ঢাকা ০১:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo প্রকল্প বণ্টনে অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগে গণপূর্ত সচিব নজরুলকে নিয়ে বিতর্কের ঝড়! Logo শিক্ষা প্রকৌশলে দুর্নীতির অভিযোগ: কোটি টাকার চুক্তিতে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহজাহান আলী Logo কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগে সীমাহীন ঘুষ–দুর্নীতির অভিযোগ Logo বটিয়াঘাটায় বিএনপি প্রার্থীর উঠান বৈঠক: সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরবিচ্ছিন্ন নিরাপত্তার আশ্বাস Logo গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার কবির ও ক্যাশিয়ার এনামুল হকের বিরুদ্ধে কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগ|| পর্ব – Logo বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের অর্থ অপব্যবহার: এশিয়াটিক থ্রি সিক্সটি ইস্যুতে হাইকোর্টে যাচ্ছে আইনজীদের সংগঠন  Logo বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের জ্যেষ্ঠ নেতার পদোন্নতি সহ পিআরএল: রয়েছে শত কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগ! Logo দৈনিক সবুজ বাংলাদেশের সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদ এর জন্মদিন আজ Logo উন্নয়নের নামে লুটপাট: ডিএসসিসি এডিবি প্রকল্পে ‘১২ টেবিল’ ভাগাভাগি হয় ঘুষের টাকা  Logo বাংলাদেশ ভারত কোস্টগার্ডের তত্ত্বাবধানে ১৫১ জেলের মুক্তিতে বন্দি বিনিময়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস

মেয়র হলেন তাপস-আতিক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন রিপোর্ট |

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. আতিকুল ইসলাম এবং একই দলের অপর প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপসকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা দক্ষিণের রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন শিল্পকলা একাডেমি থেকে এবং রাত আড়াইটার পর ঢাকা উত্তরের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুল কাসেম শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটরিয়াম থেকে পৃথকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
এর মধ্য দিয়ে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনেই নগরপিতা হওয়ার ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখলো আওয়ামী লীগ।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী ঢাকা উত্তরে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের মো. আতিকুল ইসলাম পেয়েছেন ৪ লাখ ৪৭ হাজার ২১১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির তাবিথ আউয়াল পেয়েছেন ২ লাখ ৬৪ হাজার ১৬১ ভোট।
এছাড়াও হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলনের শেখ ফজলে বারী মাসউদ পেয়েছেন ২৮ হাজার ২০০ ভোট, কাস্তে প্রতীকে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) প্রার্থী ডা: আহাম্মদ সাজেদুল হক রুবেল পেয়েছেন ১৫ হাজার ১২২ ভোট, আম প্রতীকে আনিসুর রহমান দেওয়ান পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৫৩ ভোট এবং বাঘ প্রতীকে শাহীন খান পেয়েছেন ২ হাজার ১১১ ভোট।
ঢাকা দক্ষিণের মোট ১,১৫০টি কেন্দ্রের মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস নৌকা প্রতীকে ৪ লাখ ২৪ হাজার ৫৯৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইশরাক হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ লাখ ৩৬ হাজার ৫১২ ভোট।
এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবদুর রহমান হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ২৬ হাজার ৫২৫ ভোট। গণফ্রন্টের প্রার্থী আবদুস সামাদ সুজন মাছ প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৬৮৭ ভোট।
অন্যদিকে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন লাঙল প্রতীকে পেয়েছেন মাত্র পাঁচ হাজার ৫৯৩ ভোট। এছাড়া বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আক্তারুজ্জামান ওর‌ফে আয়াতুল্লাহ ডাব প্রতীকে দুই হাজার ৪২১ এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. বাহারা‌নে সুলতান বাহার আম প্রতীকে তিন হাজার ১৫৫টি ভোট পেয়ে‌ছেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মোট ভোটার ২৪ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৪জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১২ লাখ ৯৩ হাজার ৪৪১ এবং নারী ভোটার ছিলেন ১১ লাখ ৫৯ হাজার ৭৫৩ জন। ওয়ার্ড সংখ্যা ৭৫, সংরক্ষিত ওয়ার্ড ২৫টি। তবে দক্ষিণে ভোটের হার ছিল খুবই কম। মাত্র ২৯.০০২ শতাংশ ভোট কাস্টিং হয় বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
অন্যদিকে উত্তর সিটি করপোরেশনে ভোট প্রদানের হার দক্ষিণের থেকেও কম। মাত্র ২৫.৩০ শতাংশ ভোট কাস্ট হওয়ার তথ্য জানিয়েছে কমিশন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ৩০ লাখ ১২ হাজার ৫০৯ জন। ওয়ার্ড সংখ্যা ৫৪, সংরক্ষিত ওয়ার্ড ১৮।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

মেয়র হলেন তাপস-আতিক

আপডেট সময় : ০৯:৪৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২০

অনলাইন রিপোর্ট |

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. আতিকুল ইসলাম এবং একই দলের অপর প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপসকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা দক্ষিণের রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন শিল্পকলা একাডেমি থেকে এবং রাত আড়াইটার পর ঢাকা উত্তরের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুল কাসেম শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটরিয়াম থেকে পৃথকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
এর মধ্য দিয়ে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনেই নগরপিতা হওয়ার ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখলো আওয়ামী লীগ।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী ঢাকা উত্তরে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের মো. আতিকুল ইসলাম পেয়েছেন ৪ লাখ ৪৭ হাজার ২১১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির তাবিথ আউয়াল পেয়েছেন ২ লাখ ৬৪ হাজার ১৬১ ভোট।
এছাড়াও হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলনের শেখ ফজলে বারী মাসউদ পেয়েছেন ২৮ হাজার ২০০ ভোট, কাস্তে প্রতীকে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) প্রার্থী ডা: আহাম্মদ সাজেদুল হক রুবেল পেয়েছেন ১৫ হাজার ১২২ ভোট, আম প্রতীকে আনিসুর রহমান দেওয়ান পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৫৩ ভোট এবং বাঘ প্রতীকে শাহীন খান পেয়েছেন ২ হাজার ১১১ ভোট।
ঢাকা দক্ষিণের মোট ১,১৫০টি কেন্দ্রের মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস নৌকা প্রতীকে ৪ লাখ ২৪ হাজার ৫৯৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইশরাক হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ লাখ ৩৬ হাজার ৫১২ ভোট।
এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবদুর রহমান হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ২৬ হাজার ৫২৫ ভোট। গণফ্রন্টের প্রার্থী আবদুস সামাদ সুজন মাছ প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৬৮৭ ভোট।
অন্যদিকে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন লাঙল প্রতীকে পেয়েছেন মাত্র পাঁচ হাজার ৫৯৩ ভোট। এছাড়া বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আক্তারুজ্জামান ওর‌ফে আয়াতুল্লাহ ডাব প্রতীকে দুই হাজার ৪২১ এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. বাহারা‌নে সুলতান বাহার আম প্রতীকে তিন হাজার ১৫৫টি ভোট পেয়ে‌ছেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মোট ভোটার ২৪ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৪জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১২ লাখ ৯৩ হাজার ৪৪১ এবং নারী ভোটার ছিলেন ১১ লাখ ৫৯ হাজার ৭৫৩ জন। ওয়ার্ড সংখ্যা ৭৫, সংরক্ষিত ওয়ার্ড ২৫টি। তবে দক্ষিণে ভোটের হার ছিল খুবই কম। মাত্র ২৯.০০২ শতাংশ ভোট কাস্টিং হয় বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
অন্যদিকে উত্তর সিটি করপোরেশনে ভোট প্রদানের হার দক্ষিণের থেকেও কম। মাত্র ২৫.৩০ শতাংশ ভোট কাস্ট হওয়ার তথ্য জানিয়েছে কমিশন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ৩০ লাখ ১২ হাজার ৫০৯ জন। ওয়ার্ড সংখ্যা ৫৪, সংরক্ষিত ওয়ার্ড ১৮।