ঢাকা ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’ Logo রিকশাচালক থেকে মুচি, ১ নভেম্বর থেকে সবাই বাংলা কিউআর ব্যবহার করতে পারবেন Logo প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত ও গ্রেপ্তার করতে হবে: আখতার হোসেন Logo ৩৪৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ Logo ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০ Logo মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: তারেক রহমান Logo মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo যাত্রাবাড়ীতে বাসে তল্লাশি, ৯ হাজার ই’য়া’বা’স’হ গ্রে’প্তা’র ২ Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল 

বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের নাতি ভোলার বোরহানউদ্দিনের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৩:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০ ২৮২ বার পড়া হয়েছে

সকালের সংবাদ ডেস্ক;  সোমবার রাতে রাজধানীর মিরপুর থেকে গ্রেফতার হয়েছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার দায়ে ফাঁসির রায় মাথায় নিয়ে পলাতক আসামিদের অন্যতম ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ।

এমন খবরের মাঝেই জানা গেল, বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের নাতি মুজিব উল্যাহ পলাশ বিশ্বাস বর্তমানে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক।

মাজেদ গ্রেফতারের পর স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দীর্ঘকাল ধরেই বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের পরিবারকে পৃষ্ঠপোষকতা করে যাচ্ছে এলাকার প্রভাবশালীরা। যে কারণে তার নাতি পলাশ বিশ্বাস আজ ছাত্রলীগ নেতা এবং কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদ বাগিয়েছে।

তারা জানান, মুজিব উল্যাহ পলাশ মিয়াকে কমিটির সাধারণ সম্পাদক করায় এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে সেই কমিটি একবার স্থগিত করা হয়েছিল। পরে একটি প্রভাবশালী মহলের চাপে সেই কমিটি আবার বহাল করা হয়।

এ বিষয়ে ভোলা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রিয়াজ মাহমুদ এক গণমাধ্যমকে জানান, উপজেলা ছাত্রলীগ কমিটি আমরা দেইনি। তাই এ বিষয়ে আমরা কোনো মন্তব্য করতে পারি না। আমাদের ওপর এর দায়ভার পড়ে না।

কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুজিব উল্যাহ পলাশ বিশ্বাস খুনি মাজেদের নাতি কিনা জানতে চাইলে রিয়াজ মাহমুদ বিষয়টি জানতেন না বলে দাবি করেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। আমরা দুপুরে এ তথ্য জানার পর খবর নেয়া শুরু করেছি। এ নিয়ে পরে একটা সিদ্ধান্তে আসব।

বিষয়টি কেন আগে জানা ছিল না প্রশ্নে আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, আমরা দায়িত্ব নেয়ার আগে পলাশ বিশ্বাস ওই উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হয়েছে। তাই বিস্তারিত জানা ছিল না আমাদের।

প্রসঙ্গত, বঙ্গন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন অবসরপ্রাপ্ত আব্দুল মাজেদ গত ২৩ বছর ধরে কলকাতায় অবস্থান করছিলেন। গত ১৬ মার্চ তিনি ঢাকায় ফেরেন। সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে রাজধানীর মিরপুর সাড়ে এগারো নম্বর থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের নাতি ভোলার বোরহানউদ্দিনের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক

আপডেট সময় : ০৯:৫৩:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০

সকালের সংবাদ ডেস্ক;  সোমবার রাতে রাজধানীর মিরপুর থেকে গ্রেফতার হয়েছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার দায়ে ফাঁসির রায় মাথায় নিয়ে পলাতক আসামিদের অন্যতম ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ।

এমন খবরের মাঝেই জানা গেল, বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের নাতি মুজিব উল্যাহ পলাশ বিশ্বাস বর্তমানে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক।

মাজেদ গ্রেফতারের পর স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দীর্ঘকাল ধরেই বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের পরিবারকে পৃষ্ঠপোষকতা করে যাচ্ছে এলাকার প্রভাবশালীরা। যে কারণে তার নাতি পলাশ বিশ্বাস আজ ছাত্রলীগ নেতা এবং কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদ বাগিয়েছে।

তারা জানান, মুজিব উল্যাহ পলাশ মিয়াকে কমিটির সাধারণ সম্পাদক করায় এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে সেই কমিটি একবার স্থগিত করা হয়েছিল। পরে একটি প্রভাবশালী মহলের চাপে সেই কমিটি আবার বহাল করা হয়।

এ বিষয়ে ভোলা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রিয়াজ মাহমুদ এক গণমাধ্যমকে জানান, উপজেলা ছাত্রলীগ কমিটি আমরা দেইনি। তাই এ বিষয়ে আমরা কোনো মন্তব্য করতে পারি না। আমাদের ওপর এর দায়ভার পড়ে না।

কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুজিব উল্যাহ পলাশ বিশ্বাস খুনি মাজেদের নাতি কিনা জানতে চাইলে রিয়াজ মাহমুদ বিষয়টি জানতেন না বলে দাবি করেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। আমরা দুপুরে এ তথ্য জানার পর খবর নেয়া শুরু করেছি। এ নিয়ে পরে একটা সিদ্ধান্তে আসব।

বিষয়টি কেন আগে জানা ছিল না প্রশ্নে আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, আমরা দায়িত্ব নেয়ার আগে পলাশ বিশ্বাস ওই উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হয়েছে। তাই বিস্তারিত জানা ছিল না আমাদের।

প্রসঙ্গত, বঙ্গন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন অবসরপ্রাপ্ত আব্দুল মাজেদ গত ২৩ বছর ধরে কলকাতায় অবস্থান করছিলেন। গত ১৬ মার্চ তিনি ঢাকায় ফেরেন। সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে রাজধানীর মিরপুর সাড়ে এগারো নম্বর থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে।