আসা ঝুঁকি জেনেও বাধ্য হয়ে এসেছি। বাজার না করলে চলব কীভাবে।’

এই এলাকায় চা দোকানও খোলা রাখতে দেখা গেছে। স্থানীয়রা জানান, মাঝে মাঝে পুলিশ ও স্থানীয় কাউন্সিলরের পক্ষ থেকে লোকজনকে ভিড় না করার জন্য বলে থাকে। তারা এলে অনেকে দোকান বন্ধ করে দেয়। চলে গেলে আবার খোলে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৮ জনে। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ জনে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

বাইরে মানুষের আনাগোনা বেড়েছে

আপডেট সময় : ০১:৪০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক; 

দেশে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতি বাড়লেও মানুষের বাইরে বের হওয়া রোধ করা যাচ্ছে না। বজায় রাখা যাচ্ছে না সামাজিক দূরত্বও।

গত কয়েক দিনের তুলনায় বৃহস্পতিবার রাস্তাঘাটে মানুষের আনাগোনা বেশি দেখা যাচ্ছে। শবে বরাত উপলক্ষে মানুষ কেনাকাটা করতে বাইরে বেরিয়ে এসেছেন। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকার কয়েকটি স্থান ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

যাত্রাবাড়ী, মাতুয়াইল, রায়েরবাগসহ কয়েকটি স্থানের বাজারে প্রচুর ভিড় দেখা গেছে। এতদিন গরুর মাংসের দোকানগুলো বন্ধ থাকলেও আজ তা খুলেছে। মানুষ জমিয়ে মাংস কিনছেন। মুরগি বিক্রির দোকানগুলোর সামনেও ভিড় দেখা গেছে। মাস্ক পরা ছাড়া কাউকেই করোনার সংক্রমণ রোধে দূরত্ব মেনে চলতে দেখা যায়নি। কারও কারও মুখে মাস্কও ছিল না।

মাতুয়াইলে খানবাড়ি মোড়ে মাছ বিক্রি করছেন মোসলেম মিয়া, তার মুখে মাস্ক নেই। তিনি বলেন, ‘রোজগার না করলে চলমু কেমনে বাবা। মাছ বেচাই আমার কাম। মুখে মাস্ক দিলে কাস্টমারের লগে কথা কমু কেমনে। আমি বাবা বেশি সময় থাহি না।’

উত্তর রায়েরবাগ বাইতুত তাকওয়া মসজিদ (দোতলা মসজিদ) থেকে মেইন রোড পর্যন্ত নিত্যপণ্য বিক্রি করা হয়। এখানে ব্যাপক ভিড় দেখা গেছে। নারীদের সংখ্যাই ছিল বেশি।

এই বাজারে বাজার করতে এসেছেন ইলিয়াস হোসেন। তিনি বলেন, কবরস্থানের দক্ষিণ পাশে চাঁনবানু মসজিদ গলিতে আমার বাসা। আমি একটি কোম্পানির মার্কেটিং বিভাগে চাকরি করি। অনেক দিন ধরে অফিসে যাচ্ছি না। বাইরে আসা ঝুঁকি জেনেও বাধ্য হয়ে এসেছি। বাজার না করলে চলব কীভাবে।’

এই এলাকায় চা দোকানও খোলা রাখতে দেখা গেছে। স্থানীয়রা জানান, মাঝে মাঝে পুলিশ ও স্থানীয় কাউন্সিলরের পক্ষ থেকে লোকজনকে ভিড় না করার জন্য বলে থাকে। তারা এলে অনেকে দোকান বন্ধ করে দেয়। চলে গেলে আবার খোলে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৮ জনে। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ জনে।