ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার দাবিতে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে শাবি শিক্ষক সমিতি Logo কুলাউড়া স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের কর্মশালা ও অরিয়েন্টেশন সম্পন্ন Logo এমপি আনার খুন: রহস্যময় রূপে শীর্ষ দুই ব্যবসায়ী Logo রূপালী ব্যাংকের ডিজিএম কর্তৃক সহকর্মী নারীকে যৌন হয়রানি: ধামাচাপা দিতে মরিয়া তদন্ত কমিটি Logo প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা হাতিয়ে বহাল তবিয়তে মাদারীপুরের দুই সহকারী সমাজসেবা অফিসারl Logo যমুনা লাইফের গ্রাহক প্রতারণায় ‘জড়িতরা’ কে কোথায় Logo ঢাকাস্থ ভোলা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আহসান কামরুল, সম্পাদক জিয়াউর রহমান Logo টাটা মটরস বাংলাদেশে উদ্বোধন করলো টাটা যোদ্ধা Logo আশা শিক্ষা কর্মসূচী কর্তৃক অভিভাবক মতবিনিময় সভা Logo গণপূর্ত প্রধান প্রকৌশলীর গাড়ি চাপায় পিষ্ট সহকারী প্রকৌশলী -উত্তাল গণপূর্ত




করোনার ভয় উপেক্ষা করে রাস্তায় বিএনপির হাজারো নেতাকর্মী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২০ ৮৪ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন রিপোর্ট | 

দীর্ঘ দুই বছর এক মাস ১৬ দিন পর মুক্তি পেলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ইতোমধ্যে মুক্তির প্রক্রিয়া শেষে গুলশানের বাসভবনে ফিরেছেন তিনি। পুরো পথজুড়ে দলীয় নেতা-কর্মীরা বিশাল গাড়িবহরে যুক্ত ছিলেন। পায়ে হেটে বা দৌরে খালেদা জিয়ার বাসভবন পর্যন্ত গিয়েছেন।
যদিও করোনা ভাইরাস সংক্রমণের এই সংকটকালীন সময়ে সরকারি নির্দেশনা অনুসারে এ ধরনের সমাবেশ বা নেতা-কর্মী জড়ো হওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে আগামীকাল থেকে দেশজুড়ে মাঠে থাকছে সেনাবাহিনী। সাধারণ ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত। ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলইসলাম আলমগীর এমন আশঙ্কা থেকেই নেটা-কর্মীদের আশপাশে ভিড় করতে নিষেধ করেছিলেন। তবে এসব নির্দেশ মানেনি দলটির নেতা-কর্মীরা। করোনার ভয়কে উড়িয়ে খালেদার গাড়ি বহরে যুক্ত হয়েছেন।
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার সাজা হলে পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়েছিলেন তিনি। এরপর সেখান থেকে গত বছরের ১ এপ্রিল তাকে নিয়ে আসা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে। এতদিন তিনি কারাবন্দি অবস্থায় এখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
২০১০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা সেনানিবাসের মঈনুল রোডের বাসভবন ছেড়ে গুলশানে ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দারের বাসায় ওঠেন সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী। ওই বছরই গুলশান ৭৯ নম্বর রোডের ১ নম্বর ফিরোজা নামের এ বাড়িটি ভাড়া নেন খালেদা জিয়া।
২০০১-২০০৬ পর্যন্ত খালেদা জিয়া সরকারের প্রতিমন্ত্রী মেজর (অব.) কামরুল ইসলামের ছেলের ওই বাড়িটি ভাড়া নেওয়ার পর সংস্কার করে ২০১১ সালের ২১ এপ্রিল ভাইয়ের বাসা ছেড়ে ওই বাড়িতে ওঠেন তিনি। দুই বছর এক মাস পর আবার তিনি সেই বাড়িতেই উঠতে যাচ্ছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এতদিন ওই বাড়িতে গৃহকর্মী ছাড়া আর কেউ বসবাস করেননি। তবে তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলী রহমান সিঁথি মাঝে মধ্যে লন্ডন থেকে ঢাকায় এলে উঠতেন ওই বাড়িতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




করোনার ভয় উপেক্ষা করে রাস্তায় বিএনপির হাজারো নেতাকর্মী

আপডেট সময় : ০৭:০২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২০

অনলাইন রিপোর্ট | 

দীর্ঘ দুই বছর এক মাস ১৬ দিন পর মুক্তি পেলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ইতোমধ্যে মুক্তির প্রক্রিয়া শেষে গুলশানের বাসভবনে ফিরেছেন তিনি। পুরো পথজুড়ে দলীয় নেতা-কর্মীরা বিশাল গাড়িবহরে যুক্ত ছিলেন। পায়ে হেটে বা দৌরে খালেদা জিয়ার বাসভবন পর্যন্ত গিয়েছেন।
যদিও করোনা ভাইরাস সংক্রমণের এই সংকটকালীন সময়ে সরকারি নির্দেশনা অনুসারে এ ধরনের সমাবেশ বা নেতা-কর্মী জড়ো হওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে আগামীকাল থেকে দেশজুড়ে মাঠে থাকছে সেনাবাহিনী। সাধারণ ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত। ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলইসলাম আলমগীর এমন আশঙ্কা থেকেই নেটা-কর্মীদের আশপাশে ভিড় করতে নিষেধ করেছিলেন। তবে এসব নির্দেশ মানেনি দলটির নেতা-কর্মীরা। করোনার ভয়কে উড়িয়ে খালেদার গাড়ি বহরে যুক্ত হয়েছেন।
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার সাজা হলে পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়েছিলেন তিনি। এরপর সেখান থেকে গত বছরের ১ এপ্রিল তাকে নিয়ে আসা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে। এতদিন তিনি কারাবন্দি অবস্থায় এখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
২০১০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা সেনানিবাসের মঈনুল রোডের বাসভবন ছেড়ে গুলশানে ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দারের বাসায় ওঠেন সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী। ওই বছরই গুলশান ৭৯ নম্বর রোডের ১ নম্বর ফিরোজা নামের এ বাড়িটি ভাড়া নেন খালেদা জিয়া।
২০০১-২০০৬ পর্যন্ত খালেদা জিয়া সরকারের প্রতিমন্ত্রী মেজর (অব.) কামরুল ইসলামের ছেলের ওই বাড়িটি ভাড়া নেওয়ার পর সংস্কার করে ২০১১ সালের ২১ এপ্রিল ভাইয়ের বাসা ছেড়ে ওই বাড়িতে ওঠেন তিনি। দুই বছর এক মাস পর আবার তিনি সেই বাড়িতেই উঠতে যাচ্ছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এতদিন ওই বাড়িতে গৃহকর্মী ছাড়া আর কেউ বসবাস করেননি। তবে তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলী রহমান সিঁথি মাঝে মধ্যে লন্ডন থেকে ঢাকায় এলে উঠতেন ওই বাড়িতে।